দীপন

লেখকঃ হোসেন মাহমুদ

সকাল থেকে হৈ চৈ লেগেই আছে। মানুষের চিৎকার চেঁচামেচিতে দীপনের ঘুম ভেঙ্গে যায়। ঘুম থেকে উঠেই বেশীরভাগ মানুষ সময় দেখে। দীপনদের ঘরে কোন ঘড়ি নেই সুতরাং সময় কত হয়েছে মন চাইলে ও সে জানতে পারবে না। ঘরের ডানদিকটার কোনে রোঁদ পড়েনি তারমানে এখনো সকাল বেলা। দীপনের স্কুলে পূজার ছুটি চলছে তাই এতক্ষণ অবধি ঘুমাবার সুযোগ, অন্যথায় সেই সাত সকালে মা কাজে যাওয়ার আগেই ঘুম থেকে তুলে দেয় দীপনকে। পূজার ছুটিতে স্বাদ মিটিয়ে ঘুমানোর ইচ্ছে দীপনের অনেক দিনের। কিন্তু এই হৈ চৈ এর মাঝে ঘুমানোর জো নেই। দীপন চোখ কচলাতে কচলাতে ঘরের দরজা খুলে বাহীরে দাঁড়ায়।

আজ দশমী, দেবী বিসর্জনের দিন। তাই সবাই সকাল থেকে মণ্ডপে যাচ্ছে। শেষবারের মত দেবী মাকে দেখার জন্য। দীপনের ও ইচ্ছে করে সবার সাথে মিছিল করতে করতে মণ্ডপে যাওয়ার। কিন্তু দীপন এখনো ছোট, তাই একা একা পূজা দেখতে মা যেতে দিবে না। অবশ্য সে ইচ্ছে করলেই বাহীরে যেতে পারে, মা তো সারা দিন কাজেই থাকে। কিন্তু দীপন যাবে না। সে তার মাকে অনেক ভালোবাসে। মায়ের সব কথা কিংবা না বলা কথা সব বুঝতে পারে সে। মা অন্যর বাসা বাড়ীতে কাজ করে যা পায় সব দীপন আর বাসা ভাড়ার পিছনে চলে যায়। শেষ কবে মা একটা শাড়ি কিনেছে দীপনের মনে নেই। তার নিজের ও শুধু মাত্র একটা জামা। তাতে তার কোন দুঃখ নেই। কিন্তু মায়ের ছেঁড়া তালি দেয়া শাড়িটা দেখলে ভিতরটা হু হু করে উঠে। দীপনের যদি অনেক গুলা টাকা থাকত সে মাকে প্রতিদিন একটা করে নূতন শাড়ি দিত। আর বাজার থেকে মস্ত বড় কাতল মাছ নিয়ে আসত। কাতল দীপনের ভীষণ প্রিয়। কিন্তু খেতে ইচ্ছে করলেও মাকে বলে না দীপন। সে জানে মা সব দুঃখ কষ্ট সহ্য করে অন্যর বাসা বাড়ীতে কাজ করে শুধু মাত্র তার জন্য। দীপন স্বপ্ন দেখে একদিন তাদের সব দুঃখ, সুখে পরিণত হবে।

দীপনদের ছোট একটা ঘর তারপর ও মাস শেষে ৬৫০ টাকা ভাড়া গোনতে হয় তার মাকে। একটা চকি ফেললে ঘরে হাটার যায়গা থাকে না। তাদের বাসার আসে পাশে বড় বড় দালান। দীপনদের ঘরে কোন ফ্যান নাই তাই তার মা দক্ষিণ দিকে বেড়া কেটে একটা জানালার মত বানিয়ে নিয়েছে। দীপন মাঝে মাঝে জানালার পাশে দাড়িয়ে থাকে। দীপন এখন যেখানে দাঁড়িয়ে আছে তার সামনের বাড়ীর তিন তলায় কবির মহাজন নামে একজন আধ বুড়ো লোক থাকে। সবসময় ব্যালকনিতে খালি গায়ে দাঁড়িয়ে থাকে। ঐ বাসায় মনে হয় অন্য কেউ থাকে না। থাকলে মাঝে মধ্যে কেউ না কেউ তো বারান্দায় আসতই। তবে এই কবির মহাজনকে তার ভালো ঠেকে না। দীপনকে তাদের ঘরের দরজায় দাঁড়ানো দেখলেই সে তাকে হাতের ইশারায় ডাকে। বেশ কয়েকবার দীপনের সামনেই লুঙ্গিটা উঠিয়ে বসেছে। দীপনের ভীষণ লজ্জা লেগেছে সেই দিন। দীপনের পাশের বাসায় মনারা থাকে। মনা ক্লাস সেভেনে পরে। দীপন সিক্সে। মাঝে মধ্যে মনার সাথেই তাকে বাসায় ফিরতে হয়। এই ময়নাকেও দীপনের ভাল লাগে না। কি বিশ্রী করে কথা বলে মনা, দীপন শুনেই কানে হাত দেয়। মনা তাকে কবির মহাজনের কথা অনেক বলেছে। সে মাঝে মধ্যেই ঐ বাসায় যায়। ভদ্রলোক নাকি তাকে মাঝে মাঝে চকলেট, আইসক্রিম আর নগদ টাকা ও দেয়। মনা বলেছে চকলেট খেতে চাইলে তার সাথে যেন মহাজনের বাসায় যায়। চকলেটের কথা শুনে দীপনের জিবে জল এসেছিল ঠিকই কিন্তু লোকটার তাকে দেখে লুঙ্গি সরানোর বিষয়টা মাথায় আসতেই না করে দিয়েছে। এখন ও মহাজনকে তার ফ্লাটের ব্যালকনি তে দেখা যাচ্ছে। দীপনকে আজকেও হাতের ইশারায় ডেকেছে। দীপন না দেখার ভান করে ঘরের দরজা লাগিয়ে পিছনের জানালায় দাঁড়াল।

দীপনের বয়সী একটা ছেলে দীপনদের বস্তীর আশে পাশে ভাঙরি টোকাচ্ছিল। দীপন তাকে মাঝে মধ্যেই সেখানে দেখে। কোন দিন কথা হয়নি। আজ কি ভেবে দীপন তাকে ডাক দিল,
দীপন: এই ছেলে, এই
ছেলে: কি?
দীপন: ভালো আছ তুমি?
ছেলে: (খিক করে হেসে দিয়ে) কি কইলা?
দীপন বুঝতে পারছে সে শুদ্ধ ভাষায় কথা বলছে বিধায় ছেলে হাসছে। কিন্তু দীপনদের স্কুলের সুবর্ণা মেম বলেছেন সব সময় শুদ্ধ এবং সুন্দর করে কথা বলতে। এই পর্যন্ত যতদিন ছেলেটাকে দীপন দেখেছে কোন দিন ও তার গায়ে জামা ছিল না। দীপন নিজের ও শুধু একটাই জামা, তারপরও তার তো আছে। কিন্তু এই ছেলেটার একটা জামা ও নাই। তাদের ক্লাসের অনেকের অনেক গুলা জামা এবং মোবাইল ও আছে। সেইদিন তনিমা তার মোবাইলে ব্যাক স্ট্রীট বয়েজ প্লে করেছিল। সবাই নেচেছিল সেইদিন। দীপনের ও ইংলিশ গানটা ভালো লেগেছিল। তার যখন পয়সা হবে সে একটা মোবাইল কিনবে মায়ের জন্য। তবে মাঝে মাঝে দীপন গান প্লে করবে তনিমার সামনে। টোকাই ছেলেটা এখনো দাঁড়িয়ে আছে। দীপন চিন্তার জগতে ছিল বলে এতক্ষণ তার ডাক শুনতে পায়নি।
ছেলে: ঐ পুলা ডাকসস কিলা?
দীপন: তোমার নাম কি?
ছেলে: বান্দর নাম দিয়া তোর কাম কিতা?
দীপন: এমনি জানতে চাইলাম।
ছেলে: আসল নাম কিতা জানি না। তয় মাইনষে বশীরা ডাহে।
দীপন: তোমার নামটা সুন্দর, বশীর। আচ্ছা বশীর তুমি খালি গায়ে থাক কেন সবসময়?
বশীর: (আবারো ফিক করে হেসে) খালি গায়ে থাকুম না তয় কি করুম। কুর্তা পামু কই?
দীপন: তোমার একটাও জামা নাই? তোমাদের ঈদে তাহলে কি পরবে?
বশীর: গরীব গো আবার ঈদ? খাইবারই পাই না, আবার নয়া কুর্তা?

কথাটা বলে বিদায় না নিয়েই বশীর বস্তা হাতে চলে গেল সামনের দিকে। বশীয়ের কথা শুনে দীপনের খারাপ লাগলো। তার একটা জামাতো আছেই আর আজ মা বলেছে ফেরার সময় পূজার জন্য নূতন জামা আনবেন। সেই টা পরে সে মায়ের সাথে সন্ধ্যা বেলা পূজা মণ্ডপে যাবে। গত বছর পূজায় গিয়ে ফুচকা আর হাওয়াই মিঠাই খেয়েছিল। কি অপূর্ব স্বাদ। এখনো জিব্বাহ লেগে আছে দীপনের। তাই এই বার ও মাকে বলে রেখেছে সেই ফুচকা হাওয়াই মিঠাই চাই ই চাই। দীপন মাকে আরও বলেছে পূজায় তোমার জন্য ও একটা নূতন শাড়ি কিনবে। ছিঁড়া শাড়িতে তোমাকে আর দেখতে ইচ্ছে করছে না মা। দুঃখের মুচকি হাঁসি দিয়ে মা বলেছেন আইচ্চা ঠিক আছে রে বাপ।

প্লেটে চাপা দেয়া পান্তা ভাত আর কালকের মায়ের আনা বাসী তরকারী দিয়ে পেট পূরে ভাত খেয়ে দীপন আবার বিছানায় গেল। খানিকক্ষণের মাঝেই তার চোখ জোড়া লেগে এল। দীপন এখন স্বপ্নরাজ্যে অবস্থান করছে। মা তার জন্য একটা লাল জামা এনেছে। নিজের জন্য ও কিনেছে একটা শাড়ি। দীপনের জামাটা তেমন পছন্দ হয়নি। ওভার ব্রিজের নিচ থেকে কেনা সস্তা জামা আর কতই ভালো হবে? জামা পছন্দ না হলে ও মাকে সেইটা বুঝতে দেয়নি দীপন। সে জানে মা কত কষ্ট করে পূজার জন্য এই জামা কিনেছে। দরজা খোলার শব্দ হল। দীপন মাকে বলে মা তুমি দরজা টা খুল আমি জামাটা একবার পরে দেখি কেমন লাগে।

দরজা খোলার শব্দে দীপনের ঘুম ভেঙ্গে যায়। তার মা এসেছে। ছেড়া শাড়ীর আঁচলে ডাকা বাটি হাতে। নিশ্চয় তার জন্য দুপুরের খাবার এনেছে। দীপন মায়ের পিছনে তাকাচ্ছে। নিশ্চয় মা তার জামা ও এনেছে। কিন্তু তাকে দিচ্ছে না কেন? কিচ্ছুক্ষণ পরেই তো তাদের মণ্ডপে যাওয়ার কথা। মায়ের হাত খালি দেখে, দীপন মায়ের মুখের দিকে তাকায়। কেমন শুকনো শুকনো লাগছে মাকে। চোখ দেখে বোঝা যাচ্ছে মা একটু আগে কেঁদেছে। মায়ের কপালের সিঁদুর লেপটে গেছে। মা এই সিঁদুর কেন পরে তা আজও দীপন জানে না। মায়ের মুখেই শুনেছে বাবা তাকে মায়ের পেটে দিয়েই ভেগে গেছে। আজ অবধি তার কোন খবর নাই, সে কি জীবিত না মৃত? মায়ের মুখ দেখে বোঝা যাচ্ছে নূতন জামা কিনতে পারেনি। হয়তো বাসা বাড়ী থেকে বেতন পায়নি। দীপন ছোট হলে ও মায়ের কষ্ট উপ্লল্ধি করতে পারে। সে অন্য বাচ্চাদের মত কখনো বায়না ধরে বসে থাকবে না জামার জন্য। মায়ের কষ্ট হালকা করার জন্য দীপন মাকে বলে,
-মা এই বার পূজাতে আমার যেতে ইচ্ছে করছে না। অনেক ভিড় হবে মণ্ডপে। সকালে দেখেছি মানুষের ঢল নেমেছে। আচ্ছা মা তুমিই তো বলতে দুর্গা মা সব যায়গা থেকে শুনতে পান। মানুষ ঠেলে ঐ মণ্ডপে না গিয়ে আমরা এখন থেকে দেবীকে বিদায় দিবো।

দীপনের কথা শুনে মা আর নিজেকে ধরে রাখতে পারেনি। দীপনকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে লাগলেন আর বললেন, যে মেসে কাজ করতেন তারা ঈদের জন্য বাড়ি চলে গেছে। আর একটা বাসায় কাজ করেন তিনি। সেই বাসা থেকে কিছু দেয়নি বলেছে কাল যেতে।

মায়ের কথা আর কান্না শুনে দীপনের কান্না পেয়ে গেল। এই জন্য না যে তার নূতন জামা চাই। বরং মা কত আশা করেছিলেন আমাকে নিয়ে পূজায় যাবেন আর নিজের জন্য শাড়ি কিনবেন। কিচ্ছু হল না। দীপনের মাথায় আসছে না সে কি ভাবে মায়ের জন্য শাড়ি কিনবে? অবশ্য তার মাটির ব্যাংকে জমানো কিছু পয়সা আছে, কিন্তু ওতো ৫০ টাকা ও হবে না। যে ভাবে হোক মায়ের জন্য একটা শাড়ি চাই ই চাই।

তার পরদিন।
দীপন চোখ বন্ধ করে বিছানায় শুয়ে আছে। মা দীপনের মাথায় পানি ঢালছে অবিরত, আর চোখের জল ফেলছে। কাল রাতে দীপনের শরীর কাঁপিয়ে জ্বর এসেছিল। এখনো একশোর উপরে আছে। দীপনের তেমন কষ্ট হচ্ছে না। কারণ সে মায়ের জন্য একটা শাড়ি কিনেছে নগদ দেড়শ টাকা দিয়ে। শাড়িটা তার বালিশের নিচেই রাখা আছে। মাকে এখন কিচ্ছু বলবে না। মা কাজ শেষে ঘরে আসলে তাকে শাড়িটা পরতে বলবে, তারপর দুজনে বাহীরে ঘুরতে যাবে। কাল পূজায় যেতে পারেনি তো কি হয়েছে? আজ খাবে সে তার পছন্দের হাওয়াই মিঠাই আর ফুচকা। টাকা মায়ের কাছ থেকে চাইতে হবে না। টাকা দীপনের পকেটেই আছে। কালকের দুশো টাকা থেকে ১৫০ দিয়ে মায়ের জন্য শাড়ি কিনেছে আর ৪০ টাকা দিয়ে একটা শার্ট। পকেটের কোনে এখনো ১০ টাকার কচকচে একটা নোট পড়ে আছে, ওতেই খেয়ে নিবে হাওয়াই মিঠাই।

দীপনের জ্বর কিছুটা কমেছে এখন। দীপন জোর করেই মাকে কাজে পাঠিয়েছে। বলেছে বিকেলে যেন তাড়াতাড়ি বাসায় ফেরে। দুজনে ঘুরতে বের হবে। দীপন বিছানায় উঠে বসে। ভাবতে থাকে কাল বিকেলের কথা। দীপন ভেবেছে সে মারা যাচ্ছে। এমন কষ্ট তার আগে কখনো হয়নি। কাল বিকেলে মা টাকা আনতে বেরিয়েছিল। দীপন জানে মা হয়তো টাকা পাবে না। আর শাড়ি ও কেনা হবে না। দীপন দরজা খোলে ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে কবির মহাজনের ফ্লাটের দিকে তাকায়। মনার কাছে শুনেছে মহাজন নগদ টাকা আর চকলেট দেন তার ফ্লাটে গেলে। আজকে দীপনের টাকার বিশেষ প্রয়োজন। তাই ঈশারা করে মহাজনের ফ্লাটে আসার অনুমতি প্রার্থনা করে দীপন। মহাজন সাথে সাথে রাজি হয়ে চোখের ইশারায় তার ফ্লাটে যেতে বলে। দুই ঘণ্টা পরে দীপন পকেটে দুইশ টাকা আর হাতে একটা চকলেট নিয়ে পা খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে ওবার ব্রিজের নিচ থেকে শাড়ি আর শাট কিনে বাসায় ফেরে। দীপন ভাবতে পারছে না মানুষ কি ভাবে এতোটা পশু হতে পারে। তার শরীরের উপরে যে অত্যাচার গেছে সেইটা সে মেনে নিয়েছে, তার বিনিময়ে মায়ের মুখে একটুখানি হাসি দেখতে পারবে সে। শাড়িটা মাকে দিলে নিশ্চয় প্রশ্ন করবে এত টাকা কোথায় পেয়েছিস? তার জন্য দীপন একটা কথা সাজিয়ে রেখেছে আগেই। বলবে তার মাটির ব্যাংকে জমেছিল আর কিছুটা মনা থেকে উদার করেছে। জীবনে প্রথমবার মায়ের সাথে মিথ্যা বলার জন্য নিজেকে অপরাধী ভাবছে দীপন। আবার ভাবল, তাতে কি মায়ের মুখের হাসির জন্য একটা মিথ্যা বললে ভগবান নিশ্চয় তার এই পাপ ক্ষমা করবেন।

দীপন জানালায় দাড়িয়ে, বশীর আজকে ও খালি গায়ে বস্তা হাতে ভাঙ্গানি টোকাচ্ছে। দীপন বশীকে ডাকল। বশীর কাছে এসে বিরক্তির সুরে জিজ্ঞাস করল কি? দীপন কালকের ৪০ টাকায় কেনা লাল শার্টটা তার দিকে এগিয়ে বলে এই শার্টটা তুমি তোমাদের ঈদের দিনে পরবে। প্লাস্টিকে মোড়ানো নূতন শার্ট দেখে বশীর ভাবছে ছেলে তার সাথে রসিকতা করছে। নয়তবা চুরি করে এনেছে এই শার্ট। দীপন তাকে বুঝিয়ে সুঝিয়ে ধরিয়ে দিল শরীর ভাঙ্গিয়ে নিজের জন্য কেনা শার্টটা।

তাতে কি? দীপনের দুঃখ নয় আনন্দ হচ্ছে এই ভেবে, সে টাকার অভাবে নূতন শাট পরে পূজাতে যেতে পারেনি। তার এই শার্ট দিয়ে অন্য একজন তাদের ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হবে না। মানুষ তো মানুষেরই জন্য। দীপন স্কুলে শিখেছে , ধর্ম বর্ণের ঊর্ধ্বে হচ্ছে মানুষের মনুষ্যত্ব।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.