লেখকঃ অনির্বাণ আহমেদ
- সমকামিতা মানসিক অসুস্থতা নয়। কিন্তু এটা তখনি মানসিক অসুস্থতা যখন কেউ নিজেকে সমকামী হিসাবে অস্বাভাবিক ভাবে বা তার এই ওরিয়েন্টেশনের কারণে নিজেকে সুখি ভাবতে পারেনা।
সইকোলজিতে দুইটা টার্ম আছে ইগো সিন্টোনিক এবং ইগো ডিস্টোনিক। ইগো সিন্টোনিক হলো নিজের সমকামি ওরিয়েন্টেশন নিয়ে নিজে সুখি থাকা বা নিজেকে স্বাভাবিক ভাবা। এটা হলে সে সাইকোলজিক্যালি একজন সুস্থ মানুষ৷ আর ইগো ডিস্টোনিক তার পুরোপুরিই উল্টো এটা থাকলে সে সাইকোলজিক্যালি অসুস্থ।
আমি মনে করি যিনি ‘ইগো ডিস্টোনিকে ভুগছেন তাকে অবশ্যই সইকোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত।এখন চলুন একটা পরিসংখ্যান দেখা যাক :-সমকামীতাকে শুধু সমাজ এবং সাধারণ ধর্ম উন্মাদ ব্যক্তিই ঘৃণা করেনা বরং সমকামীতাকে সমকামীরা নিজেরাই ঘৃণা করে এটাকে অভিশাপ মনে করে।আমেরিকার মতো একটা দেশ যেখানে সমকামিদের পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে, বিয়ে করার অধিকার আছে। তার পরেও প্রতি বছর আমেরিকাতে 13 থেকে 18 বছর বয়সী আনুমানিক 20,000 কিশোর কিশোরী তাদের নিজেদের সেক্সুয়ালিটি চেইঞ্জ করার জন্য চিকিৎসার সরনাপন্ন হয়। উইলিয়ামস ইনস্টিটিউটের গবেষকদের মতে, ইউজেএলএ স্কুলে আইনানুযায়ী তাদের যৌন মনোভাব পরিবর্তন করার চেষ্টা করে।
কখনও কখনও “reparative” থেরাপি অর্থাৎ “ক্ষতিকারক পূর্ণ” থেরাপি নিতেও পিছুপা হন না।এখানে উল্লেখ্য যে ১৩-১৮ বছর বয়সী ছেলে মেয়ারা এই কাজ করে থাকে, তার মানে দেখা যাচ্ছে এর বড় অংশই কিশোর কিশোরীরা। যে বয়সে জেন্ডার, সেক্স, বডি সম্পর্কে তাদের খুব বেশি ধারণা থাকে না। বরং ভূল তথ্য ও ধারণা দ্বারা প্রভাবিত হওয়ার প্রবণতা অনেক বেশি থাকে।এই ইগো ডিস্টোনিক কেন হয় সেই সম্পর্কে আমার কোন ধারণা নাই। ধর্মীয় কুসংস্কারের কারণে হতে পারে কিনা সেটা আপনাদের বিবেচনায় ছেড়ে দিলাম।
Leave a comment