দৌড়

লেখকঃ রাকিব হাসান

– এই খালি, যাবা??
ডাক শুনে রিকশা দাড় করলাম, ২৭ ২৮ বছরের এক ছেলে উঠে বসলো, হাতে অনেকগুলো লাল গোলাপ.. আজকে ভালোবাসা দিবস, আমি জানি.. ছেলেটার হাতের ফুলগুলো তার ভালোবাসার মানুষ টার জন্য, সেটাও বুঝতে পারছি.. ঠিকানা মতো পৌঁছে গেছি প্রায়। সে তার প্রেমিকাকে ফোন করে বাসার নিচে নামতে বললো..

ঠিকানা মতো পৌঁছে দেখি, প্রেমিকা না, অপেক্ষা করছে আরেকটা ছেলে। আমি একটু চমকে গেলাম.. আমার যাত্রী রিকশা থেকে নেমে জড়িয়ে ধরেছে ছেলেটাকে। ঘাড়ের পাশে আলতো করে একটা চুমু দিলো, আমার নজর এড়ালো না সেটাও…
দুই-ঘণ্টা এদিক সেদিক ঘোরার চুক্তি করে দুজনে উঠে পড়লো আমারই রিকশাতে। সকাল থেকেই আজ ঝিরঝিরে বৃষ্টি, সেটা যেন তাদের জন্য আশীর্বাদ হয়েছে। পর্দা টেনে হুডে গুজে দিতেই চকাস করে একটা চুমুর আওয়াজ আসলো .. সাথে ফিসফিস করে বললো, ”হ্যাপি ভ্যালেন্টাইন…”

রিকশাওয়ালা হওয়ার সুবাদে অনেকের অনেক গোপন গল্পই কানে আসে। রিকশাওয়ালাকে কেউ হিসাবে ধরে না। তাই রিকশায় বসে মন খুলে কথা বলে, কেউ মন খারাপের কথা বলে, কেউ আনন্দের কথা বলে, কেউ শয়তানির প্যাঁচ কষে.. প্রেমিক-প্রেমিকারা হুড তুলে দিয়ে দুষ্টামিতে মাতে.. অন্তত চার-ছয়টা চুমুতো থাকবেই.. প্রেমিক-প্রেমিকাদের দুষ্টামি অনেক দেখলেও দুটা ছেলেকে কখনো দেখিনি এমন করতে.. অন্যদিনে হয়তো তারা আর দশজনের মতোই থাকে.. ভালোবাসা দিবস বলেই হয়তো আজকে একটু নিয়ম ভাঙছে.. একটা দিনই তো.. একজন কি নিয়ে অভিমান করেছে, অন্যজন তাকে বোঝানোর চেষ্টা করছে.. এমনই খুনসুটি চলছে.. কিছু কথা, কিছু শব্দ ভেসে ভেসে আসছে আমার কানেও..
– আহ.. কি হচ্ছে?? সামনে রিকশাওয়ালা আছে..
– আরে.. ও কিছু বুঝবে না…

তাদের এই কথায় হাসি আসলো। সবাই এমনটাই ভাবে। কিন্তু তারা যদি জানতো, রিকশাওয়ালা সবই শোনে, কিছু কিছু জিনিস বুঝতেও পারে.. তাহলে হয়তো একটু সংকোচ করতো…
আমি বাদে অন্য রিকশাওয়ালা হলে হয়তো প্রেমিক যুগলকে নিয়ে মাথা ঘামাতো না। প্রতিদিন কতজনই তো রিকশায় ওঠে, সবার কথা তো শোনা হয়না, মনেও থাকে না.. তবে আমি বলেই আজ কান পাতছি ওদের কথায়.. যতই ওদের কথা শুনছি, ততই হিংসা হচ্ছে …..

ওদের গল্প শুনতে শুনতে আমার ছোটবেলার কথা মনে পড়ছে, নিজের দুর্ভাগ্যের কথা মনে পড়ছে.. বারবার ভাবি, এসব ভুলে যাবো.. কিন্তু মাঝে মাঝেই নানা ঘটনায় সেসব তিক্ত স্মৃতি ফিরে আসে… যখন এসব কথা মনে পড়ে, তখন খুব রাগ হয়। কেনো আমার সাথে এমন হয়েছিলো?? কি দোষ ছিলো আমার যার জন্য আমার জীবনটা এভাবে নষ্ট হয়ে গেলো?? রাগে জেদে জোরে জোরে প্যাডেল ঘুরিয়ে রিকশাটা টেনে নিয়ে যেতে থাকলাম শহরের এক গলি থেকে অন্য গলিতে..

আমার তো এভাবে রিকশা চালানোর কথা ছিলো না। গ্রামের এক মোটামুটি অবস্থাপন্ন পরিবারে জন্ম হয়েছিলো আমার। সচ্ছল পরিবারের ছেলে আমি, পড়ালেখা করে শহরে চাকরি করবো.. এমন একটা স্বপ্নই ছিলো.. সেই আমি আজ শহরে রিকশা চালাই.. ভাগ্য আমাকে কোথায় নিয়ে এসেছে…

ছোটবেলা থেকেই ছিলা বড় মা-ন্যাওটা। মাকে ছেড়ে থাকতে পারতাম না, কান্নাকাটি করতাম.. আমার বয়সী ছেলেরা যখন বিকালবেলা খেলতো, গাছে চড়তো, পুকুরে ঝাঁপ দিয়ে সাতার শিখতো.. নিজেরা নিজেরা ঝগড়া করে মারামারি করতো.. তখন আমি ঘরের দাওয়ায় মায়ের গায়ের সাথে লেপটে বসে কাঁথা সেলানো দেখতাম। দাদী’র পানের বাটার সবগুলো খোপ থেকে মশলা নিয়ে পান সাজাতাম, বোনদের সাথে পুতুল খেলতাম.. অনেকে ঠাট্টা করে বলতো, ওরে মাইয়া বানাইতে বানাইতে শ্যাষ সোমায়ে পোলা বানাইছে..

বয়সী ছেলেদের দস্যিপনা কখনো আমাকে টানতো না। কোনদিন আমি মারামারি করিনি.. স্কুলে একদিন ক্লাসের কয়েকটা ছেলে আমাকে মেরেছিলো.. আমি পাল্টা মারিনি, মারার কথা আমার মনে আসেনি.. কাঁদতে কাঁদতে মার খাচ্ছিলাম, আমার চাচাতো ভাই ওই স্কুলেই পড়তো। ও এসে আমাকে বাঁচায়.. ভাই পরে আমাকে জিজ্ঞাস করেছিলো.. তুই ওদেরকে মারলি না কেনো??? কেনো মারলাম না… নিজেই জানি না.. মারার কথা আমার মনেই আসেনি.. ভাই অবাক হয়ে বলেছিলো .. তুই এমন কেনো??
এই প্রশ্ন পরে বহুবার আমার মনে হয়েছে.. আমি এমন কেনো?? আমি ওদের মতো দস্যি না কেনো?? আমি মারামারি করতে পারিনা কেনো?? আমার স্বভাব মেয়েদের মতো কেনো???? আমি এমন কেনো??? এই এক প্রশ্নই আমার জীবনটা নষ্ট করে দিলো..

যখন একটু বড় হলাম, তখন বুঝতে পারলাম, আমার ছেলেদেরকে ভালো লাগে.. এটা যে অন্যরকম একটা ব্যাপার সেটা কেউ আমাকে শিখিয়ে দেয়নি। নিজে নিজেই বুঝে নিয়েছিলাম… আমি ওদের থেকে প্রতি পদে এতো আলাদা কেনো?? ওরা যখন মেয়েদের নিয়ে খারাপ খারাপ কথা বলে, তখন আমার এতো বাজে লাগে.. আবার আমি যখন পুকুরে গোসল করতে যাই, তখন ছেলেদের ভেজা শরীর থেকে চোখ সরায়ে পারি না…. খুব ইচ্ছা হতো.. সুঠামদেহী একজন আমাকে জড়িয়ে ধরুক, আমাকে বেঁধে রাখুক তার শক্ত হাতের বাঁধনে..

আমার বয়সী ছেলেরা আমাকে নানা কথা বলে ক্ষ্যাপাতো.. এই অদ্ভুত অনুভূতি নিয়ে এমনিতেই আমি ছিলাম অপ্রস্তুত, বিব্রত.. তাদের এসব কথায় আমি আরো গুটিয়ে যেতাম.. হাজার বার নিজেকে প্রশ্ন করতাম.. আমি এরকম কেনো??

একজনকে আমার খুব ভালো লাগতো। বাজারে তার বাবার দোকান ছিলো, পড়ালেখা কেমন করতো জানি না, তবে সন্ধ্যায় সে দোকানে বসতো। আমার স্বপ্নে যেমন একজনকে দেখতাম, সে ছিলো তেমনই.. শ্যাম বর্ণ, কোঁকড়া চুল.. ভরাট বুক, পেশল হাত..

বাজার খরচ তার দোকান থেকেই করতাম। কেমন আছিস.. তার এইটুকু প্রশ্নেই মন ভালো হয়ে যেতো। আমি তার দোকানের ভেতরে বসতাম, মাঝে মাঝে এমনিতেই গল্প করতে যেতাম। এক সন্ধ্যায় খরচ আনতে যেয়ে তাকে বলেছিলাম, আপনাকে আমার খুব ভালো লাগে.. একটা বাঁকা হাসি দিয়ে সে আমাকে জড়িয়ে ধরেছিল পেছন থেকে.. পিঠের সাথে চেপে ধরেছিলও তার আধ-শক্ত পুরুষাঙ্গ.. … আমি এটার সাথে পরিচিত ছিলাম না। যৌনতার সাথে তখনো পরিচয় হয়নি আমার.. আমার শুধু তাকে ভালো লাগতো, জড়ায় ধরতে ইচ্ছা করতো.. সেদিন আমার ভালো লাগেনি.. চলে এসেছিলাম এক বিরক্তিকর অনুভূতি নিয়ে।

কিছুদিন পর সেই কথা ভুলে গেলাম। আবার তার দোকানে যাই, গল্প-স্বল্প করি.. একদিন সে বললো, সিডি প্লেয়ার ভাড়া করে আনছি.. রাতে আসিস, হিন্দি সিনেমা দেখবো।রাতে যখন তার দোকানে গেলাম তখন বাজারের অনেক দোকানই বন্ধ.. সে মাঝে মাঝে দোকানেই থাকে। আজকেও হয়তো থাকবে.. তার দোকানের ঝাপ বন্ধ। ডাক দিতেই সে ঝাপ উঠায় আমাকে ভেতরে নিয়ে গেলো.. সিনেমা শুরু করে দিয়ে সে মেঝেতে পাতা বিছানায় শুয়ে পড়লো.. আমি বিছানায় বসলাম… তারপর… …

… … তারপর.. সে যেটা করতে চাইলো, আমি রাজি হলাম না। কেমন যেন ভয় পাচ্ছিলাম.. সে জোরাজুরি করতে থাকলো.. আমি বললাম.. আমি সবাইকে বইলা দিবো আপনি আমার সাথে এইসব খারাপ ব্যবহার করছেন.. এই কথা শুনে সে আমাকে ছেড়ে দিলো.. আমি বাসায় চলে আসলাম। তখনো বুঝিনি.. কি অপেক্ষা করছে সামনে…

কয়েকদিন পর, এক বিকালে সে আমাকে বললো, চল আমার সাথে এক জায়গায়.. সেদিনের ঘটনায় আমি বিরক্ত হলেও সেগুলো আমি মনে রাখিনি। তার সাথে গেলাম.. গ্রামের শেষ মাথায় একটা জঙ্গলের মধ্যে নিয়ে গেলো সে আমাকে।

জঙ্গলে যেয়ে দেখি ওর তিন চারজন বন্ধু দাঁড়ায় আছে। ওদেরকে দেখে আমার ভয় লাগলো, এরা কি আমাকে মারবে?
হঠাৎ পেছন থেকে একজন টান দিয়ে আমার প্যান্ট নামিয়ে দিলো.. আমি দুহাতে লজ্জা ঢেকে ধরলাম.. তারপর ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দিলো.. কিছু বলার মতো মাথায় আসছিলো না। ভয়ে আতঙ্কে আমার দম বন্ধ হয়ে আসছিলো.. আমার হাত পা ধরে রেখেছে, পিঠের উপর উঠে আছে একজন.. মাটিতে ঘষা লেগে আমার বুকের ছাল উঠে যাচ্ছে.. মুখে মাটি ঢুকে যাচ্ছে.. আমি নড়তে পারছি না.. আর… কোমরের নিচে অসহ্য ব্যাথা.. ওরা আমাকে মাটিতে পিষে ফেলছে..

আমার জ্ঞান হারায়নি এক মুহূর্তের জন্যেও। ওদের সব কথা শুনতে পাচ্ছিলাম.. বুঝলাম সে তার বন্ধুদেরকে বলেছে আমি তার সাথে নষ্টামি করতে চেয়েছি.. তার বিশেষ অঙ্গে আমি ইচ্ছা করে হাত দিয়েছি… তারা আমাকে শিক্ষা দিচ্ছে এভাবে.. আমার কত ছেলেদের *** দেখার শখ তারা আজ মিটায় দিবে.. সবচে বেশি রাগ ছিলো ওর ই.. প্রথমে সেই শুরু করে শিক্ষা দেয়া.. তীব্র ব্যাথায় আমি শিক্ষা নিতে থাকি.. একসময় কোমরের নিচে অবশ হয়ে আসে সব.. আমি অপেক্ষা করতে থাকি শিক্ষা শেষ হওয়ার জন্য..

একজন ফিসফিস করে বললো, কে যেন এদিকে আসছে.. ওরা শিক্ষা দেওয়া থামিয়ে তাড়াতাড়ি সরে পড়লো চারদিকে.. আমি পরে থাকলাম উপুড় হয়ে, প্যান্ট টা টেনে তোলার শক্তিটাও তখন আর নাই…

সত্যিই কেউ একজন এসেছিলো.… আমি চোখ খুলিনি লজ্জায়.. মনে হচ্ছিলো, শিক্ষার অত্যাচারে যদি মরে যেতাম সেটাই ভালো হতো। যে এসেছে সে জানলো না কারা এসব করেছে। কিন্তু জানলো, কার সাথে এসব করেছে.. যে এসেছিলো সে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে চলে যায়। হয়তো ঘেন্নায় আমাকে স্পর্শ করেনি…

আমার জ্ঞান হারায়নি এক মুহূর্তের জন্যেও। খানিকক্ষণ পর উঠে বসে ধুলা ঝেড়ে, কাপড় ঠিক করে ফেরার পথ ধরলাম। কোমরের নিচে তীব্র ব্যাথায় পা ফেলতে পারছি না। জঙ্গল থেকে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে বের হয়ে দেখি আমার ভাই ছুটে আসছে এইদিকে।

ওর ছুটে আসা দেখেই বুঝলাম, সে খবর পেয়েই আসছে। গ্রামের মানুষ সবাই সবাইকে চেনে। খবর ছড়ায় যায় মুহূর্তের মধ্যে.. ভাইকে দেখে মনে হলো, মরে গেলেই ভালো হত।

ভাই নানা প্রশ্ন করতে থাকলো.. আমি একটা কথাও বললাম না..
বাসায় পৌঁছে দেখি মা কাঁদছে। সামনে দাঁড়াতেই মা কাঁদতে কাঁদতে বললো… তুই এমন ক্যান রে বাপ.. তোরে নিয়া কতজনে হাসাহাসি করে.. তরে নিয়া আমি কই যাই?? তোরে জন্ম দেওয়ার আগেই আমি মরলাম না ক্যান??? … … … মা আরো কিছু কথা বলেছিলো.. সেসব আমার মনে নেই.. শুধু ওই কথাটাই মাথায় থেকে গেলো.. আমি ঘরে এসে শুয়ে পড়লাম…
গভীর রাতে ঘুম ভাঙলো.. তীব্র অপরাধ বোধে বুকটা ফেটে যাচ্ছে.. আমি এরকম কেনো?? আমার জন্য আজকে আমার মা মরে যেতে চাইছে.. আমার আর বেচে থেকে কি লাভ???

বিদ্যুৎ চমকের মতো মাথায় আসলো, পালাতে হবে.. আমাকে পালাতে হবে… আজ রাতেই পালাবো.. আর কোনদিন আমার মায়ের মুখোমুখি হবো না। পরিচিত কারো সামনে আসবো না.. অনেকদূরে চলে যাবো.. যেখানে কেউ আমাকে চিনবে না… বিছানা থেকে নেমে ট্রাংক খুলে জমানো কিছু টাকা নিয়ে বের হয়ে আসলাম বাসা থেকে…

কিছুদূর এসে মনে হলো, কোথায় যাবো?? কি করবো?? কোথায় থাকবো?? কি খাবো?? এসব ভেবে যখন বাসার পথ ধরলাম, তখন মায়ের ওই কথাটা মনে পড়লো.. তোরে জন্ম দেওয়ার আগেয় আমি মরলাম না ক্যান??? আমি দৌড়াতে শুরু করলাম, সেই যে দৌড় শুরু করলাম, তারপর আর ফিরে যাইনি একবারের জন্যেও… দৌড়ে দৌড়ে নানা জায়গায় গেছি, ভিক্ষা করেছি, চায়ের দোকানে কাজ করেছি, স্টেশনে শুয়ে থেকেছি.. গ্যারেজে কাজ করেছি.. এখন রিকশা চালাচ্ছি..

আমার তো রিকশা চালানোর কথা ছিলো না, তবে এমন কেনো হলো?? কি দোষ ছিলো আমার?? আমি অন্যরকম এটাই আমার দোষ?? আমি তো শুধু একজনকে ভালবেসেছিলাম, সেটাও ছিলো এক কিশোরের নিষ্কাম ভালোবাসা, সেই ভালোবাসা কি শুধুই যৌনতা?? সেই ভালোলাগা কি শুধু শারীরিক?? যাকে ভালবেসেছিলাম, তার কাছে এটা শরীরী খেলা ছাড়া কিছু ছিলো না, কিন্তু আমি তো ভালোবাসার অনুভূতি তো সত্যি ছিলো.. সেখানে তো ভুল ছিলো না.. তবে?? তাকে সেদিন শরীরী খেলায় বাধা দেয়াটা ভুল ছিলো?? তাকে আমার ভালোবাসার কথা বলাটা ভুল ছিলো?? নাকি তাকে ভালোলাগা ভুল ছিলো??? আমি কেনো অন্যদের মতো হলাম না?? কেনো একজন ছেলেকে আমার ভালো লাগলো?? আমি তো ইচ্ছা করে এমন হইনি.. তবে এতে আমার কি দোষ???

অনেক প্রশ্নের উত্তর মেলে না, অনেক গল্প শেষ হয় না, সব ভালোবাসা পূর্ণতা পায়না.. ভালোবেসে আমি কিছুই পাইনি.. কিন্তু কেউ না কেউ তো পেয়েছে.. আমার রিকশার দুই যাত্রী পেয়েছে.. তারা ভালোবাসার খোঁজ পেয়েছে, তারা ভালোবেসে ভালো আছে.. ভালোবাসা, ভালো থাক.. ভালোবাসা বেঁচে থাক..

প্রথম প্রকাশঃ বাংলা গে গল্প। ১৬ই ফেব্রুয়ারী, ২০১৫।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.