ভোর

লেখকঃ শব্দ কুহক

অমাবস্যাতিথি চলছে।আলকাতরার মত ঘন অন্ধকার লেপটে আছে সব কিছু তে।চুইয়ে চুইয়ে পরছে যেনো ওই আকাশ থেকে এই বিশ্বচরাচরে।তারমাঝে হীড়ের মত জ্বলছে নক্ষত্ররাজি।নিশিন্দার গন্ধে ভরে আছে আশপাশ। সালাম হাটু মুড়ে থুতুনি ঠেকিয়ে বাড়ির পাশে বয়ে চলা বিলে মাঝিদের জালের ছপাৎ শব্দ শুনছে।মাঝে মাঝে জেলে নৌকার হারিকেনের বা কুপির আলো তরল আধারকে হালকা করতে গিয়ে আরো রহস্যময়ী করে তুলেছে।মেনিটা পাশে বসে গায়ের সাথে গা ঘষছে।মেনিটা খুব আদরের।ওর নরম লোমে হাত বুলাচ্ছে আর নিজেকে নিয়ে চিন্তা করছে সালাম।সামনে প্রিটেস্ট এক্সাম।পড়াশুনো কিছুই হচ্ছে না।শুধুই ভাবছে নিজেকে নিয়ে।নিজের অজানা আকর্ষণ নিয়ে।সে মেয়ে নয় ছেলেদের প্রতি টান অনুভব করে।অনুভব করে এক ছেলেকে নিয়ে সুখি হওয়ার স্বপ্নের।কিন্তু এটা ভাবতে গেলেই তার ভয়ে হাত পা হিম হয়ে আসে।ইদানীং কারো সাথে মিশতে পারছে না।মাঝে মাঝে কোনো পুরুষের ঘামের গন্ধ তাকে পাগল করে তোলে।আজ রাতের এ জমাট বাধা আধার যেনো তার ভেতরে বসে গেছে।কোনদিন তা থেকে বুঝি আর ভোর রবির কিরণ না বের হয়।জানালাঘেষা বিছানায় বসে এসব চিন্তা করতে করতে ঘুমিয়ে পরে সালাম।মেনিটাও গুটিসুটি হয়ে ওর পিঠের উপর শুয়ে পরে।রাত হেলে পরে পশ্চিমে।

কখন ভোর হয়েছে, কখন রাত কেটেছে সালাম জানে না।মেনিটার ঘুম ভেঙেছে সেই সকালে।বাইরে বাইরে ঘুরছিল।হঠাৎ ই রক্তহিম করা চিৎকার দিয়ে বিড়ালটা সালামের গায়ের উপর উঠে বসে।ধড়ফড় করে উঠে বসে সালাম।ঘুম ভাঙার সাথে সাথে কানে এসে বাবার চিৎকার বাজতে থাকে। সাথে মায়ের মিনতি ভরা স্বর।বু”’ বাবাকে থামানোর চেষ্টা করছে।আস্তে আস্তে বুঝতে পারে বাবার চিৎকারের কারন।সে যে সজল ভাইয়ের কাছে আর পড়বে না এটা ভাইয়া বাবাকে বলে দিছে।সাথে বিগত কয়েকদিনের পড়াশোনার আপডেইট সহ সবকিছু। ভয়ে আতংকে সালামের হাত পা ঠাণ্ডা হয়ে আসছে।ঝরের বেগে বাবা এর রুমে ঢোকেন।হাতে বেত।এসেই অগ্নি চক্ষু করে সালামের চুল ধরে বিছানা থেকে এক টানে নীচে নামায়।খুব পন্ডিত হয়ে গেছিস।আমি এত কষ্ট করি। এসব তার ফলাফল। সজল কে নিষেধ করছিস কেনো।উদাসী হয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো। আর পড়াশোনার এই ছিরি।কিছু জিগালে উত্তর নাই।বড়দের সাথে বেয়াদবি।আজ তোর একদিন কি আমার।বাবা বেত চালাতে থাকেন।মারের চোটে সালাম শুধু কেপে ওঠে।কিছু বলে না।চোখ দুটো যেনো মরুভূমি। অশ্রুশূন্য।বাবা এক সময় ক্লান্ত হয়ে রুমের দরজা লাগিয়ে দিয়ে চলে যান।একটু পর মা আর বু ছুটে আসেন।জাপটে ধরে। হাউমাউ করে কাদতে থাকেন।বলতে থাকেন কি হইছে বাবা কিছু বলিস না কেনো? সজলের সাথে কি হইছে? ও পাড়ার রহিম শেখকে বকছিস কেনো? এজন্যই তো তোর বাবা এত খেপেছেন। আমাদের বল বাবা।মুখে ক্রুর হাসি ফুটে ওঠে ওর।বুঝতে পারে বাবার রাগের কারন।রহিম কাকা খুব ই খারাপ মানুষ। বাবার বয়সী মানুষটা সেদিন কি যে খারাপ খারাপ কথা বলল তার সাথে।সে কি বোঝেনা বজ্জাত লোকটা কি বুঝাতে চেয়েছে। সে আর উপায় না পেয়ে দুটা কথা শুনিয়েছে।জানোয়ারটা পরে বাবার কানে লাগিয়েছে।সজল ভাইয়ের কাছে যেতে হলে হারামিটার বাসার উপর দিয়ে যেতে হয় তাই সজল ভাইকে না করে দিছে।

সালাম সকালের ঘটনার পর সারাদিন রুমে বসে থাকে।জানালায় বসে বাইরের বিল আর আকাশ দেখে।বু মলম নিয়ে এসে পিঠের থেঁতলানো জায়গাতে মালিশ করে দেন।সে কারো সাথে কথা বলে না।খায় না।শুধু মেনিটার সাথে একটু আধটু কথা বলে।পড়ন্ত দুপুরে জানালা দিয়ে দেখতে পায় রফিকের সাথে রাকিব ভাই এয়ারগান নিয়ে পাখি শিকারে যাওয়ার দৃশ্য।রফিক সালামদের ভাগী হয়।রাকিব ভাই ওদের আত্মীয় হয়।শহরে থাকে।এর আগেও দু একবার এসেছিল।খুব একটা মেশা হয়নি কখোনো রাকিব ভাইয়ের সাথে।কিন্তু রাকিব ভাইকে তার খুব ভালো লাগে।তার নষ্ট স্বপ্নের সত্য পুরুষের মত আপন।তাই আর মেশে নি। আজো জানালার নীচে দিয়ে যাওয়ার সময় চোখে চোখ পরল।কি মায়াময় চাহনী।বুকের ভেতর ঝর ওঠে।সালাম আস্তে করে চোখ নামিয়ে নেয়।রাকিব রফিককে সালামের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করে।রফিক সকালের ঘটনা সব বলে।গ্রামে কোনো কথা চাপা থাকে না।সন্ধ্যের আগ দিয়ে রাকিব রা ওই পথেই ফেরে।হাতে ঝুলানো বালি হাস আর ঘুঘু।

জানালার উপরে হাত রেখে নিষ্পাপ ঘুমে আচ্ছন্ন সালাম।না খাওয়া আর প্রচণ্ড ব্যাথায় জর্জরিত শরীরটা নেতিয়ে পরেছে।অপসৃয়মান সূর্য দেবী গাছপালা আর জানালার রড ভেদ করে শেষ চুমু একে দিয়ে যাচ্ছে।মেনিটা লেজগুটিয়ে সালামের মাথার কাছে বসে আছে।যেনো এই ঘুমের পাহারাদার সে।থমকে দাঁড়ায় রাকিব।দেখে মানবের এ মন কাড়া সৌন্দর্য। চোখমুখে কি যে সরলতা ভর করে আছে।কোনো শিল্পীর পক্ষে সম্ভব না এ অভিব্যক্তি তুলির আচড়ে ফুটে তোলা।

রফিক কে এগিয়ে যেতে বলে সালামদের উঠোনে ঢোকে রাকিব।সন্ধ্যের মুখে।গেরস্ত বাড়ি। বড্ড ব্যস্ত।বাসার বউ ঝি রা রান্নাঘর, গোয়াল,খোয়ার আর ছোট ছেলেমেয়েদের নিয়েই ব্যস্ত।রাকিব সবার ব্যস্ততা দেখে কাউকে কিছু না বলে সালামের রুমের দিকে এগিয়ে যায়।দরজা খোলার শব্দে সালামের ঘুম ভেঙে যায়।অভিমানী আর সংক্ষুব্ধ স্বরে বলে আমি খাবো না।রাকিব গলা খাকরি দেয়।চমকে পেছনে তাকায় সালাম।সন্ধার লুকোচুরি আলোতে রাকিব কে স্বপ্ন মনে হয়।সালামের পিঠের অবস্থা দেখে নিজের ভেতরে এক অস্থিরতা অনুভব করে রাকিব।হালকা কিছু কুশল বিনিময় করে চলে যায় সে।রাকিবের চলে যাওয়া বড্ড বাজে সালামের চোখে।নিজেকে অচ্ছুৎ মনে হয়।মিন মিন করে কথা বলে সব সময়ের সাথী মেনিটার সাথে।
বহমান সময় এগিয়ে যায়।পেছনে পরে থাকে হাজারো আচড়।ক্ষত বিক্ষত। এক নব্য কিশোর আর এক সদ্য যুবক গল্পের শুরুটা হতে পারত অন্যরকম। আবেগময়ী রূপকথা সম।কিন্তু নিয়তির থাবা বড্ড বেরসিক।যদিও সালাম পরে ঘর থেকে বের হয়েছে রাকিব কে দেখার আশায়।জানত প্রাপ্তির আশা শুন্য।রাকিব ও জানত গ্রামের এ মাটির সোদা গন্ধমাখানো সদ্য কুড়ি ফোটা কিশোরের সাথে জড়ানোর মানে কষ্ট কে দুহাতে আলিঙ্গন করা।ওই যে বললাম নিয়তি।হ্যা এ নিয়তির শখ ছিলো ওদের নিয়ে আর একটু খেলার।তাই তো সালাম প্রতিদিন রাতে বের হয়ে দাঁড়িয়ে থাকত রাকিবের জানালার কাছে শিউলিতলায়।ঘুমন্ত অথবা জাগ্রত এক নজর দেখার আশায়।আর রাকিব ছুটি শেষ জেনেও কোন অমোঘ টানে পরে ছিলো নিভৃত পল্লীর এক কোণে।দুজনের সামনে দুজন কখনো দৃষ্টিসীমা প্রসারিত করে দেখতে পারে না।একজন মাঝরাতে বের হয় নিশীথে পাওয়া মানুষের মত।অন্যজন দিনের আলোয় বিভিন্ন উছিলায় গন্ধ শুঁকে বেড়ায়।পরের কথায় আসি।

রাকিবের রুমের সাথে যে বকুল আর শিউলি তলা আছে সেখানে দাঁড়িয়ে আছে সালাম।বড় বড় ভেজা চোখ দুটোতে এক অস্ফুটত যন্ত্রণা ভর করে আছে তার।নির্বাক তাকিয়ে আছে জানালা দিয়ে রাকিবের রুমের দিকে।যদি একবার রাকিব কে দেখা যায়।একবার তাকে ছোঁয়া যায়।নিজের ভেতরের জমানো অনুভূতির প্রকাশ করা যায়।অস্থির,তৃষ্ণার্ত আর কামুক এ রাতে ঘুমহীন রাকিব।সে জানালায় এসে দাঁড়ায়।দূর আকাশের দিকে তাকায়।ভরা জ্যোৎস্না চলছে।তারাদের আসর কে আজ ম্লান করে দিছে রূপবতী চাঁদ টা।হঠাৎ বকুলতলায় একজন মানুষের নড়াচড়া চোখে পরে রাকিবের।এর আগেও কয়েকদিন সে লোকটাকে দেখেছে।দৃষ্টিভ্রম মনে হত তার কাছে।আজ সে চুপিচুপি রুম থেকে বের হয়ে মানুষটার পেছনে দাঁড়ায়।নাকে এসে ধাক্কা লাগে সে গ্রাম্যকিশোরের গন্ধ।সেই চিরচেনা গন্ধ যা এক ভ্রুণ শিশু তার মায়ের শরীর থেকে পাই।সেই গন্ধ যার জন্য উন্মাতাল রাকিব।তার এ একুশ বছরের জীবনে খুঁজে ফিরেছে।রাকিবের পায়ের শব্দে চমকে পেছনে তাকায় সালাম।এই সেই পুরুষ যে তার অনুভূতি চুরি করেছে।এই সেই পুরুষ যার জন্য অস্তিত্ব শূন্য সে।যে পুরুষের গন্ধ মেখে বাঁচতে চায় সে।

রাকিব বুঝতে পারে বিগত দুই দিন কে তার জানালার পাশে এসে দাঁড়ায়।কে তাকে সবসময় খুঁজে ফেরে।ছায়া হয়ে মিশে যায় তার ছায়ায়। চাঁদ হেলে পরে।দুটো শরীর মিশে যায়।হাজি বাড়ির রাখালের আকুতি ভরা বাশির সুর বন্ধ হয়ে যায়।এবার তারারা ফুটে ওঠে।জোনাকিরা জ্বলতে শুরু করে।এক আলো আধারি।এক পুরুষ অন্য পুরুষের সোদা গন্ধে বিলীন হয়।অন্য পুরুষ ভাবতে থাকে, তার এ পুরুষ বৃত্তের কেন্দ্র আর সে পরিধি।

-তুমি এখানে?
-আপনাকে দেখব বলে।কাল তো চলে যাবেন।আর দেখা হবে না।এক নিঃশ্বাসে বলে ফেলল সালাম।আজ আর কোনো লুকোচুরি নয়।অবুঝ আর বন্দী অনুভুতিদের আজ মুক্তিবেলা।
সালামের উত্তরে চুপ হয়ে যায় রাকিব।কি বলবে সে।আজ কয়েকদিন যাবত যে জ্বালা বয়ে বেড়াচ্ছে আজ তার উত্তরণ। আসলেই কি কমবে এ কষ্টের রেখা গুলো।নিজের ভেতরের বসে যাওয়া দাগ কি উঠে যাবে।আস্তে করে সে সালামের হাত ধরে বলে এখানে কেউ দেখলে সমস্যা হতে পারে।
-আচ্ছা।সালাম রাকিবের পাশে হাটতে শুরু করে।দুজনের মাঝেই সংকোচ হাত ধরবে কি ধরবে না।কিন্তু আজ এ রাত শুধুই তাদের।রাকিব সকল দ্বিধা ছেড়ে সবচেয়ে আপন মানুষের হাত ধরে।সালামের ভেতরে এক অদ্ভুত শিহরণ ঘটে যায়।এ এমন এক অনুভূতি যার ছোয়া সে কখনো পায় নি।সালাম আস্তে করে বলল চলেন নৌকাতে যাই।
-চলো।রাকিবের অনুমতি।
নৌকা মাঝ বিলে ভাসছে।কোলের উপরে অনিন্দ্যের মাথা।বিলের দুপাশে ঝোপের মাঝে জোনাকি গুলো গেঁথে আছে।মাথার উপরে সাদা মেঘেদের আকাশ।আর ভরা চাঁদ।আপন মনে আলো বিলোচ্ছে।মাঝে মাঝে লজ্জায় মুখ লুকায় মেঘদের আড়ালে।রাকিব চোখ বন্ধ করে আছে।সালাম তাকে দেখছে।তার রাজকুমার কে। যে শুধু স্বপ্ন ছিল।আজ মর্ত্য কে ধন্য করেছে।নিজের মনের আশ মিটিয়ে দেখছে।খুব ইচ্ছে করছে সারাজীবন নিজের বুকের ভেতর ধরে রাখার।এ রাত,এ আকাশ,এ প্রকৃতি যদি এরকম ই থাকত।

অনিন্দ্যের অবস্থা আরো খারাপ।নিষ্পাপ ভালবাসা।যা সে খুজে ফিরেছে।আজ পেয়েছে।কিন্তু হারাতে হবে তার।সময় আর নিয়তির লীলাখেলার ক্রীড়নক মাত্র তারা। আর হয়ত কখনো দেখা হবে না।ছুতে পারবে না।বুকের ভেতরে মোচড় দেয়।মুখে ফুটে ওঠে কষ্ট রেখা।ভারী হয়ে আসে নিশ্বাস।থমকে যায় রাতের বাতাস।পানি খেতে আসা খেঁকশিয়াল টা থমকে দাঁড়ায়।নিশাচর পাখি ভয় পেয়ে পাখা ঝাপটানো শুরু করে।সবাই যেনো দুঃখিত।

এবার সালামের দিকে পরিপূর্ণ দৃষ্টিতে তাকায় রাকিব।ডাগর ডাগর চোখে ঘন পাপড়ি যেনো আষাঢ়ে কালো মেঘ।চাহনির মাঝে লুকিয়ে আছে এক বসন্তের উষ্ণ সকাল।মেটে গায়ের রঙ যেনো শ্রাবণের শ্যাওলা পড়া মেঘলা বিকেল।মাথা ভরতি কোকড়াচুল যেনো সদ্য কামিনী ফোটা দুপুর।আর দাতের উপরে দাত বেড়া দাতের হাসি নবান্নসম। বড্ড অযত্নের শরীর।প্রকৃতির কোলে বেড়ে ওঠা একটা স্বর্গীয় আভা।এবার রাকিব টেনে নেয় সালাম ককে তার ভেতরে। ঠোটের মাঝে ঠোট। নোনা সাদ।শরীরের সোদা গন্ধ।নিশিন্দা ফুলের সাথে মিশে আছে শিউলির রূপ।দুজন উজাড় করে দেয় দুজন কে।সময়ের সাথে বাস্তবে ফিরে আসে তারা।নৌকার পাটাতনে নিস্তেজ দুটো শরীর পরে আছে।কথা হয় অনেক।রাকিব সালাম কে বোঝায় বাইরের দুনিয়া সম্পর্কে।তাদের মত অনেক মানুষ আছে।বেচে আছে খুব ভালোভাবে।তাদের ও পরিশ্রমী আর ভবিষ্যৎ ভাবনা ভাবা।উচিৎ। নিজেদের মূল্যবান সময় নষ্ট না করে তা কাজে লাগালো উচিৎ।রাকিব এও বলে দেয় সে সারাজীবন তার পাশে থাকতে পারবে না।এটায় নিয়তি।আর কিছু দিন পরে দেশের সীমা অতিক্রম করতে হবে।সালাম এবার বুঝতে পারে কি করা উচিৎ তার।জীবন কে গুছিয়ে নেয়ার দরকার।শুরুটা এখন ই হওয়া উচিৎ।রাকিবহীন একটা সময়ের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে থাকে।
সময় গড়িয়ে যায়।চাঁদ হেলে পরে।ভোর হয়ে আসে।ফেরার পালা। ঘরে ফেরে দুজন মানুষ।পরিবর্তিত দুটো প্রাণ।নিজেদের উঠোনে প্রবেশ করে সালাম।নতুন ভোরের সাথে তার জীবনেও ভোরের দ্বার খুলছে।হ্যা সে রাকিব কে ভালবাসে।কিন্তু তাতে আঁকড়ে না থেকে সামনে এগোনোর পাথেয় হিসেবে ধরে নেয়।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.