কতি কথা

লেখকঃ আনন্দ আহমেদ

জ্বী দাদাভাই! ঠিকই ধরিয়াছেন, ইহা একখান কতির কথকতা। কতির কত কথাও কহিতে পারেন, বিশেষ কোন সমস্যা নাই। বাংলার মাটিতে আমার মতন কপালপোড়া কতিদের যে অভাব নাই, সে কথার বিশদ ব্যখ্যা নিষ্প্রয়োজন। মুখবই বা পোলাজ্যাম খুলিয়া দেখেন, কতিদের অভাব নাই। অভাব নাই স্থানেরঃ যেইখানে আপনি আনন্দের সহিত সময় নিয়া রতিক্রিয়া সম্পন্ন করিতে পারিবেন। অভাব আছে তাহলে কিসের?

অভাব আছে পান্তিদের। এই অভাব যে কতটা প্রকট তাহা মাঠে না নামিলে বুঝা যায় না।

হ্যাঁ দাদারা,(দাদাই বা বলি কেন, সব তো দিদিভাই, হুহ!)মাঠে নামিয়াই বুঝিয়াছি এই চরাচরে কতিদের সংখ্যা আর পান্তিদের অভাব কতো বেশি। বিশ্বাস করলেন না তো, আচ্ছা, উদাহরনসমেত বুঝাইয়া দিতেছি।

কিছুদিন আগের ঘটনা, দিনক্ষণ মনে নাই। চুলকানি উঠিয়াছে শরীরে। কিসের চুলকানি তা বুঝিতে পারিয়াছেন আশা করি, না বুঝিতে পারিলে মুড়ি খান। মাসে আমার একবারই চুলকানি উঠিয়া থাকে, সেই সময় চুলকানির ঔষধ না লাগাইলে আর নিস্তার নাই। যাইহোক, চুলকানির ঔষধের সন্ধানে মুখবই আর পোলাজ্যাম এক সাথে খুলিয়া বসিলাম। পরিচিত হাতে গোনা যেই কয়টা পান্থি ছিল, উহাদের খোঁচাইলাম।মোর জ্বালা! সবকয়টাই নাকি এখন সম্পর্কে জড়াইয়া রীতিমত সতী সাবিত্রী হইয়াছে। কচি মাল পাইয়া যে আর আমার দিকে নজর দিতে মন চায় না, সেই কথা কইতে তাহাদের মুখে বাধে, তাই আমিও আর বেশি গুঁতোই না। কতি হইয়াছি বলিয়া কি আমার কোন ভাবসাব থাকিতে নাই?

যাইহোক, বেশি কথা বলা আমার অভ্যেস, তাই এতো প্যাচাল পাড়িয়া ফেলিলাম, মনে কিছু করিবেন না। মূল ঘটনায় আসি। বাঁধা পান্থিগুলোর এহেন আচরনে বিমর্ষ হইয়া বিজ্ঞাপনের আশ্রয় নিবো বলিয়া মনস্থির করিলাম। কথায় আছে না, প্রচারেই প্রসার। দেখি আমার পৃষ্ঠদেশ প্রসার করিতে কেহ রাজি হয় কিনা। দিলাম মুখবইতে একখানা বিজ্ঞাপন। লিখিলাম, “যৌন ক্ষুধায় ক্ষুধিত। এক মাসের অভুক্ত এই কতির যৌনক্ষুধা মিটাইতে আছেন কোন পান্তি? চেহারা, গাত্রবর্ণ, উচ্চতা, বয়স কোন ব্যাপারেই কোন বাছবিচার নাই। তবে মুখে গন্ধ থাকিতে পারিবে না, আর খাঁটি পান্থি হইতে হইবে।বাতি নিভানোর পর যেন আবার আমাকে নিজের উপর চড়াইয়া না দেয়, এমন পান্থি হইতে হইবে”

যা হোক, কঠিন শব্দ ব্যবহার করিয়া বিজ্ঞাপন দেয়ায় ভাবিলাম বোধহয় কেহ সারা দিবে না। কিন্তু না, বিজ্ঞাপন দেয়ার তিন ঘন্টার মধ্যেই একখানা বার্তা আসিল মুখবইয়ের বার্তাঘরে(ইনবক্সে)। আসিতে চায় আমার নিকট। আমি তো খুশিতে আটখানা। যাক, এতোদিন পর ক্ষুধা মিটিতে যাইতেছে। শওকত ওসমান যদিও বলিয়া গিয়াছেন, “ক্ষুধার্ত কালে ভদ্রে অন্যের খাওয়া দেখিয়াও নাকি শান্তি পায়”, তবে আমি তাহাদের দলে পড়ি না। সমকামী ছায়াছবিতে ভিনদেশি কতিদের “আহ্‌, উহহ্‌, ও ইয়াহ্‌, ও ইয়াহ্‌” শুনিয়া আমার ক্ষুধা আরো বাড়িয়া যায়। আমি শান্তি পাই নিজের ক্ষুধা অন্যের দ্বারা নিবৃত করিয়াই।

ঠিকানা দিলাম, পান্থি বাবাজি ঠিকানা অনুযায়ী সময়ের চেয়ে আগেই আসিয়া হাজির। দেখিয়া খুব একটা খারাপ মনে হইলো না। উচ্চতায় আমার চাইতে যদিওবা কিছুটা খাটো, চেহারা সুরত খারাপ না। বয়স ও নেহায়েত কম না, আমার সমানই হইবে। আসলে বয়স, উচ্চতা অত কথা জিজ্ঞাসা করি নাই, এই আকালের জামানায় পান্থি যে পাইয়াছি, সেই ঢের! যাইহোক আমার পান্থি অতিথিকে বাসায় লইয়া আসিলাম, চা নাস্তাও খাওয়াইলাম। শক্তির দরকার আছে। কিন্তু খাওয়া দাওয়ার পরও পান্থি বাবাজির দেখি কোন অগ্রগতি নাই। সে আমার সহিত রতিক্রিয়া করার চাইতে আমার সহিত গল্প করিতেই দেখি বেশি আগ্রহী। এদিকে পান্থি বাবাজিকে দেখিয়া কই মাছ আমার ভেতরে ভেতরে লাফাইতেছে। কখন যে তাহার বিশেষ অঙ্গখানার দেখা পাইবো! আর খেলা আরম্ভ করিব! ইশ কথা যেন আর শেষ হয় না। শেষমেশ নিজের কতিধর্ম বিষর্জন দিয়া আমিই বলিলাম, “তবে শুরু করা যাক?” পান্থি কহিলো, “ আচ্ছা ঠিক আছে।” কিন্তু ঠিক আর হইলো কই? যেই লাউ সেই কদু। পান্থি আমার ঠায় বসিয়া রহিয়াছে। কোথায় আগাইয়া আসিয়া আমার বস্ত্র উন্মোচন করিয়া আমাকে শান্ত করিবে, তা না। নতুন বউয়ের মত ঠায় বসিয়া রহিয়াছে, কোন নড়ন চড়ন নাই। আমিই আগাইয়া গেলাম। প্রথমে তাহার শরীরের উপরের অংশের কাপড় খুলিলাম, বাপরে! এতো দেখি শারীরিক কসরত ও করে! কী বলিষ্ট বুক আর পেশি! এই রকম পেশিবহুল পান্থির দ্বারা দলিত মথিত হই না বহুকাল। এরপরও দেখি পান্থি আমার চুপ। ভাবিলাম আমাকে হয়তো তাহার পছন্দ হয় নাই। কিন্তু পরক্ষনেই মনে হইলো আমাকে অপছন্দ হইবার কোন কারনই তো নাই! রূপ-যৌবন আমি এখনো আগের মতোই ধরিয়া রাখিয়াছি। বয়স ও তো আমার খুব একটা বেশি নয়। ২৫ হইলো মাত্র। শরীরে একটুকুও মেদ নাই, গাত্র বর্নও দুধে আলতা। পৃষ্ঠদেশের টিলা গুলি আজো হাঁটিয়া গেলে খাঁটি পান্তিদের নজর কাড়িতে পারে অনায়াসে। তাহলে সমস্যাটা কোথায়? জিজ্ঞাসা করিলাম,

  • আমাকে পছন্দ হয় নাই?
  • না, না! পছন্দ হইবে না কেন? আপনি অনেক সুন্দর।
  • তাহলে এমন আড়ষ্ট হইয়া বসিয়া আছেন যে!
  • কই নাতো!
  • ঠিক তো?
  • ঠিক।

ভাবিলাম নতুন জায়গায় নতুন মানুষের সাথে রতিক্রিয়া করিতে আসিয়াছে বলিয়া পান্থি বাবাজি কিছুটা অপ্রস্তুত। তাই আমিই তাহাকে সহজ করিবার চেষ্টা করিতে লাগিলাম। নিজের পরনের কাপড় ততক্ষনে হ্যাঁচকা টানে খুলিয়া ফেলিয়াছি। তাহার হাত দুইটা ধরিয়া আমার বুকে লাগাইয়া দিলাম। কর বাবা! কিছুক্ষণ আটা মাখার মত আমার বুকটাকে দলাই মলাই কর। আমিও সুখ পাই, আর তুইও স্বাভাবিক হ!

কিন্তু হায়! কোথায় কি? কয়েকবার বুক টিপিয়াই পান্থি আমার ক্ষান্ত হইয়া গেলো। আর তো টিপে না! আমি যতই তাহার হাত দুইটা আমার মাংসল বুকের কাছে নিয়া যাই, ততই সে হাত গুটাইয়া নেয়। বুঝিলাম কাজ হইতেছে না। পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহন করিতে হইবে।

আমি তো উলঙ্গই, ভাবিলাম এইবার তাহাকেও উলঙ্গ করা দরকার। তা না হইলে খেলা ঠিক জমিতেছে না। পান্থির পরিধেয় প্যান্টের বোতাম খুলিলাম, সে যেন লজ্জায় শুইয়া গেলো। আমি তো অবাক! প্যান্টের বোতাম খুলিতেই যদি এত লজ্জা, তাহলে বাকি কাজ করিবে কি করিয়া? যাইহোক চেনটাও খুলিলাম, এইবার প্যান্টটাকে টানিয়া নিচেও নামাইয়া দিলাম। পান্থি বাবাজি দেখি অন্যদিকে মুখ ঘুরাইয়া শুইয়া আছে। এতো লজ্জা! বাপরে বাপ! এতো দেখি কতিবৃত্তিতে যেকোন টিনেজ কতিকেও হার মানায়। এ বলে আবার পান্তি! মনকে শান্তনা দিলাম, না না! পান্তিই হইবে। কসরত করা শারীরিক গঠন তো অন্তত তাই বলে।নতুন জায়গায় আসিয়াছে বলিয়াই হয়তো খানিকটা বিব্রত। যাইহোক এইবার তাহার সর্বশেষ পরিধেয় আন্ডারওয়ার খোলার পালা। কোমরের কাছে হাত নিতেই পান্থি আমার কেমন যেন শির শির করিয়া কাঁপিয়া উঠিল। বুঝিলাম কাজ হইতেছে। এইবার আর দেরি না করিয়া তাহাকে সম্পুর্নরূপে বিবস্ত্র করিলাম। দেখি অস্ত্রখানা পান্থি বাবাজি বেশ ভালোই বানাইয়াছে। লম্বা আছে, আর মোটাও কম নয়। আজ তাহলে আমার পরম সুখ লাভ হইবে। কিন্ত কতি হইয়া পান্তিসুলভ কাজগুলো করিতে করিতে আমি রীতিমত ক্লান্ত। তাই তাহাকে বিবস্ত্র করিয়া তাহার অস্ত্রের স্বাদ আস্বাদনের জন্য অস্ত্রখানা মুখে লইলাম। মুখের লালা আর জিভের কসরতে ঘুমন্ত অস্ত্রখানা যেন পিস্তল হইতে রাইফেলের আকার ধারন করিয়াছে। মুখে আটে না। আহা! খাসা জিনিস। এই তো চাই। এই রকম রাইফেলের সাদা সাদা গুলির দ্বারা নিজেকে আহত করা হয় না কতো দিন! কিছুক্ষন চুষিয়া ছাড়িয়া দিলাম। সাদা গুলির দ্বারা মুখ ভেজানোর ইচ্ছা ছিল না কিনা! আমি আর পারিতেছিলাম না। যৌনক্ষুধা তখন আমার তীব্রতম পর্যায়ে উপস্থিত।পান্থি বাবাজিকে বলিলাম আমার উপরে উঠিতে, কাল বিলম্ব না করিয়া কামকর্ম শুরু করিতে। পান্থি আমার পোষা বেড়াল যেন। যাহাই বলি তাহাই শুনে। আহা! এমনটাই তো চাই। যাক, ইহাকেই তাহলে বাধা পান্থি বানাইবো এখন থেকে।

আমাকে নিচে শোয়াইয়া পান্থি আমার উপরে চড়িল। আমি আমার পা দুইখানি দিয়া তাহাকে সাপের মত আঁকড়াইয়া ধরিলাম। উদ্দেশ্যঃ জায়গা মত রাইফেলের অনুপ্রবেশ। আমি তখন পরম সুখ লাভ করিবার স্বপ্নে রীতিমত বিভোর! আর কিয়তকাল পরেই আমার ক্ষুধা নিবৃত হইবে। আহা! কিন্তু আমার উপরে চড়িয়াই পান্থি বাবাজির অস্ত্রখানা কেমন যেন বিকল হইয়া গেল। রাইফেল আবার আস্তে আস্তে পিস্তলের আকার ধারন করিতে লাগিল। তবে কি সে ধ্বজভঙ্গ? নাকি গুলি বাহির হইয়া গিয়াছে ইতোমধ্যে! ব্যাপক চিন্তায় পড়িয়া গেলাম। নাহ! যেভাবেই হোক ইহাকে আবার সচল করিতে হইবে। আবার অস্ত্রখানা মুখে লইলাম। চুষিয়া চাটিয়া তাহাকে আবার খাড়া করাইলাম। এইবার আমি চড়িয়া বসিতে চাহিলাম অস্ত্রের মুখ বরাবর। যেই না সমস্ত প্রস্তুতি নিয়া অস্ত্রের মুখে বসিতে যাইবো অমনি পান্থি বাবাজির অস্ত্রখানা আবার পোতাইয়া গেলো। মেজাজ তখন কেমন লাগে বলেন দেখি? বলিলাম,

  • কি ব্যাপার? কোন সমস্যা?
  • নাতো, (আবারো সেই লজ্জাসুলভ হাসিমাখা উত্তর)
  • তাহলে কাজ হইতেছে না কেন?
  • আজ মনে হয় হইবে না। থাক বাদ দেন। আমাকে দিয়া আপনার কার্যসিদ্ধি হইবে না। আমি যাই।
  • মানে কি?
  • মানে আমি পারিতেছি না
  • কেন পারিবেন না? কি শক্ত-সমর্থ্য বীর্যবান পুরুষ আপনি। পারিবেন না কেন?
  • থাক বাদ দেন।
  • না। বাদ দিবো না। আমার ক্ষুধা আজ নিবৃত করিতেই হইবে। আপনি যদি না পারেন তাহলে আমাকে দেন, আমি করিয়া নিজের ক্ষুধা মেটাই।
  • কি করিবেন?
  • যা আপনার করিবার কথা ছিল।
  • পান্থির ভূমিকায় অবতীর্ন হইবেন?
  • যদি বলি তাই?
  • তবে হন।

আমি রীতিমত তাজ্জব বনিয়া গেলাম। এ কোন দেশি পান্তি? আমি তো তাহাকে রাগাইবার জন্য কথাগুলি  বলিতেছিলাম, যাতে করিয়া সে ভয় পাইয়া পান্থির ভূমিকায় অবতীর্ন হয়। কিন্তু কোথাকার কি? এ তো দেখি আমার মত আজন্ম কতিকে পান্তিতে রুপান্তর করিবে আজ!

মেজাজ চড়িয়া গেল। হালার পুত, কতি কোথকার! পান্থি সাজিয়া আমাকে ধোঁকা দিতে আসিয়াছিস? দাড়া আজ তোর একদিন কি আমার একদিন। আমার কইমাছের কাঁটা তোর পৃষ্ঠদেশে যদি আজ না ফুটাইয়াছি তবে আমিও বাপের ব্যাটা না।

প্রস্তুতি নিলাম। কইমাছটাকে আজ ভিন্নস্বাদ দেয়ার আশায় পলিথিনের আবরনে মুড়িলাম। এদিকে ভন্ড পান্থি আমার তখন শুইয়া আছে পা দুইখানা ফাঁক করিয়া। যেন আমার কই মাছেরই অপেক্ষা তাহার। কত সাধ ছিল আজ রাইফেলের সাদা বুলেটে নিজেকে আহত করিব, অথচ এখন নিজেই কইমাছের কাঁটা ফুটাইতে চলিয়াছি। পাঁচ বছরের সমকামী জীবনে প্রথম অভিজ্ঞতা আজঃ নিজেকে পান্থির ভূমিকায় অবতরন। দেরি না করিয়া পান্থি ভন্ডটার রসময় গুপ্তে আমার কইমাছটা জোরছে প্রবেশ করিতে গেলাম। যেন এক ধাক্কায় তাহা প্রবেশ করিয়া ভণ্ড পান্তিটাকে চরমভাবে আহত করে। কিন্তু কোথাকার কি! রীতিমত আক্কেল গুড়ুম হইয়া গেলাম, যখন দেখিলাম প্রথম বারের চেষ্টায়ই কইমাছ খানা পুকুরে ডুবিয়া গিয়াছে। আর ভন্ডটার মুখে কোন শব্দ নাই। ব্যাথা পাওয়া তো দূরের কথা, হারামিটা মুখে একবার উহ বলিয়া শব্দও করিল না! আমি আর প্রতিশোধ লইবো কি, তাজ্জব বনিয়া রতিক্রিয়া চালাইতে লাগিলাম, দেখিলাম মন্দ লাগিতেছে না।

মিনিট দশেক পর চিড়িক চিড়িক করিয়া কইমাছ আমার বমি করিয়া দিল পান্থি রূপধারী কতিটার দেহাভ্যন্তরে। এদিকে কখন যে হারামিটার পিস্তলটা রাইফেলের রূপ গ্রহন করিয়া সাদা গুলি ছুটাইয়াছে টের পাই নাই। তাহার পোতানো অস্ত্র আর আর ফোঁটা ফোঁটা আঠালো জলে ভেজা বুক দেখিয়া ঠাহর করিলাম কার্যসিদ্ধি শুধু আমারই নয়, তাহারো হইয়াছে।    

সেই থেকে আমি আর শুধু কতির ভূমিকায় নাই। পাকন্থি নামের এক নতুন রূপ গ্রহণ করি। পান্থির যখন এতোই আকাল দেশে, তখন নিজেই পাকন্তি হইয়া সময় বিশেষে পান্থির ভূমিকায় অবতরণ করিয়া বাংলার কতি সমাজকে সুখ দিতে আরম্ভ করি। এখন কেহ আমার যৌনভূমিকা নিয়া প্রশ্ন তুলিলে নির্দিধায় বলি যে আমি পাকন্তি। তাও ভালো! কাউকে মিথ্যা বলিয়া, আশা দেখাইয়া কতি হইয়াও পান্থির ভাব তো ধরি না!

আভিধানিক সহায়তাঃ

১। কতি = বটম

২। পান্থি = টপ 

৩। পাকন্থি = ভার্সেটাইল

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.