আগমন

নীলের নিমন্ত্রণ নীলাম্বর

আজকের দিনে তুমি মাতৃগর্ভ থেকে ধরনী
পৃষ্ঠে আগমন করেছিলে।

শ্বাসবায়ুর প্রভাবে কেঁদে
উঠেছিলে
সর্বশক্তিতে ভর করে।

তুমি একা অবতীর্ণ হওনি সঙ্গে এসেছিল
আরো একজন।

তিন বছর পর তোমাদের সঙ্গে
পুনরায় জন্ম হয়েছিল
আমারও।

অধমাঙ্গে ভর করে প্রথম হাঁটতে শিখেছিলে,
আবিষ্কার করেছিলে নতুন এক জগৎকে।

তোমার মঞ্জির এর কলতানে,
মুখরিত হয়েছে বিশ্ব,জগৎ চরাচর।
সম্পূর্ণ হয়েছিলাম আমি।

অপরূপ রূপ মাধুর্য্যে
এ পৃথিবীকে সমৃদ্ধ করেছো।
একে-একে পার করেছো
একুশটা বসন্ত -শরৎ।

প্রতি ঋতুর থেকে একটু একটু করে রঙ চুরি করে হয়েছ চির রঙিন।

বাইশ বছরে তোমার সৌন্দর্য ক্রমশ সমৃদ্ধির শিখর স্পর্শ করেছে।

জীবনের সুধাপাত্র ভরে
উঠেছিল কানায় কানায়।
অজানা সুখ স্পর্শ করে
গেছে আমার দেহ-মন।

একপৃথিবী সুখ ভগবান ভোরে দিয়েছে আমার দুঃখের
ঝুলিতে।

তোমার আগমনে সুখ সায়র উপচে কয়েক ফোঁটা অমৃত
সুধা জীবন নদীকে পরিপূর্ণ করেছে।

থমকে গেছে সময় তোমার আগমন
সুখে সমৃদ্ধের আশায়।
সে সুখে সুখী করেছো
সকলকেই।

আজ সেই মহালগনের ক্ষন সমাগত,
বিধাতার কাছে ছোট্ট আশা
মোর,
এ মধুলগন যেন মঞ্জিষ্ঠার মত জটাজালে আবৃত করে রাখে শতাব্দীর অন্তিম ক্ষণদা
অবধি।

অরুনের শেষ যামিনী পর্যন্ত
প্রশমিত হোক তোমার পরমায়ু,
চীর উদিত থাকো সেই নক্ত অবধি।

সকল সাফল্য তোমার চরণ চুম্বে হোক স্বার্থক,
সুখামৃতের বর্ষণ ধারায়

স্নান করে হয়ে ওঠো স্নিগ্ধ শোভন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.