ধর্ষণ ও মৃত্যু

প্রিন্স বাপ্পী

ঝুম বর্ষা,
চারপাশে ঘন কালো অন্ধকার,
ছুটার মতো শক্তি নেই অামার।

পরে অাছি হিমুদের অাম গাছ টার নিচে, ছুঁটতে চাচ্ছি, কিন্তু পারছি না,
সমস্ত শরীর নীথর হয়ে অাছে।

হাতে বুকে নখের অাঁচড় লেগে অাছে, ফিনকি দিয়ে রক্ত পরছে,
শার্টটা ছিড়ে গেছে।

প্যান্টের খানিকটাও ছেড়া,
মানুষ রূপী নরপিশাচরা ছিঁড়ে খেয়েছে অামায়,
বাঁধা দিয়েছি কিন্তু পারিনি অাটকাতে।

ওরা সংখ্যায় গরিষ্ঠ,
বলেছিলাম এক এক করে এসো,
কারণ অামি বাঁচতে চাই।

ডুকরে কেঁদেছি কিন্তু পারিনি,
তাঁদের হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করতে।

ওরা এসেছিলো জনা কয়েক,
হবে হয়তো দশ কিংবা অারো বেশি, হিসাব করি নি, শুধু অনুভব করেছি।

ফোঁটা ফোঁটা যৌনরস,
অামার দেহে প্রবাহিত হচ্ছে,
শেষ বিন্দুটুকুও সজোরে ঢেলে দিল।

অামি চিৎকার করিয়া উঠি,
জোরে কাঁদিতে পারি নি,
শুধু মুখ বুঝে ধর্ষিত হয়েছি।

পুরো শরীর ব্যাথা হয়ে অাছে,
চোখটাও রেহাই দিচ্ছে না,
অাস্তে অাস্তে ঢলে পরছি মৃত্যুর কোলে।

এভাবেই হয়তো পরে থাকবো এখানে, কেউ দেখবেও না অামাকে,
নাহ অার পারলাম না।

যমদূত শিয়রে দাঁড়িয়ে,
অামাকে নিতে এসেছে,
এখানে এই ধর্ষকদের মাঝে থেকে কি হবে?

এর চেয়ে চলে যাওয়াই শ্রেয়,
বৃষ্টি পরছে অঝোরে, বর্ষার প্রথম বৃষ্টি,
হাত বাড়িয়ে দিলাম কিন্তু,
কেউ ভালবেসে ধরলো না অামার হাত।

অাস্তে অাস্তে হাত দুটি,
মাটিতে লুটিয়ে পড়লো ও চলে গেলাম,
অবসান হল অামি নামক এই ধর্ষিতার জীবন….!!! 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.