ক্ষোভ

১.
ক্লাশরুমের ঘন্টা পড়ে গেছে, তবুও আমার খোজা শেষ হয়না। ইতিউতি করে ছেলেগুলোর কোমড়ের নীচটা আবার দেখে নিলাম। নাহ, সাইজ মত একেকটাও পাচ্ছিনা। হয় সাইজ ভালো নাহয় মনমতো হচ্ছেনা। আর সাইজ শালা সবগুলো একেকটা সতী। আব্রু রক্ষা করে চলে, মানে শর্টস পড়ে একেবারে শরীরের সাথে মিশিয়ে রাখে যে বোঝাই যায়না সাইজটা কার কত…?
মাইক্রোচিপ হাতে নিয়ে নাহিদ স্যার ক্লাশে ঢুকে। নতুন জয়েন করেছে। একেবারে তাগড়া জোয়ান। দেখলেই তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছে করে। স্যারের কথাগুলোও বেশ ভরাট।স্যার ক্লাশে এসে কী বলছেন, কিছুই শুনতে ইচ্ছে করছেনা তারপরও স্যারের দিকে তাকালাম।
গুরুজনেরা বলছেন, যেখানে দেখিবে ছাই, উড়াইয়া দেখ তাই পাইলেও পাইতে পারো অমূল্য রতন।
আসলেই আমি একটা গাধা, ঘরের পাশের শিশিরবিন্দুরর সৌন্দর্য না দেখে বহুদূরে সৌন্দর্য খুজি।
আমার অমূল্য ধন যে স্যারের কাছে লুকায়িত তা বোঝেও বোঝলামনা। আজ যখন স্যার নিজের আব্রু না পড়েই শুধু প্যান্ট পড়ে আসলো আমার চোখের কামনা থেকে তার দুপায়ের ফাকে থাকা জিনিসটা থেকে ঠেকাতে পারলোনা। শর্টস না পড়ায় প্যান্টের উপর দুপায়ের ফাকে জিনিসটা নিজের অস্তিত্বের সামান্য জানান দিচ্ছে। তাও কম কী..?
এটার সাইজ যে নেহায়েত ভালো সেটা অনুভব করতে পারছি। দলাইমলাই করার জন্যে হাতটা নিশপিশ করে ওঠে, সান্তনা দেই হাত দুটোকে। করবি বাছারা, করবি একবার যখন আমার চোখে পড়ে গেছে তখন তোদের হাতেও পড়বে, এত অস্থির হওয়ার কিছু নেই কিন্ত চোখ দুটোকে ফেরাতে পারিনা। প্রায় মগ্ন হয়ে গেলাম।
স্যারের ডাকে সম্ভিত ফিরলো।
-সায়ক…কী দেখতেছো এমন করে…?
ধরা পড়ার ভয়ে চমকে ওঠি। স্যারের দিকে ভাবলেশহীন ভাবে তাকাই যেন আমি কচি খোকা।
স্যার মুচকি হাসে। কি জানি বাবা, ধরা পড়ে গেলাম নাকী? যেমন লোভাতুর দৃষ্টিতে দৃষ্টাঞ্জলি করছিলাম ধরা পড়ারইতো কথা।স্যার বলে, বিকেলে দেখা কইরো।

২.
কলেজের পিছনে শুধুই ধানক্ষেত। ধানক্ষেতগুলো পেরিয়ে জঙলমতো গাছগাছালি ঘেরা পরিত্যাক্ত বাড়িটা চোখে পড়ে।
মিয়া বাড়ি। বেশ খান্দানি বাড়ি। বাড়িতে আভিজাত্যের ছোয়া মিশে আছে, বাড়ি দেখলেই বোঝা যায়। চারপাশে ঘন গাছাপালায় ঘেরা বাড়িটাকে দেখলে যে কেও ভূতুড়ে বাড়ি ভাববে। বাড়ির প্রধান ফটক আড়ালা করে সাড়িবদ্ধভাব দাড়িয়ে আছে কয়েকটি নারকেল গাছ।
বাড়ির দেয়াল ঘেষে রয়েছে একটি বিরাট লিচু গাছ। লিচুর মৌসুমে প্রায়ই আমার সহপাঠীরা প্রায়ই এই গাছে এসে হানা দিতো।
সূর্য্য অস্তমিত প্রায়। সন্ধ্যার লালিমাগুলো আকাশে মিলিয়ে যেতে শুরু করেছে।
গেটটা তালা লাগানো। স্যার বললেন, উপায় কী?
আমি লিচু গাছটাকে দেখিয়ে দিলাম।
আমাকে ঠেলে লিচুগাছে উঠালো স্যার, তারপর দেয়ালে পা রেখে বাড়ির ভেতর দেয়াল টপকে প্রবেশ করলাম, একটু পরই একই কায়দায় নাহিদ স্যারও ঢুকলেন।
যৌনতার নেশা আছে বটে, ভাবলাম আমি।
বাড়ির প্রাঙনটা বেশ বড়। উঠোন পেরোলেই সামনে রাজকীয় হালে দাঁড়িয়ে আছে বিরাট দোতলা বিল্ডিং। এই শূন্য বাড়িতে কেও নেই। বাড়িটাকে পরিত্যক্ত করে সবাই শহরে পাড়ি জমিয়েছে। অনেকটা পোড়োবাড়ি বলা চলে।
বারান্দায় গিয়ে উঠলাম দুজনে।
বেশ নিরাপদ জায়গা এসব কাজের জন্যে। এই বাড়ির ধারেকাছে কেও ঘেষেনা। সবাই হান্টেড হাউজ বলেই জানে। চিৎকার করলেও কেও শুনবেনা।
কাজটা ঠিকঠাক মত করতে পারলেই হলো, উত্তেজনায় আমার হার্টবিট বেড়ে গেছে। শরীরটাও বারকয়েক কেপে কেপে ওঠছে। ইতিউতি করে বারান্দার চারপাশ দেখে নিচ্ছে নাহিদ স্যার। তারপর হঠাৎ করেই জাপটে ধরে আমাকে মেঝেতে ফেলে দিলেন। পাকা মেঝে।
স্যার আমাকে তার নীচে ফেলে মিশিয়ে দিতে চাইছে দেহের মাঝে। স্যারের সজাগ হওয়া কামনা যেন প্যান্ট ফুরে বের হতে চাইছে।
টের পেলাম, আমার ঠোটদুটোকে কমলার কোয়ার মত চুষে নিচ্ছে আপনমনে।
আমার উন্মুক্ত বক্ষে স্যারের হাতের বিচরণে প্রশান্তি পেলাম।
আমার পরনের শার্ট খোলার চেষ্টা করছে। কিন্ত আমার সেদিকে মন নেই।
আমার খেয়াল শুধু তার ওই প্যান্টের মধ্যেই পড়ে রয়েছে।
হাত দিয়ে আলতোভাবে স্যারের প্যান্টের উপর চাপ দিলাম।
কামনার আগুনে উত্তপ্ত হয়ে আগ্নেয়গিরি বানিয়ে রেখেছে প্যান্টের ভিতর। স্যার কী বুঝলো, কে জানে। আমাকে ছেড়ে ওঠে দাড়ালো। নিজের শার্ট খোলে বেল্টে হাত দিলো প্যান্ট খোলার জন্যে। আমি মানা করলাম, শুধু শুধু আপনি কষ্ট করবেন কেন? আমি আছিনা। আবেদনতার ভঙি দেহে তুলে খুলে দিলাম স্যারের বেল্ট।
মনে মনে ভাবলাম, উনি কী সেই স্যার যে কলেজে পরিসংখ্যান পড়ায়।
ক্লাশ শেষ যখন স্যারের অফিসে গিয়েছিলাম,
স্যার বললো, তুমি ক্লাশরুমে আমার দিকে ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়ে ছিলে কেন?
আমি কিছু না বলে স্যারের কাছে গিয়ে হাত দিয়ে উরুতে স্পর্শ করে বলি এটার জন্যে।
একেবারেই দুর্বল জায়গায় আঘাত করেছি।
স্যার দুষ্টুমির ভঙিতে ধমকে বললেন, এই কী করছো এসব?

মনে মনে ভাবি, শালা ভালোই অভিনয় পারে। কিন্ত যখন বারকয়েক হাত বুলিয়ে স্যারের ঘুমন্ত কামনাকে সজাগ করে ফেললাম, তখন আর নিজেকে সতী রাখতে পারে। আমারে বললো, রাতে আমার রুমে একদিন এসো, দুজনে মিলে হাডুডু খেলব।
আমি বলি, আসব।
স্যারের রুমে আমার কাজ করা নিরাপদ না বিধায়,
তারপরই নিয়ে আসা এই মিয়ার বাড়িতে।
স্যারের মুখের দিকে চেয়ে ক্রুর হাসি দিয়ে একটানে প্যান্ট খুলে ফেললাম। শিকারী বাঘের বিস্ফোরণ ঘটল যেন আগ্নেয়গিরীর।
মনে মনে লোভ হলো,
শালার জিনিস একটা বানিয়েছে। যেমনটা আমি চাই। এবার বুঝবে, বাছাধন, খেলা কাকে বলে?
স্যারকে মেঝেতে শুইয়ে দিলাম। স্যারের লোমশ বুকে হাত দিয়ে যখন স্পর্শ করছিলাম, খানিকের জন্য মনে হল মখমল। স্যারের ঠোটে চুমু খেয়ে মুখটা কানের লতিতে এনে আস্তে করে কামড় দিলাম। স্যার আহ করে ওঠলেন। বুঝলাম, সুখের সাগরে পা বাড়িয়েছে। তারপর হাতের আঙুলগুলোকে স্যারের ভ্রুর মাঝখান দিয়ে নাক বরাবর নামিয়ে এনে ঠোট, গলা,লোমশ বুক, নাভি অত:পর পুরুষাঙের কাছে এনে থামিয়ে দিলাম,
ওদিকে একমনে গোঙিয়েই চলছে।
আমার থামায় স্যার খেকিয়ে ওঠলেন,
শালার বেডা থামলি কেন?
লেটস কন্টিনিউ…
রাগ করলামনা স্যারের প্রতি।স্যার এখন উত্তেজনার সাগরে ভাসছেন, এসময় চারপাশ খেয়াল থাকেনা, একেবারে নাদান বাচ্চা হয়ে যায়।
বাচ্চাদের মত বকবক করে।
স্যার আমার চুল খামচে ধরে ঠেসে ধরলেন স্যারের উরুর উপর।
বুঝলাম, আমার সময় হয়েছে। চেতনদন্ড উপেক্ষা করে আবেদনময়তার সাথে আঙুলগুলোকে নীচে নামিয়ে আনলাম।
একহাতে পকেটে রাখা জিনিসটা বের করলাম, রুমালটাও বের করলাম।
কাজের সময় লাগতে পারে। তাই পকেটে করে সঙে নিয়ে এসেছি। দুটো আঙুলকে হাটিয়ে উরুর উপর নিয়ে গেলাম, স্যারের দিকে তাকালাম। স্যার সুখসাগরে ভেসে যাচ্ছে।

Time Is Start…
খপ করে ধরলাম স্যারের পুরুষাঙ্গটা।
আগুনে উত্তপ্ত হওয়া লোহার দন্ড। আমার ভিতর একটা পৈশাচিক ভাব খেলে গেলো। এক নিষিদ্ধ কাজের অপেক্ষায় আকুলিবিকুলি করে ওঠলো ভিতরটা। হাত দিয়ে ধরতে স্যার হালকা শীৎকার দিয়ে ওঠলেন। পরবর্তী কাজের জন্য কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা করলাম।
অত:পর ঘ্যাচ ঘ্যাচ শব্দে ক্ষুরটা চালিয়ে দিলাম পুরুষাঙ্গের গোড়ায়। ফিনকি দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে, রক্তে ভিজে গেল আমার মুখখানি।
রক্তের স্রোতে ভেসে যাচ্ছে স্যারের দেহ, আমার হাত, আর ক্ষুরটা।
একটা বিজয়ের আনন্দ মনে জেগে ওঠলো।
স্যারের ব্যাপারটা বুঝতে কয়েক সেকেন্ড লাগলো।
যখন বুঝতে পারলো ব্যাপারটা, স্যারের
কান ফাটানো অমানুষিক চিৎকার প্রতিধ্বনি তুললো মিয়াবাড়ির দেয়ালে। এত চিল্লাচ্ছে, একটু ব্যাথা পেয়েছে, এতে চিল্লানো কী আছে।
স্যারের টুটি চেপে ধরলাম,
শালা, নাহয় তোর পুরুষাঙ্গ টাই কাটলাম, এতো চিল্লাচিল্লির কী আছে?
স্যার ভয় পাওয়া দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে আমার দিকে। স্যারের মুখ ফ্যাকাশে হয়ে আছে। রক্তশূন্য মুখ দেখতে আমার বেশ আনন্দই হচ্ছে।
স্যারের ব্যাপারটা বেশ উপভোগ করছি।
আবার কানফাটানো চিৎকার!
ইশ! যন্ত্রণায় আর থাকা যাবেনা দেখছি,
স্যারের পরনের শার্টটা কুন্ডলী পাকিয়ে মুখে ঢুকিয়ে দিলাম,
প্যান্টটা দিয়ে হাতদুটো পিছনে নিয়ে শক্ত করে বাঁধলাম,
স্যার হতব্বিহল দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।
আসলে বিপদে পড়লে মানুষ দিশেহারা হয়ে যায়, কী করবে বুঝতে পারেনা।
আর আক্রমণকারী এই সুযোগটাকে কাজে লাগায়।
আমিও লাগালাম।
চোখ গেল ওপাশে, পুরুষাঙটা গলা কাটা মুরগীর মত তড়পাতে তড়পাতে নিস্তেজ হয়ে পড়ে আছে।
স্যারকে শোয়া অবস্থায় রেখেই স্যারের উপর উঠে বসলাম আবার,

ক্ষুরটা গলার কাছাকাছি এনে সামান্য পোচ দিলাম ঘ্যাচ করে শব্দ হলো, চামড়া চুয়ে রক্তের ফোটা বের হচ্ছে।
আসলে, আমি স্যারকে যন্ত্রণা দিতে চাই, শিকারকে যন্ত্রণা দিয়ে মারার মাঝে আলাদা একটা প্রশান্তি পাওয়া যায়।
আরেকটা পোচ দিলাম লম্বালম্বি করে।
স্যার ককিয়ে ওঠলেন, ভয়ে স্যারের চোখদুটি যেন বের হয়ে যাচ্ছে।
স্যারের ভয়ার্ত চেহারা দেখে মজা পাচ্ছি অনেক।
তারপর যেভাবে আঙুলগুলোকে চোখ থেকে গোড়ালি পর্যন্ত হাটিয়ে নিয়েছিলাম, সেভাবে ক্ষুরটাকে আলতো চাপে ত্বকের ভিতর ঢুকিয়ে চাপ দিয়ে বুক থেকে পেট পর্যন্ত নামিয়ে আনলাম, বেশ গভীর একটা রেখা হয়ে গেলো।
অনেকটা মাইনাসের মত। এই যাহ, আমাকে দেখি অঙ্কের সমস্যায় পেয়ে বসলো। অত:পর স্যারের বুকের প্রস্থ বরাবর আরেকটা রেখা টানলাম, হয়ে গেলো যোগ, কোনাকুনি করে দুটো রেখা আকলাম, হয়ে গেলো গুণ, অত:পর যোগ চিহ্নের রেখার উপরে ক্ষুরটা ঢুকিয়ে একটা গোল ক্ষত করলাম, নীচেও একটা করলাম। হয়ে গেল ভাগ।
বাহ, বেশ মজারতো খেলাটা। আনন্দ পেলাম খেলাটায়।
কিন্ত শালার বেটাতো খেলতে দিচ্ছেনা। শরীর নাড়াচ্ছে, আর্তনাদ করছে।
আপনারাই বলুন, এরকম করলে কী আর খেলা যায়। খেলাটা বাদ দিয়ে দিলাম। এগোলাম গলার দিকে। রাত হয়ে গেছে প্রায়,সন্ধ্যার সময় এসেছিলাম। বাড়িতে যেতে হবে, কত কাজ পড়ে আছে।
ক্ষুরটা দিয়ে গলায় আরেকটা পোচ দিলাম, হালকা চাপ দিলাম ক্ষুরে। নি:শব্দে আলাদা হয়ে গেল গলার চামড়া অত:পর কেটে দিলাম ভোকাল কর্ড, ধমনীটাও। গড়গড় শব্দ আসছে গলাটক থেকে।
আরেক ঝলক রক্তে মুখটা ভিজে গেল।

জিহবার আগা দিয়ে চেখে দেখলাম। উষ্ণ রক্তের নোনতা স্বাদটা বেশ টেস্ট। গরম গরম শিক কাবাব খাওয়া শেষে এইরকম এক গ্লাস উষ্ণ রক্ত খেতে বেশ ভালোই লাগবে।
শিকারের রক্তের উষ্ণতায় শিকারীর শান্তি নিহিত বলে একটা কথা আছে।
স্যার মনে হয় আর বেচে নেই, তারপরও সাবধানের মার নেই। নাকের কাছে আঙুল ধরলাম, হাতের শিরা পরীক্ষা করলাম, বুকে কান পাতলাম।
নাহ, কোম শব্দই নেই, একেবারে নিস্তেজ হয়ে আছে দেহটা।
চোখ গেল পুরুষাঙ্গটার দিকে। আদর করে হাতে নিলাম।বেশ দেখতে জিনিসটা, সংগ্রহের মধ্যে হয়তো এটাই সবচেয়ে আকারে বড়।
একটা চুমু খেলাম। প্রশান্তিটা সারা শরীরে ছড়িয়ে গেল। রুমালে পেচিয়ে পকেটে ভরলাম। তারপর লাশটাকে টেনে হিচড়ে নিয়ে গেলাম বাড়ির পিছনে, বাড়ির পিছনে শুধু বাশবাগান। বাশাবাগানের মধ্যে পচা ডোবাটার কাছে আনলাম, ডোবা বললে ভুল হয়, একসময় পুকুর ছিল। অযত্নে সেটা ডোবার রূপ নিয়েছে।
লাশটাকে ফেলে দিলাম পানিতে। আধডোবা হয়ে ভেসে রইলো পানিতে। এদিকে সাধারণত কেও আসেনা, তাই ধরা পড়ার ভয় নেই।
যদিও কখনো আসে, কিন্ত ততক্ষণে আমার হাতের ছোয়া দেহের ছোয়া পানিতে মিশে যাবে।
স্যারের শার্ট দিয়ে মেঝেতে পড়ে থাকা রক্তগুলোও মুছে দিলাম, যাক
আপাদত নিশ্চিন্ত।
নিরাপদেই শিকার শেষ করলাম।

৩.
একমনে চেয়ে রইলাম কাচের জারগুলোর দিকে। আবারো গুনলাম, ১, ২,৩…..১৫ টা জার।
সবগুলো জারে রাখা আছে ছোট থেকে বড় পুরুষাঙ।
স্টাফ করে রাখা আছে, তাই পচার ভয় নেই।
আমার বাবা একজন প্রত্নতাত্ত্বিক। বাবাকে একদিন জিজ্ঞাস করেছিলাম মিশরীয় ফেরাউনের লাশ অক্ষত থাকার রহস্য কী? বাবা আমাকে শিখিয়েছিলেন মমি করার পদ্ধতি। সেই পদ্ধতি প্রয়োগ করলাম পুরুষাঙ্গকে জিইয়ে রাখার জন্য।
এখানে সবচেয়ে ছোট যে পুরুষাঙ্গটা, সেটা আমার স্কুলসহপাঠী অনিকের।
সেই প্রথম আমার ক্ষোভের শিকার হয়েছিল।
ও যদি সেদিন আমার সুপ্ত ক্ষোভ জাগিয়ে না দিতো তবে হয়তো আজ আমার এই ক্ষোভটা মিটানোর জন্য ছেলেদের জিপারের নীচে থাকা মাংসপিণ্ডের খোজ করতোনা।

ছোটবেলা থেকে আমি প্রায়ই লক্ষ্য করতাম, আমি কখনো উলঙ্গ অবস্থায় থাকিনা। আমার পরনে সবসময় প্যান্ট পরা থাকতো। আমার বাবা মা আমাকে খেলতে দিতোনা, বেড়াতে পাঠতোনা।
কিন্ত বয়স যতই বেড়ে চললো ততই যেন আমায় ঘরকুনো করে রাখতে পারলেই বাচে, ব্যাপারটা আমি বুঝতে পারতামনা।
কিন্ত যখন কৈশোরে পা রাখলাম তখনি দুপায়ের ফাকে এক ধরনের শূন্যতা অনুভব করি। কী যেন নেই?
একদিন পেয়েও গেলাম ক্লাশে বইয়ের পাতায়।
দুটি উলঙ্গ নারীপুরুষের ছবি একে বিভিন্ন জায়গায় চিহ্নিত করে রাখা, কিন্ত পুরুষের দুপায়ের ফাকে ওটা কী? মার্ক করে নীচে লেখা পুরুষাঙ্গ।
কিন্ত আমিওতো পুরুষ, আমার নেই কেন?
নারীর গোপন অঙ্গে খেয়াল করে দেখলাম, নারীদের সাথে আমার গোপনাঙ্গের সামান্যই মিল আছে। তবে কী আমি নারী? মা যে বললো পুরুষ।
কিন্ত আমারতো স্তন নেই মেয়েদের মত।
বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাস করলাম মাকে, উত্তর দিলেননা। বাবা আসলো রাতে অফিস থেকে। জিজ্ঞাস করলাম, উত্তর দিলোনা। বারবার বোঝাতে লাগলো ওটা পুরুষেরই। আমি বই বের করে তাদের সামনে রাখলাম, তারা স্তব্দ হয়ে গিয়েছিল। এমন অবস্থায় পড়বে তা হয়তো কল্পনাতীত ছিল।
তখন জানতে পারলাম, আমি কী? আমি কেন নারীও না পুরুষও না।
শুধুমাত্র পুরুষাঙ্গ কিংবা যোনী নেই বলে। শুধুমাত্র প্রস্রাবের রাস্তা নিয়ে নারী পুরুষ হওয়া যায়না।
সমাজে এদের কমন জেন্ডার বলে।
কমন জেন্ডারের সামাজিক দিক বুঝালো, সমাজের চোখে তারা কতটা নীচু গোত্রের।
সেদিন খুব কান্না পেয়েছিল।
কেন এই লিঙ্গবৈষম্যের সৃষ্টি করলেন ঈশ্বর?
তারপর থেকে আমার সহপাঠীদের এড়িয়েই চলতাম। মনে একটা ভয় কাজ করতো, এই বুঝি ধরা পড়ে গেলাম। সেটাই হল, যেখানে বাঘের ভয় সেখানেই রাত হয়।

একদিন স্কুলের বাথরুমে গিয়েছিলাম শৌচ কাজে, গিয়ে দেখি অনিক পর্ন দেখছে, আমাকে দেখে চমকে গেলেও, স্বাভাবিক হয়ে গেল।
আমাকেও পর্ন দেখাতে চাইলো, আমি ফিরে আসতে চাইলাম, দিলোনা।
পর্ন দেখে উত্তেজনা বশত মাস্টারবেশন আমার সামনেই করতে লাগলো, লজ্জা শরমের মাথা খেয়ে। আমি হা করে দেখেছিলাম তার পুরুষাঙ্গ।
সেই নবম শ্রেণীতে থাকতে প্রথম দেখা। অদ্ভুদ ভালো লাগা কাজ করে মাংসপিণ্ডটার প্রতি। ইশ! এরকম যদি আমারও থাকতো।
অনিক আমার দিকে তাকিয়ে বলে হা করে দেখছিস কী?
আমার কাছে আয় আমি তোরটা করে দেই। ও জোরাজুরি করে আমি প্যান্ট খুলে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যায়। তুই হিজড়া!
অবাক চোখে তাকায় আমার দিকে।
হিজড়া শব্দটা শুনে মাথায় আগুন ধরে যায়, চোখের সামনে হিজড়াদের তাচ্ছিল্যতা ভেসে ওঠে। গা শিরশির করে ওঠি আতঙ্কে।
ওর মাথাটা দেয়ালে ঠুস করে বাড়ি দেই, ও সেন্সলেস হয়ে যায়।
টেনে বাথ্রুমের ভিতর ঢুকিয়ে ওকে হত্যা করেছিলাম।
তারপর ওর পুরুষাঙ্গটা কেটে ফেলেছিলাম সেদিন।
তারপর সেটা পকেটে করে এনেছিলাম বাসায়।
সেইদিন থেকেই এক হিংস্র শিকারী সত্ত্বা আমার ভিতরে জেগে ওঠে। বাবার থেকে শিখেছিলাম মমি করার কৌশল। সুদর্শন পুরুষদের কামনার সাগরে ডুবিয়ে আমার প্রিয় জিনিসটা সংগ্রহ করতাম।
যাকে ধরেছি কেউই এই ফাদ থেকে রেহাই পায়নি। কারন এটা কামনার ফাদ। এই ফাদ উপেক্ষা করা পুরুষের অসাধ্য।

৪.
দিন কয়েক হয়ে গেল কলেজ যাইনা। স্যারের পুরুষাঙ্গটা যতই দেখি ততই যেন তৃপ্তি পাই। মন ভরে যায় প্রশান্তিতে। এক নিষিদ্ধ তৃপ্তিতে মনে ঢেকুর ওঠে। বক্স বেডের নীচে গোপন ড্রয়ারটা থেকে দিনে শতবার না দেখলে যেন নাই হয়।
এগুলো দেখতে দেখতে আমি কল্পনার সাগরে ভাসি। একসময় আমার বেডরুমের চারদিকে কাটা পুরুষাঙ থাকবে, স্টাফ করা পুরুষাঙ্গ।
ফুলশয্যার রাতে যেরকম ফুল দিয়ে সাজানো থাকবে তেমনি আমারটা হবে লিঙ্গশয্যা।
চারিদিকে থাকবে পুরুষাঙের ছড়াছড়ি। হাত দিয়ে ছুয়ে আদর করব, চুমু খাব। এগুলো কে দেখলেই আদর দিতে ইচ্ছে হয় যে।

এইসব আকাশ কুসুম ভাবতে ভাবতে কখন আজগুবি কল্পনায় মেতে ওঠি মনে থাকেনা।
দরজায় টোকা পড়ার শব্দে ঘুম ভাঙে। ড্রয়ার ঠেলে ভিতরে ঢুকিয়ে দেই।
দরজা খুলে দেখি জিকু দাঁড়িয়ে আছে। ঘেমে গোসল করে ফেলেছে শালায়।
আমাকে ঠেলে ভিতরে ঢুকে খাটে বসে এক গ্লাস পানি চায়। আমি তাকে পানি দিতে দিতে বলি, কী হয়েছে বলতো?
এইভাবে হাপাচ্ছিস কেন?
সে এক ঢোকে পুরো গ্লাস পানি খেয়ে নেয়।
জানিস, নাহিদ স্যারের খোজ পাওয়া গেছে। ওইযে মিয়া বাড়ির ডোবায় কে জানি নাহিদ স্যারের গলা কেটে ফেলে রেখেছি। পানিতে পচে লাশের গন্ধে ক্ষেতে কাজ করা লোকজন গিয়ে স্যারের ডেডবডি খুজে পায়।
আমি অবাক হওয়ার ভান ধরে বলি, নাহিদ স্যার! ওইযে পরিসংখ্যানের স্যারটা?
উনি নিখোজ হল কখন? আর খুন হল কখন? এই নতুন এলাকায় স্যারের শত্রু আসবে কোথা থেকে? আহারে!
এক ধারনের শান্তনা সূচক বাণী মুখ দিয়ে বাহির করি।
জিকু আমার দিকে সন্দেহভরা দৃষ্টিতে তাকায়। ওর দৃষ্টিতে কিছুটা বিব্রতবোধ করি। ও কী আমাকে সন্দেহ করলো? করলেই বা কী? কোন প্রমাণ নেই। কিন্ত ওর কথায় আমার চোখে অন্ধকার নামে
জিকু বলে, স্যারকে যেদিন লাস্ট দেখেছিলাম তোকে নিয়ে কলেজের পিছনে ঘুরতে। স্যার পরদিন থেকে নিখোজ। মেসেও যায়নি, বাসায়ও যায়নি।
তুই কিছু জানিস? সেদিন তোর থেকে বিদেয় নিয়ে কোথায় গিয়েছিলেন?

মনে মনে প্রমাদ গুণি আমি। শালা কী আমার পেছনে গোয়েন্দাগিরি করে নাকী? মনের আতঙ্কের ছায়া পড়ে। কিন্ত মুখে ফুটতে দেইনা।
ওর কথা এড়িয়ে বললাম, বাথ্রুমে যা, ঘেমে নেয়ে গেছিস দেখছি। ফ্রেশ হয়ে আয়।
ও আরো সন্দেহভরা দৃষ্টিতে দেখে আমাকে।
আমি ওকে জোর করে বাথ্রুমে ঢুকিয়ে দেই।
এইবার বসে চিন্তা করি কী করে এই সমস্যা দূর করা যায়? কী মনে করে বাথ্রুমের কী হোলে তাকিয়ে বাথ্রুমের ভিতরটা দেখি।
জিকু দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করছে।
দুপায়ের ফাকে থাকা মাংসপিণ্ডটা দেখা যাচ্ছে।
বেশ বড় না হলেও সাইজমত।
চোখ ফিরিয়ে কিচেনে ঢুকে দুটো কফি বানালাম।
একটা জিকুর জন্য আরেকটা আমার জন্যে।
কফি টেবিলে রেখে অপেক্ষা করি ওর জন্য।
জিকু বেরিয়ে আসে।
কফির কাপটা ওর দিকে এগিয়ে দিয়ে বলি নে কফি খা।
সাচ্ছ্যন্দে কফির কফির কাপ হাতে নিয়ে চুমুক দিয়ে।
এক চুমুক, দুই চুমুক, তিন চুমুক,,…ঘুমে ঢুলতে থাকে ও।
সে আবার দিকে তাকিয়ে বলে, ঘুম পাচ্ছেরে খুব। আমি বলি, ঘুমে ধরবেনা? তিনটা ঘুমের ঔষধ দিলাম।
ঠোটের কোণায় পৈশাচিক হাসি ফুটিয়ে ওর পাশে গিয়ে বসলাম। জিপারে হাত দেই, বাধা দেওয়ার আগেই আমার কাধে তার মাথা এলিয়ে দিয়ে ঘুমের ঘোরে চলে গেল।

আস্তে করে ওর প্যান্টটা খুলে সরিয়ে রাখি।
তারপর ড্রয়ারে সযত্নে রাখা ক্ষুরটা বের করি। ক্ষুরটা হাতে নিয়ে বসি জিকুর পাশে। কয়েক সেকেন্ড মাংস কাটার ঘ্যাচ ঘ্যাচ শব্দ হয়। আমার বেডরুমের ফ্লোরে লাল রক্ত আলপনা আঁকে, শুভ বিদায় জিকু।

লেখকঃ জনি ড্যানিয়েল

প্রকাশেঃ সাতরঙা গল্

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.