পাঙক্তেয় প্রণয়ী

অতন্দ্র যামিনী,
পক্ষীরাজির নির্লিপ্ত পঙক্তি পঠন,
নিশাকর জ্যোৎস্নায় পঙ্কিল পথচলা,
এক ন্যুজ কাছিমের ন্যায়
দৃপ্ত অঙ্গে চলন।

মৃদু পদচিহ্নেরা রয়ে যায়
সহস্র অবহেলায়,
লিখে যায় পরিকীর্ণ চিরকুট।
চলমান পদযুগল থেমে যায় হঠাৎ!
চেয়ে ওঠে বিশ্রাম।
অজস্র স্বেদবারিতে
আদ্রতা শুষে নেয় চিরকুটের নীল খাম।

এতিম নেত্রযুগল খোঁজে
এক লোমশ আশ্রম।
খোঁজে একটা হৃদয়ের খাঁজ,
প্রদীপ্ত প্রণয় পঞ্জরে গেঁথে
প্রতীক্ষিত প্রণয়ী হয়ে।

এ যেন এক নির্লিপ্ত প্রবোধ,
অক্ষয় অকলুষ বাসনা।
অকপট চাহনি নিয়ে,
হবে তার আগমন।
ময়ূখ প্রদীপ হস্তে
ঘুচাতে সকল ম্লান।

মোহিত সুরে বলবে আবারও,
আমি এসেছি হে অপেক্ষমান।

তোমার পঙক্তির পাঙক্তেয় হয়ে,
তোমার চরণে গ্রহণ করো মোর,
ভালোবাসার নিষ্কলুষ দান।
এই আত্মার শরীরি অংশটা শুধু তোমারই কল্যাণ।

লেখকঃ আয়াত

প্রকাশেঃ সাতরঙা গল্প

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.