
লেখক : অনির্বাণ আমার মা একজন দর্জী। খুব ছোট সেলাই কাপড়ের একজন উদ্যোক্তাও বলা যায়। মায়ের কাছে গ্রামের কয়েকজন মেয়েও কাজ শিখতে আসে, সেই সাথে আম্মুর কাছে অনেক অর্ডার আসে তিনি সেই কাজগুলো করেন এবং ঐ সকল মেয়েদেরকে দিয়েও কাজ করান। সেই টাকা দিয়ে মা নিজের খরচ নিজেই চালাতে পারে, আমাদের ভাই বোনদের টুকিটাকি খরচও

লেখক : অশ্বিণী ডিজিটাল প্রযুক্তি মুহূর্তের মধ্যে তরুণদের রাজনৈতিক মতাদর্শ, অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে অভিনব উপায় হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। অনলাইনে তর্কবিতর্ক, ভালো লাগা, মন্দ লাগা, নিজস্ব প্রকাশ ভঙ্গি ইত্যাদি বিষয় নিয়ে দ্রুততার সাথে সোস্যাল মিডায়ায় নাগরিক অংশগ্রহণ অনেক সহজ হয়ে উঠেছে৷ নতুন নতুন প্রযুক্তি যেমন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেয়, ঠিক তেমনি নতুন নতুন অপরাধেরও জন্ম দেয়।

লিখেছেন শৈলবালা দেবী ১.তীর্থঘাটের সন্ধ্যেটা ভীষণ নির্জন। কোলাহল ফুরিয়ে যায়। ফুরফুরে হাওয়া আর দুধচা’য়ের ঘ্রাণ। বাঁশবনের ভেতরের গ্রামের মসজিদে মাগরিবের আযান হয়। পুবের আসমানে আষাঢ়ে গোল চাঁদ। পাড়ের দোকানগুলোয় ইলেকট্রিক বাতি জ্বলে ওঠে। নদীপাড়ের পাথরভাঙ্গা মেশিন বন্ধ হয়ে যায় ততক্ষণে। মজুরেরা কাজ শেষ করে নদীতে স্নান করে। পেশিবহুল বাহু, পেটানো দেহের ওপর গজানো বুকপশম বেয়ে

লেখক : নিরালোকে দিব্যরথ সার সৈকতের বালিতে পুরুষাঙ্গ আর ভ্যাজাইনার সঙ্গমের প্রতিরূপ এঁকে শিশু হলের উদ্দেশ্যে তার শিক্ষক যৌনবিজ্ঞানের পাঠ দিয়ে জানাচ্ছিলেন- ‘কোনও পুরুষ কোনও নারীকে গ্রহণ করবে; বিয়ে এবং সন্তান নামের সামাজিক শৃঙ্খলে বাঁধা পড়বে, তার পেছনে শরীরের এই গুপ্তাঙ্গটির আছে বিশেষ ভূমিকা’। সেদিন গ্রীবা তুলে হল প্রত্যুত্তর করেছিল- সে মনে করে, বিবাহ কর্মটি

à¦à§à¦à¦¨ ভার্জিনিয়া উলফ ও ভিটা স্যাকভিল ছবি সোর্স : brainpicking.org ১৯২২ সালে ডিসেম্বরের এক জাঁকজমকপূর্ণ সন্ধ্যায় ভার্জিনিয়া উলফের সাথে ভিটা স্যাকভিল ওয়েস্টের প্রথম দেখা। সেদিনের ডিনার পার্টির হোস্ট ছিলেন ভার্জিনিয়া উলফের দেবর ক্লাইভ বেল। ভার্জিনিয়ার বর লিওনার্দ উলফ ছিলেন তৎকালীন রাজনৈতিক তাত্ত্বিক, চিন্তক এবং লেখক। ভার্জিনিয়া নিজেও বেড়ে উঠেছেন লন্ডনের শিক্ষিত সংস্কৃতিমনা পরিবারে। তার বাবা

লেখক : অনির্বাণ সেক্স শব্দটা শুনলেই আমাদের মাথার ভিতর চলে আসে ১৮+ দৃশ্য। আর আমাদের সমাজে সেক্স শব্দটাই তো ট্যাবু, এখানে এটা উচ্চারণই করা যায় না। অধিকাংশ মানুষ সেক্স এডুকেশন বলতে অশ্লিল শিক্ষা বলে বসবে। অথচ ছোটবেলা থেকেই সেক্স এডুকেশন কতটা গুরুত্বপূর্ণ অন্তত কিছু মানুষ এটাকে অনুধাবন করতে পারে। আপনার যদি সেক্সুয়ালিটি, জেন্ডার, ডিজায়ার সম্পর্কে

লিখেছেন মৃণ্ময় রায় ১.হৃদয় প্রথম খুন টা করেছিলো ২০১৬ সালে।-তখন ও সবেমাত্র অনার্স প্রথম বর্ষে পড়তো।সেপ্টেম্বরের এক সন্ধ্যায় হৃদয় আর অভ্র বসেছিলো পুরান ঢাকার এক বিল্ডিং এর ছাদে।চারদিকে অন্ধকার নেমে গিয়েছিল, মৃদুমন্দ বাতাস বইছিল। আকাশে চাঁদ না থাকলেও আশেপাশের ভবনগুলো থেকে বিচ্ছুরিত বিজলি বাতির আলোয় চারপাশ হালকা আলোকিত। ব্যাথাভরা আলোক দূষণে ভুগছে এই শহর।অভ্র আনমনে

লেখিকা- বারোভাতারি প্রিয় প্রাক্তন, তুমি ঠিক বলেছিলে, সহজে পাওয়া জিনিসের দাম দিইনা আমরা! তাই তুমি নেই বলে আজকে তোমার দামটা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি! তুমি ছিলে বলেই বুঝতে পারিনি কতটা জুড়ে ছিলে, আজকে নেই বলেই তোমার শূন্যস্থান কতটা বড় তা অনূভব করছি প্রতিনিয়ত! হাত বাড়ালে পাই না তোমায় তাই মন বাড়িয়ে ছুঁই ! একটা ভূল

লেখক – পিকু “প্রথমবার এইচআইভি টেস্টের রিপোর্টে যখন নেগেটিভ আসলো,ঘাবড়িয়ে গেলাম! কারণ আমি ভাবতাম, পজিটিভ রেজাল্ট মানেই হয়তো শংঙ্কামুক্ত।”কথা গুলো হচ্ছিলো মংমনসিংহ নিবাসী স্নেহাশিস(ছদ্মনাম) এর সাথে। তিনি আনন্দমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্নাতকে করছেন। তার ভাষ্যমতে,আমি একজন লিঙ্গবৈচিত্র্যময় এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষ। শরীরের তাগিদে আমি অনেক মানুষের সাথে যৌনমেলামেশা কিংবা যৌন সংগমে লিপ্ত থাকি। এক্ষেত্রে যৌনরোগ বিশেষ

Written by nervousprincesstragedy Being LGBTQ+ comes along with its fair share of struggles, irrespective of which part of the globe you live in or how progressive your native country is deemed to be. Although experiences may vary among people, almost everyone who identifies as LGBTQ+ has dealt with a lot of inner-conflict while figuring out