
ঘরের আলো নেভানো, চারিদিকে অন্ধকার। শুধু জানালার ভাঙা অংশ দিয়ে রাস্তার ল্যাম্পপোস্টের আলো সোজা তাহমিদের ঘরে ঢুকেছে। গত রাতের ঝড়ে ভারি কিছু একটা জানালায় উড়ে এসে লাগায়, জানালার গ্লাসটা ভেঙে গেছে। এই মুহূর্তে তাহমিদের এই আলো টুকুও বিরক্ত লাগছে।অফিসে আজ একটু ঝামেলা হয়েছে। বড় স্যারের করতে দেওয়া প্রেজেন্টেশন ঠিক সময় জমা দেওয়া হয়নি তার। বাকি

লিখেছেন- জিবরান আহমেদ সাবিত আজো আমার চোখে সেই গোধূলির রঙ লেগে আছে মনে হয় একটু আগেও পাশে বসেছিলে তুমি অথচ সব মিথ্যে তুমি পাশে নাই তোমার দেখা নাই আমার কি কোথাও যাওয়ার কথা ছিলো? কেন আমি বারবার পুরোনো স্মৃতি মনে করি? আমি ফুল ভালোবাসি আমি পাখি ভালোবাসি আমি মানুষকে ভালোবাসি আরো কি প্রয়োজন আছে কারো

লিখেছেন- জিবরান আহমেদ সাবিত নিসর্গের বিচ্ছিন্নতায় তুমি পথভ্রষ্ট যাযাবরী। বহু বর্ণের কষ্টে তুমি, নিবদ্ধ গরবিনী। বহু অবিশ্বাস তোমার দেহে অর্কিডের বসবাস। মহিমায় প্রলুব্ধ তোমার অবসন্ন নিশ্বাস। নিষিদ্ধ বাসরে নিবদ্ধ তুমি প্রতি চন্দ্র রাতে আক্ষেপবিহীন চোখ তোমার নিমগ্ন অন্য ঘরে। আত্ননির্বাসিত তোমার কামকুপিতা স্বেচ্ছা নির্বাচিত রঙ্গের সমুদ্রে উষ্ণ কামনিশ্বাস তোমার শ্বাসরুদ্ধ নিভন্ত। বিধ্বস্ত অপবাদ নিয়ে তুমি

লিখেছেন– জিবরান আহমেদ সাবিত এই যে যারা জগৎ ছেড়ে দু’দিন আগে গেল চলে তাদের সাথে কি দেখা হবে পরকালের কোন বিকালে? পরকালটা কি সত্যি হবে পরকালটা যদি সত্যি হয় পরকালটা কবে হবে? ঈস্রাফিল তার শিঙা হাতে আর কতটা দিন রইবে বসে, এই পৃথিবীর সকল মানুষ সবাই যদি ভালোবাসে এই পৃথিবীটাই কি স্বর্গ হতো না। এই

আমাদের বন্ধুত্বটা আর সবার মত না। একটু, না না, একটু বেশিই অন্যরকম। রিশাদের সাথে আমার বন্ধুত্ব ক্লাস থ্রি থেকে। ছোটবেলাকার বন্ধুত্বগুলো যেমন হয় আর কি! ক্লাসে পাশাপাশি বসা থেকে শুরু, তারপর হোম ওয়ার্ক আর টিফিন শেয়ার করার মাধ্যমে বন্ধুত্বটাকে পূর্ণতা প্রদান। ভালোই চলছিল আমাদের শৈশবের দিনগুলি। কিন্তু মাঝে বাগড়া বসালো আমার মা। অভিযোগ, রিশাদ খারাপ

লিখেছেনঃ শব্দকর তোমার জন্য আটপৌরে খুনসুটি লিখি নি, তোমাকে নিয়ে জোড়া কাগজ ঘুড়িও হতে চাই নি। খুঁজিনি তোমার সাথে সবচেয়ে কোণের টেবিল, বেয়ারাকে বলিনি, সরিয়ে নাও দুটো বাদে সব কটা চেয়ার। লুকিয়ে হয়তো চুল ছুঁয়েছি দু এক বার। আমি পিপাসায় ঢকঢক করে জল খেয়ে তোমার আঁচলে কখনো চিবুক মুছিনি। আমি পলক ফেলতে ভুলেছি, অথবা ফেলিনি

তখন বাজে দুপুর ২টা, প্লেটে ভাত নিয়ে বসেছিলাম। খেতে একদমই ইচ্ছে করছিল না কারণ সকাল থেকে মন মেজাজ অনেক খারাপ। কারন আর কিছুই নয়, সারাদিন তুর্যর কোন খোঁজ খবর ছিল না। ওর সাথে অনলাইনে সময় কাটানো আমার জন্য ছিল সারাদিনের বিশেষ একটা কাজ। ফেসবুক জিনিসটার প্রতি হয়তো এই কারনেই অনেক নেশা বেড়ে গিয়েছিলো। মনের মধ্যে

লিখেছেনঃ আ.আ আমারে দয়া করে রিকোয়েস্ট কইরেন না। আবার কিছু জিগায়েনও না। আবার গায়ে পইড়া উপদেশ দিতে আইসেন না। আমি আসলেই সব ছাইড়া দিসি। এখন কিছুই করি না, কিছুই পারি না। আমি কাউরে কিছু বলতেও যাই না, কারোর কাছে কিছু শুনতেও যাই না। কি না করে কি করতে পারতাম, কি করা উচিত-অনুচিত কেন আমার জীবনে

উৎসারিত আলো মনে করুন আপনি একদিন আলাদীনের চেরাগের মত আশ্চর্য কিছু পেয়ে গেলেন। আজ আমরা এই নিয়েই কথা বলবো। আপনাকে যদি কোনো একটি অতিপ্রাকৃত শক্তি বেছে নিতে বলা হয়, আপনি কোনটি বেছে নেবেন? অসীম শক্তির অধিকারী? ক্ষিপ্র গতি? এক্স-রে’র মতো মর্মভেদী দৃষ্টি? নাকি আপনি ওড়ার ক্ষমতা চাইবেন? টাইম মেশিনের মতো অতীত-ভবিষ্যতে ঘুরে বেড়ানোর ক্ষমতা? নাকি

Written by: Buttertoes It is funny how memories can play a trick on you. And it is only when you turn the pages of the past that you see the emotions and feelings that you have suppressed over the years thinking that it will allow you to live in peace. The first time I fell