
কবিঃ মৃত্তিকা রাই আমি খোলস ছাড়াতে পারিনি।বস্ত্রহীন শিশুর গতরে শীত বস্ত্র দেইনি।অবোধ শিশুর মুখে দুধ দিতে পারিনি।আমি জেগে জেগে ঘুমাই।আমি সত্য বলায় ঝিমাই।পাসের বাসার কাকিমা খেয়েছে কিনা,আমি খোঁজ নিতে পারিনি।আমি নিত্য আমার বিবেক বিকাই,মানবতার পাল্লায় কিছু মাপিনি।আমার গতরে দামী কাপড়,শাড়ি, গহনা ভরি ভরি।নিজ বাসায় কাজের খালার,জামা কিনে দেইনি। আমি বন্ধি, ঘুনে ধরা সভ্যতায়।আপন মূল্যবোধ করছি

লেখকঃ সাবিল আহমেদ ভার্সিটি লাইফে একবার ক্লাসের রোমান্টিক বয় এর খেতাব পেয়েছিলাম এক বান্ধবীর কাছ থেকে তাও আবার স্যারের প্রশ্নের উত্তরে বলেছিলো সে।তো আজ সেই কথার প্রেক্ষিতেই এক ঘটনা ঘটলো। এই রোমান্টিক বয় নামটা দুই একজন বন্ধু বা ব্যাচমেট(ছেলে) দেখা হলেই ডাকে। আমার আরেকটা ব্যাচমেট( ছেলে) বিগত কিছুদিন আমার সাথে দেখা হলেই জড়িয়ে ধরে গলায়

কবিঃ মৃত্তিকা রাই আমার আমিত্ব শহরে নিস্তব্ধ, চারিদিকে নেই কোনো হৈচৈ। হেঁটে চলেছি রক্তমাখা পথ বেয়ে, গন্তব্যে আমি যাবোই। ফেরাতে তুমি এসো না বন্ধু, মুক্তির স্বাদ আমি নেবোই। আঁধারের খোলস ছাড়াতে, তোমার মাঝে বারবার আমি ফিরবোই। আমার আমিত্ব শহরে উত্তাল ঢেউ, আর থাকে গা ভাসানো স্রোত। আমায় করে ক্ষতবিক্ষত, হচ্ছি যতই উল্টো দিকে ব্রত। উদাস

“ইতি, রূপবান” এখন আমাদের কমিউনিটির মাঝে। খুশির ব্যাপার যে আমরা আরেকটা বইয়ে নিজেদের অব্যক্ত কথা বলতে পারলাম। যেহেতু আমি এই প্রজেক্টের সাথে জড়িত ছিলাম, তাই আমি নিজেকে প্রশ্ন করছি (প্রথমবার নয়), এই বই কার জন্য, কি জন্য? বইটার সম্পাদকীয়তে বলা আছে বইটা লেখার “মূল উদ্দেশ্য, আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া দুজন সহযোদ্ধার সর্বশেষ অসমাপ্ত কাজকে

কবিঃ মৃত্তিকা রাই একটা পরিচয় খুঁজে ফিরি, প্রতি নিয়ত প্রতি বারই।বছর বছর তারে পূজি, আমি রুপান্তরকামী নারী।আমার কি পরিচয়, সেটা তুমি দেবে কেন?প্রথমত আমি সাধারন মানুষ, এটা কি তুমি মানো? ছোট্ট খুকির পুতুল খেলায়, এখনো মত্ত হই।একদিন তারে গর্ভ ধরে, জয়ী আমি হবোই।এখানে ওখানে ঘুরি ফিরি, আমি বন্ধু মানুষ।পরিচয় চাই মনুষ্যত্বের, হতে চাই না ফানুস।

লেখকঃ আফনান সালসাবিল চাঁদটা আজকে একদম পূর্ন ভাবে উদায় হয়ে পূর্ন জোসনাদিচ্ছে।এখন হয়ত নদীতে ভরা জোয়ার।পূর্নিমাতে শরীরেএকটা প্রেম প্রেম ভাব বেশি কাজ করে।অথচ ব্যস্ততা সঞ্জকেএমন প্রকৃতি সুখ উপভোগের সময়ই দেয় না।সারাদিন এত এত কাজআবার দিন শেষে নিজে ঘন্টার পর ঘন্টা পড়ে ক্লাশের পড়া শেষকরো আর হ্যাঁ সাথেত শেখরের খবর নিতেই হয়।সঞ্জয় তার এতএত চাপের কথা

কবিঃ গোধূলির আবির হারিয়েছি আমি ভাবনার সমুদ্রজলেযেখানে তোমার চোখের পাতা ভালবাসার কথা বলে ।আমি আকাশপানে আপন প্রাণে ছুটেছি বাঁধনহারাআকাশ তবু ছুতে পারিনি, পারিনি তোমায় ছাড়া ।বাতাসে তোমার নিবিড় ছোঁয়া পরশ বুলায় আমায়হারাবো আমি তোমার মাঝে, কে আজ আমায় থামায় ?তোমার মাঝেই নামবো আমি, ভাসবো তোমার মাঝেনও কি নদী? নও কি সাগর? ভাবছি সকাল সাঝে ।ভাবছি

কবিঃ মৃত্তিকা রাই তর সইছে না যে পরানে,তোমায় ছাড়া থাকিবো আমি কেমনে।কোথায় খুঁজবো তোমায়?স্বপ্ন দেখি আমি ধুপ ছায়ায়।কবে আসবে তুমি আমার শিয়রে।দেখবো তোমায় আমি নয়ন ভরে। এসো! একটু ছুঁয়ে দাও।মনের খাঁচা ভেঙ্গে, একটু মুক্তি দাও।থামিয়ে দাও আমার, গন্তব্যহীন পথচলা।পরশ বুলিয়ে দাও, একটু শীতলতা। ওহে! শুনছো কি তুমি?ওগো! দেখছো কি তুমি?মনটা দেখো, তোমার মনের আয়না দিয়ে।আমার

কবিঃ-মৃত্তিকা রাই এসো প্রিয় এসো!আমার মেঘ ভেলাতে এসো!চেয়ে আছি তোমার পানে।মিলবো কবে যোগ আসনে।দেহের এ বিষ খসাতে তুমি,ওঝা হয়ে এসো।এসো প্রিয় এসো!নষ্টা করতে এসো। চলো মেঘেদের দেশে যাই।চলো নিজেদের ভিতর হারাই।রংধনুর সিঁড়ি বেয়ে,আপন স্বর্গ রাজ্যে চলে যাই।গভীর আনন্দ যোগে,চাইবে তুমি আমায়। বলবে ডেকে,এসো হে প্রিয়!এসো নষ্টামীর গোড়ায়।কর্ণিসে চুমু খেয়ে,পুঁজিবো তোমার পায়।শিউরে শিউরে মিলে যাবো,যৌবন আনন্দের

মৃত্তিকা রাই আমার সম্পর্কে কথা আমার নাম *** **। *** **আমার জাতীয় পরিচয়পত্রের নাম, যেটা আমার মা-বাবা রেখেছেন। এছাড়া আমার তিনটা পছন্দের নাম রয়েছে, ১. মৃত্তিকা রাই ২. Mary Throne ৩. Cocos nusifera (Cocos nusifera – এটি নারকেল এর বৈজ্ঞানিক নাম) তিনটিই আমার আদুরে নাম। নামগুলো আমার খুব বেশি পছন্দের এবং আমার এই নামগুলো আমি