
কবিঃ মৃত্তিকা রাই ঘোড়ারা সব হাঁটছে !মানুষ গুলো নাচছে !চালক মশাই দড়ি বেঁধে,লাগাম ধরে টানছে।দড়ির মাথায় লোহা বেঁধে,চপাৎ চপাৎ মারছে। আওয়াজ ছাড়াই চোখের জল,গড়িয়ে গড়িয়ে পড়ছে।শরির ভাঙ্গিয়ে, গতর খাটিয়ে,আহার রুজি করছে। নেই হরতাল, নেই অনসন,আমি সত্য দেখেছি ভাই।চালকের বিপরীতে,যাদের কোনো মানববন্ধন নাই। যুগ যুগ ধরে সব সয়ে যায়,মুখ বুজে থাকে সবসময়।বিলায় সর্বোস্ব পূণ্য ভেবে,নষ্টদের প্রতি

কবিঃ মৃত্তিকা রাই সভ্য জাতি অসভ্য হয়,বিবেকহীন হয়ে।অসভ্য সভ্য হয়,বিবেক বোধ নিয়ে। সভ্য জাতি বিবেক বোধকরিয়া যতন।অসভ্যকে গলা কেটে,করে তার পতন। সভ্যতার বিবেক দিয়ে,করে যে বিচার।সফলতার সিঁড়ি বেয়ে,ওঠে তার আচার। সভ্যতার বিরাট,ভরা মজমায়।অসভ্যকে নেংটো করলে,লজ্জা হবে কি তাই? তাহলে ভাই, চিন্তা করো।ধর্মের চেয়ে, বিবেক বড়। ০৮/১২/২০১৯ ইংরেজি লেখক মৃত্তিকা রাই সম্পর্কে কিছু কথা- উনি একজন

কবিঃ মৃত্তিকা রাই আমারো ইচ্ছে করে লাল টুকটুক,হতে ডানা কাটা পরী।ঠোঁটে মাখায়ে কড়া লিপস্টিক,হাতে লাল কাচের চুড়ি।পায়ে থাকবে লাল আলতা,সাথে ঝুমকো নূপুর পরে।মাজায় থাকবে মাটির কলসি,যাবো পুকুর পাড়ে। আমারো ইচ্ছে করে,বরের জন্য সাজবো বধূ সাজ।আদর দিয়ে সোহাগ দিয়ে,ভাঙ্গাবে আমার লাজ।মন চায় বেনারসী শাড়ি পরে,হাঁটবো গাঁয়ে গাঁয়ে।বিকেল বেলা ঘুরে বেড়াবো,উঠবো ডিঙ্গি নায়ে। আমারো তো ইচ্ছে করে,কারো

কবিঃ মৃত্তিকা রাই আমি ফুলের গভীরে যেতে চাই।পরাগরেণুর খুব কাছাকাছি হতে চাই।আমি লিখতে চাই, আমার মতোন করে।যে লেখা পড়ে তুমি, পাবে তৃপ্তি খুব ভোরে।আমি লেখায় খুশবু মাখাতে চাই।ঘ্রাণে ঘ্রাণে হারিয়ে যাবে চেনা অচেনায়।আমি কখনো চাই ফুলের পাপড়ি হতে।মনের অজান্তেই চুমু খাবে তুমি সিক্ত হাতে।আমি কখনো চাই মহা সমুদ্রের স্রোত হতে।ঢেউয়ের খেলায় ভাসবো দিক হতে দিগন্তে।আমি

কবিঃ মৃত্তিকা রাই আলো শক্তি।আলো মানে মুক্তি।আলো মানে ছাড়িয়ে যাবার অঙ্গীকার।আলো মানে প্রথম, আলো অহংকার।আলো গৌরব, আলো উজ্জ্বল।আলো স্বাধীন, আলো প্রগতি, আলো চঞ্চল।আলো অবিচল, আলো প্রবল।আলো সুন্দর, আলো সবল। আলো প্রয়োজনে শীতল, আবার কখনো উত্তপ্ত।আলো মানে আঁধার থেকে মুক্ত।আলো মানে নতুন করে পথচলা।আলো মানে আপন গন্তব্য না ভোলা। আলো মানে মনের মাঝে,বার বার সূর্যোদয় হওয়া।আলো

কবিঃ মৃত্তিকা রাই জন্ম আমার ভবের দেশে,তাই ঘোর চক্র মোর কর্ম খেলে।দেখবি যদি দেখ কিছু তোর,তৃতীয় অন্তর চক্ষু মেলে। চোখের পর্দায় দিয়েছে মুরু,দাম্ভিকতায় সেইতো গুরু।শেষ হয়েছে যেখানে তার,মানবতা তাতে করেছে শুরু। আবার নষ্টের গোড়া বিজ্ঞ লোকে,কর্ম দোষে কয় রাম-রাম।তারাই দেয় উপদেশ জানি,সঠিক করেছে কোন সে কাম? দূরে থাক সব আইন কানুন,এসব জানি তা মানি না।ধান্দার

আমার মানুষ নামের পরিচয় প্রথমতো আমি মানুষ। আমি নিজেকে নিয়ে এই পরিচয় দিতে এবং মানুষ সমাজে এই পরিচয়ে বাঁচতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করি। একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে, নিজেকে নিয়ে গর্ববোধ করি যদিও কিন্তু এখনো পরিপূর্ণ মানুষ হবার চেষ্টায় আছি। আমি মনে করি, আমারা সবাই প্রাকৃতিক এবং প্রকৃতির একটা অংশ মাত্র। আমরা নিজেরাই নিজেদের নাম দিয়েছি মানুষ।

ফ্লিন রাইডার রাজশাহীর গ্রামের এক সমকামির আত্তপ্রকাশ ও নির্যাতনের পর গ্রামছাড়া সমকামিতাকে ঘিরে এখন অনিশ্চিত জীবনযাপন করছি।না পারিবারিক না রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি আছে। তার চেয়ে বেশি অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি, পরিবারের অত্যাচারে।দিন, রাত যুদ্ধ করে চলেছি বেঁচে থাকার জন্য।কিন্তু এখন আর এসব সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারছি না।হয়ত অদূরভবিষ্যতে কিছু একটা করে ফেলবো…….বেঁচে থেকেই নরক বাস করছি। উপরের

ফ্লিন রাইডার নাটকে আমাদের রিপ্রেজেন্টেশনের একটি আলোচনা। থার্ড জেন্ডারের সিরিজের ২য় নাটক, ১মটি ব্যাপক হিট হওয়াতে ২য় নাটক বের করেছে স্টার ডিরেক্টর বান্নাহ। ১ দিনে যে পরিমাণ ভিউ এটাও হিট হবার পথে।ফারহান, শাওনের মত স্টার কাস্ট সহ আরো অনেক অভিনেতা, মারাত্তক অভিনয় করেছে, মারাত্তক ডায়ালগ, গল্প সুন্দর যেখানে অনেক সুন্দর করে সমস্যা গুলি দেখিয়েছে। দর্শক

লেখকঃ অরিত্র হোসেন লেখালেখিতে এমন কোন শক্ত অবস্থানে পৌছাইনি যে দাবি করবো আমার লেখাটা যেখানেই দেই না কেন ছাপা হয়! চেষ্টাও কম করিনি, বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লেখা দিয়েছি। লাভ কিছুই হয়নি। একটাও ছাপা হয়নি। আশাহত হইনি, হয়ত একদিন ছাপা হবে! পত্রপত্রিকায় লেখালেখি ছাপা হয়নি তো কি হয়েছে? ফেসবুকে লেখালেখিতে সবার রেসপন্স ভালোই পেয়েছি। তাই ফুলে ফেপে