
Written by Saad Khan In 2011, a cover story titled Introduction to women, gender and sexuality studies appeared in a youth magazine of the largest English daily in Bangladesh. The author had just returned to Bangladesh after an exchange program in the US, funded by the State Department, and joined a newspaper to work as a journalist.

লেখকঃ Living Large in the Boxes “এটাই কি তাহলে বাংলাদেশ? এর ভবিষ্যৎ কি হবে? নাউজুবিল্লাহ! দেশটা এতোটা নিচে নেমে গেলে কেমনে কি? আগামীতে আপনার ছেলে মেয়েরাও যে এদের দারা প্রভাবিত হবেনা তার কি নিশ্চয়তা আছে? তোরা কেন এমন করিস? বে অব বেঙ্গল কে ডেড সি বানাবি আল্লাহ তুমি কি আছ? এদের সবাইকে ধরে লিঙ্গ কর্তণ করে হিজড়া বানিয়ে হাতে চুড়ি পরিয়ে গলায় ঢোলবেধে শাহাবাগে বসিয়ে জুতা পিটা করতে হবে, এরাই এদেশের আবহমান আমাদের বাঙালী সংস্কৃতিকে পশ্চিমা সংস্কৃতিতে রূপান্তরিত করতে চায়। এদেরকে এখনি প্রতিহত করতে হবে। গে কুত্তাদের যেখানে পাওয়া যাবে সেখানেই জুতা পেটা করতে হবে। কয়েকদিন আগেই একটাকে রামধোলাই দিয়েছিলাম। একটা বেটা কুকুর ও তো অন্য একটা বেটা কুকুরের সাথে শারীরিক ভাবে মিলিত হয়না। হাত পা বেধে এদের ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া দরকার। পাবলিক কি খালি পায়ে ছিল? কারো পায়ে জুতা বা সেন্ডেল ছিল না? কুকুরগুলোর চেহারা দেখে রাখতে পারলে ভাল হতো। ওখানে যারা ছিলো, ছেলেরা জারজ, আর বেহায়া মাইয়া গুলি বেশ্যা, এদের উপর আল্লার গজব পড়া উচিৎ, দেশটাকে নোংড়া করে ফেলল। এইসব লিঙ্গ প্রতিবন্ধীদের কি কমু, বাইঞ্চোদ সব। খানকির পুতের দেশে মাগির পুতের বসবাস। মুসলমানদের মাটিতে ওরা এত সাহস পায় কিভাবে? কুত্তাগুলারে ব্রাশ ফায়ার করে আগুনে পুড়িয়ে মারা উচিত। আল্লাহ তুমি এদের ধ্বংস কর। আমিন।।” পহেলা বৈশাখে কিছু মানুষ একটা র্যালি করেছে। বৈচিত্র্য উদযাপনের জন্য ষড়ঋতুর ছয়টি রং ব্যবহার করা হয়েছে। এতেই অনলাইন পত্রিকাগুলোর মন্তব্যে সবার যে মনোভাব আর ঘৃণা দেখছি তাতে মনেহচ্ছে অশ্লীল কথাবার্তার মাধ্যমে নিজেদের ঘৃণা জাহির করতে পারাটাই আমাদের বাঙালি সংস্কৃতির অনেক বড় একটা মূল্যবোধ। তাই সবাই গালি দিয়ে

লেখকঃ সাখাওয়াত হোসেন রাজীব প্রয়াত লেখক হুমায়ূন আহমেদের ঘেটুপুত্র কমলা ছবিটিতে বিত্তবান জমিদার যখন দরিদ্র ঘেটুপুত্র কমলাকে তার কক্ষে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয় এবং কিছুক্ষণ পরেই কমলার ‘মা’ বলে আর্তচিৎকার শোনা যায়, তখন শুনেছিলাম হলভর্তি দর্শককেও ঘৃণা আর লজ্জায় ফিসফাস করে উঠতে। এই গুঞ্জন পরে কলরব হয়ে ছড়িয়ে পড়েছিল মূলধারার বিতর্কে । আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছিল ছবির মূল

Father Figure: A Story of A Gay BoyAuthor: John Ashley Moon (Pen Name) Once upon a time, there was a gay boy in Bangladesh named John. John was only 16 years old when he fell in love with his cousin Tito. This was unrequited love. He didn’t know what love was actually as he was

লেখকঃ গেব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ রূপান্তরঃ মে হাসান দ্বীপটিতে সে ফেরে ১৬ আগস্ট শুক্রবার, বেলা দুটোর ফেরিতে। তার পরনে স্কটিশ চেকের শার্ট, জিন্সের প্যান্ট, সাধারণ জুতা, মোজাহীন পা, মাথায় স্যাটিনের হ্যাট আর মালপত্র বলতে শুধু সমুদ্র সৈকতে নেওয়ার মত একটা ছোট ব্যাগ। ফেরিঘাটে দাঁড়ানো সারিবদ্ধ ট্যাক্সির মধ্যে সে সোজা পুরোনো মডেলের নোনা হাওয়ায় ক্ষয়ে যাওয়া একটা ট্যাক্সিতে

ফ্লিন রাইডার যখন আপনি নিশ্চিত যে, মেয়েদের প্রতি কাম উত্তেজনা জাগার সক্ষমতা আপনার নেই, তখন কেন প্রেমিক রুপে মানসিক ভাবে মিশবার অক্ষমতা লুকিয়ে তাকে চিরজীবন সঙ্গী হবার ও কাম-যৌনতা মেটানোর ভ্রান্ত প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিয়ে করবেন? !! এরপরে প্রেম দিতে পারবেন না ,কাম-যৌনতা মেটাতে পারবেন না, পরিশেষে না পেরে তার সাথে প্রতারনা করেন পরকীয়া করবেন আরেকটা

Dear Xulhaz, It’s four years after your murder and I miss you. The world changed after I heard the news. I didn’t want to live in a world where people could commit such a brutal act of hate against one of the most gentle and loving people I knew .I felt shocked and numb. I

লেখকঃ তারাশঙ্কর ১) কলেজের গেট থেকে বেরিয়ে হাতের বাঁয়ে একটু এগুলেই একটা সরু গলি। গলির মুখেই এনায়েত মামার জমজমাট চায়ের দোকান। অবশ্য নিহানদের দলটা এখানে আসে ঠিক চা খাবার জন্য নয়, চায়ের চাইতে বরং টা-এর দিকেই ওদের ঝোঁকটা বেশি। আশেপাশে আরো বেশ কিছু জায়গা থাকলেও এটা ওদের পছন্দের জায়গা, কারণ দোকানের পেছনে খানিকটা জায়গা আছে,

কবিঃ শুভ্র নিষাদ রাজ মহল থেকে টেকনাফের দিকে পালাচ্ছেন শাহজাহান পুত্র মোঘল শাহজাদা শাহ সুজা, পিছনে ছুটছেন তার উভকামি প্রেমিক। এখানেই কবিতার শুরু … দিল্লীর মসনদে আজ রোশনাই ময়ূর সিংহাসনে আসীন আওরঙ্গজেব। তিমির রাত্রি,দুর্গম পথ আকাশে নেই চাঁদ মোঘলজাদা পথ চলছে অজানা সে পথ , অচেনা সব পথের সাথী। পিছনে ছুটছে প্রেম কাতর কলমচি। দুজনের

লেখকঃ নিরালোকে দিব্যরথ খণ্ড : ১ পর্ব ১ ১১/৫/১৭, সকাল ১১:২০টা স্যা হাই টু ইউর নিউ ফেসবুক ফ্রেন্ড নীরদ। ১১/৫/১৭, রাত ৮:২০টা নীরদ : হাই। আর ইউ ফ্রম চিটাগং? নীনা : ইয়েস। নীরদ : সেইম হেয়ার। নাম কি নীনা? অদ্ভুত সুন্দর নাম। নীনা : তাই! আই থিংক সেইম গোস টু ইউর নেইম টু। ১১/৬/১৭, বিকেল