
সমপ্রেম সম্পর্কে কম-বেশি আমাদের সবার মাঝেই বেশ কিছু ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে, যা প্রায়ই বিভিন্ন বিভ্রান্তির জন্ম দেয়। তাই এই সম্পর্কে প্রচ্ছন্ন ধারনা পেতে প্রথমেই আমাদের বুঝতে হবে সমপ্রেম কি? সহজ কথায়, সমলিঙ্গের প্রতি অর্থাৎ পুরুষের প্রতি পুরুষের এবং নারীর প্রতি নারীর শারীরিক ও মানসিক আকর্ষণ বোধ করাকেই সমপ্রেম বলে। কেউ কেউ এটাকে প্রকৃতি বিরুদ্ধ আচরণ

সেই ছোট্টবেলায় যখন প্রথম ‘খেলনা’ জিনিসটার সম্পর্কে ধারণা হয়, তখন থেকেই কেন যেন আমার জন্মগত লিঙ্গ পরিচয়ের সঙ্গে মিল রেখে পুতুল কিংবা হাড়ি-পাতিলের দিকে আমার দৃষ্টি যায়নি! সব ধরনের খেলনা গাড়ি আর পিস্তল-ই ছিল আমার আকর্ষণের কেন্দ্রস্থল। আজ এত বছর পরে এসেও সেই আকর্ষণের কোন পরিবর্তন হয়নি, সেই গাড়ি গাড়িই আছে সেই পিস্তল পিস্তলই আছে!
প্রিয় হৃদয়পহর্তা ভাল আছ আশা করি। অনেক দিন দেখিনি তোমাকে, তারপরেও তোমাকে ভুলতে পারিনি। পারিনি এখনো তোমার চেহারা হৃদয় থেকে মুছতে। হয়ত সে কারনেই তোমার নাম আমি দিয়েছি “হৃদয়পহর্তা”। মনে আছে এখনো সেই দিন যেদিন প্রথম তোমাকে দেখে মনে শিহরন জেগেছিল। সেই বিদ্যুতের ঝলকানি কিভাবে ভুলতে পারি আমি যা আমার হৃদয়ের মধ্যে বয়ে গিয়েছিল যখন

‘ফোবিয়া’ শব্দটার সাথে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। এর অনেক রকম মানে হতে পারে- বিতৃষ্ণা, বিদ্বেষ, ঘৃণা, আতঙ্ক এবং এরকম আরও অনেক কিছু। সমার্থক শব্দ যতই থাকুক না কেন সব ধরণের ফোবিয়ার অর্থ কিন্তু একটাই, সেটা হলো ভয়, নির্দিষ্ট কোন কিছুর প্রতি ভীতি। খেয়াল করলে দেখতে পাবেন, আজকাল আমরা একটা শব্দ প্রায়ই শুনতে পাই, সেটা হলো

লেখকঃ অরণ্য রাত্রি আকাশ মেঘলা। ঝুম বৃষ্টি নামবে বুঝাই যাচ্ছে। রবিন বাসে। গন্তব্য গুলশান। গুলশান পৌঁছানোর আগে বৃষ্টি নামবে কিনা সেই চিন্তা করছে রবিন। আজকের ডেট টা সে অনেক কষ্টে পেয়েছে। সোহেল ভাই খুব ভাল মত বলেছে যে আজকের কাস্টমর প্রচুর ক্ষমতাবান এবং ধনী। সে খুশি হলে ভবিষ্যতে অনেক কাস্টমার পাওয়া যাবে। রবিন উত্তেজিত। আজকে
প্রিয় সরল বালক আমি জানি ক্ষমা চেয়ে নিলেই সব কিছু ঠিক হয়ে যায় না তবু ও ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি তোমার কাছ থেকে তোমার প্রতি যে অন্যায় আমি করেছি তার জন্য। তোমাকে যে কষ্ট আমি দিয়েছি তা কখনই ক্ষমার যোগ্য না তাও আমি তোমার ক্ষমার আশা করি। একটি সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর যে সম্পর্কটার প্রতি নিবেদিত
প্রিয় প্রাক্তন কেমন আছ। আশা করি ভাল আছ। তুমি জান, কয়েকদিন আগে আমার বন্ধুরা আমাকে একটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেছিল যার উত্তর আমি জানিনা। প্রশ্নটি তেমন কঠিন কিছু ছিলনা কিন্তু প্রশ্নটির উত্তর নির্ভর করে তোমার উপর। প্রশ্নটি ছিল আমি কেমন আছি। এখন হয়তোবা বুঝতেই পারছ কেন প্রশ্নটির উত্তর তোমার উপর নির্ভর করে। বিশ্বাস করো, আমি চাই
লেখকঃ আবিআ তোমার সাথে আমার প্রথম বাসে দেখা হবে। প্রায় সবসময়ের মত জায়গা না পেয়ে আমি দাঁড়িয়ে থাকবো। সবসময়ের মত মনে মনে রুদ্রের কবিতার কথা ভাববো। ঠিক তখনই তুমি পিছন থেকে এসে আমার হাতের উপর তোমার হাত রাখবে। সেই সময় তুমি আমার বুকে হাত দিবে আর আস্তে করে ‘বেশ্যা’ বলবে। আনমনা থাকবো বলে আমি প্রথমে
লেখকঃ মারুফ তখন আমি অনেক ছোট। বয়স সবে মাত্র দশ-বারো বা তার বেশি হবে। তাই স্বাভাবিকভাবেই আমি ও আমার বন্ধুদের শারীরিক ও মানসিক অনেক পরিবর্তন আসা শুরু করলো। সেক্স নিয়েও কৌতুহল শুরু হল। কি এটা? কিভাবে করতে হয়? মাঝে মাঝে রাতে যে স্বপ্নদোষের ফলে বীর্যপাত হয় সেটা কি কাজে লাগে? সিমেন নির্গত হওয়ার পর শরীরটা
লেখকঃ শুভ্র ভাই সদ্য ঘুম ভাঙা চোখ মেললো তপু। তাকে ঘুম থেকে জাগতে দেখে পাশে এসে বসেছে হৃদয়। তপুর খোঁচা খোঁচা দাঁড়িতে গালে হাত বুলিয়ে বললো ঘুম কেমন হলো বাবুটা? তপু ঠোঁটের কোণে দুষ্টুমির হাসি ফুটিয়ে বলে ঘুমুতে আর দিলে কোথায়! সারা রাত তো খোঁচাখুঁচি করলে। বয়স যত বাড়ছে ততই বাড়ছে তোমার পাগলামী। হৃদয় ঝুঁকে