
লেখক : নীলাম্বর নীল আজ বিশ্ব এইডস দিবসআজ এই বিশেষ দিনটি উপলক্ষে আপনাদের সকলের সামনে আমি সৌরভ আমার যতটুকু জ্ঞান তা তুলে ধরার এই সামান্য প্রয়াস নিয়েই লিখতে বসা।দয়া করে আমার ভুলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আচ্ছা কি দিয়ে শুরু করা যায় বলুন তো?আজ এই একবিংশ শতাব্দীতে আমাদের অজানা তথ্য খুবই কম।মোটামুটি কম বেশি আমরা সবাই
লেখক :- অনির্বাণ অহদেম “সত্তা চিরন্তন,প্রাণের সম্পদগুলিকে সংরক্ষিত রাখার নিয়মাবলী আছে।সে নিয়ামাবলী মহাবিশ্বের সৌন্দর্যের উৎস।” ——গ্যেটে ১)যদি বলি প্রকৃতিতে মরণশীল প্রাণীর চাইতে অমর প্রাণীর সংখ্যা বেশি কিংবা প্রকৃতিতে অমরত্বই স্বাভাবিক মরণশীলতাই বরং অস্বাভাবি। তাহলে কি খুব ভূল হবে? কোন প্রানী আজীবন জীবিত থাকে না? আসলেই কী তায়! এক অর্থে হাইড্রা, অ্যামিবা এরা চিরকালই বেঁচে থাকে।
লেখক :- অনির্বাণ অহদেম ‘নিউক্লিয়ার ফিজিক্স’ বা পারমানবিক কেন্দ্রকবিদ্যা সূচনাটা হয়েছিলো পরমানুর ইলেক্ট্রন আবিষ্কারের সাথে সাথেই। তবে পদার্থবিদ্যার অন্যতম শাখা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয় দুইটি যুগান্তকারী আবিষ্কারের পথ ধরে। প্রথমটি হচ্ছে ‘তেজষ্ক্রিয় পদার্থ’ বা ইউরেনিয়াম, রেডিয়াম ইত্যাদি পদার্থ আবিষ্কার। আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে বিজ্ঞানী রাদাফোর্ডের পরমাণুর কেন্দ্র বা নিউক্লিয়াস আবিষ্কার। বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল ১৮৯৬ সালে সর্বপ্রথম তেজস্ক্রিয়তা
লেখক :- অনির্বাণ অহদেম SETI (the search for extraterrestrial intelligence) মহাবিশ্বের অন্য জায়গায় বুদ্ধিমান জীবন আবিষ্কারের একটি বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টা, এই প্রতিষ্ঠানের প্রাথমিক কাজ মাইক্রোওয়েভ রশ্মি ব্যাবহার করে ভিনগ্রহে প্রাণের উপস্থিতি নির্ণয় করা। SETI এর প্রথম প্রকল্প হচ্ছে ‘ওজমা প্রজেক্ট’। ১৯৬০ সালে জ্যোতির্নিজ্ঞানী ফ্রাংক ড্রেক “এপসাইলন ইরিডিন” এবং “টাউসেটি” নামক দুটো তারাকে লক্ষবস্তু করেন। এই দুইটি
লেখক :- অনির্বাণ অহমেদ প্রসারণ মহাবিশ্ব সম্পর্কে ফ্রিডম্যানের মডেল থেকে সম্ভাব্য তিনটি সমাধান পাওয়া যায়। তার মধ্যে দ্বিতীয় সম্ভাব্য মডেলটি হচ্ছে “যদি গড় ঘনত্ব সঙ্কট মানের চেয়ে কম হয়, তাহলে প্রসারণ বন্ধ করার মতো যথেষ্ট মহাকর্ষীয় আকর্ষন থাকবে না। ফলে মহাবিশ্ব চিরোকাল প্রসারিত হতে থাকবে। এখন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানেন যে প্রতি মিলিয় বছরে মহাবিশ্ব ৫ থেকে

লেখক :- অনির্বাণ অহমেদ বায়োলজিক্যালি আদর্শ মেল বা ফিমেল বলে কিছু নেই অর্থাৎ আমরা কেউই ১০০% নারী কিংবা পুরুষ নই। আমাদের সুবিধার জন্য আমরা ক্লাসিফিকেশন করি মেল,ফিমেল বা কখনো কখনো কমনজেন্ডার। আমরা কেবলই একটা স্পেক্টার্মের কোন এক জায়গায় অবস্থান করছি। তবে আমাদের অবস্থানটা কোথায় সেটা আমরা জানিনা।যৌন অভিমুখিতার ক্ষেত্রেও একই রকম কেউই শতভাগ সমকামী বা

লেখক : অনির্বাণ আহমেদ কিছু সমকাম বিরোধী প্রগতিশীল আছে যাদের যুক্তি সমকামিতাকে বিবর্তন সমর্থন করে না, তায় সমকামিতার কোন বিবর্তনীয় কারণ নেই এটা প্রকৃতি বিরুদ্ধ মানসিক রোগ, রুচীর বিকৃতি। আর সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মান্ধের দেশের শিক্ষিত মানুষরা তো বিবর্তনকেই মানেই না,সেখানে বিবর্তনের দৃষ্টিতে সমকামিতাকে দেখার প্রশ্নই আসে না। আমার এই লেখাটা তাদেরকে উদ্দেশ্য করে যারা মনে করে

লেখক :- অনির্বাণ আহমেদ ২২ অক্টোবার ২০০৯, ব্রিটেনে বিবিসির অফিসের সামনে হাজারো যুবকের বিক্ষোভ পুলিশের সাথে সংঘর্ষ। কড়া পুলিশি পাহাড়ায় “বিবিসি কোশ্চেন টাইম” অনুষ্ঠানে প্রবেশ করলো ‘নিক গ্রাফিন’। যিনি মনে করেন কালো চামড়ার মানুষদের ব্রিটেনে বসবাস করার কোন অধিকার নেই। সেইদিন সেই অনুষ্ঠানে নিজের অবস্থান আরো দৃড়ভাবে প্রকাশ করলেন বিএনপি “ব্রিটিশ ন্যাশন্যালিস্ট পার্টি” এর এই

ডারউইনের ন্যাচারাল সিলেকশনের মূল বক্তব্যই হলো জীব জগতের যে প্রাণী যত বেশি প্রজননসক্ষম সন্তানের জন্ম দিতে পারবে তার ফিটনেস তত বেশি বা সেই প্রাণী টিকে থাকার জন্য প্রকৃতিতে বেশি সুবিধা পাবে অর্থাৎ ন্যাচারাল সিলেকশনে প্রজননের ভূমিকাই মুখ্য।কোন প্রাণী প্রজননক্ষম সন্তানের জন্ম দিতে পারলেই সেই প্রজাতির বাবা মায়ের ফিটনেস এক করে বেড়ে যায় । যতবেশি প্রজননক্ষম