লেখক :- ঘাসফড়িং ১খুব সোজাসাপটা আর অনাড়ম্বর জীবনই আমার।একদম সচ্ছ পানির মত ঝকঝকে।উপর থেকে দেখলেই সমুদ্রের পানির মত যার গভীর ভেতরটা পর্যন্ত দেখা যায়।খুব সহজেই নাকি আমাকে সবাই বুঝে নিতে পারে।অবশ্য এটা সবাই বলে। কিন্তু আজ পর্যন্ত এখনও এমন একজনকেও দেখিনি যে আমাকে বুঝতে পেরেছে।জানতে পেরেছে আমার ভেতরটা।তাই পরিবারসহ ফ্রেন্ড সার্কেলের এই তত্ত্ব আমার বিশ্বাসে
লেখক :- সামীউল হাসান সামী পেয়ারা বাই! একজন যাত্রা শিল্পী। দির্ঘ্য ৩২ বৎসর হয়ে গেছে সে যাত্রা পালায় অভিনয় করছে। শুরুটা ১৪ বৎসর বয়সে হয়েছিলো। একটু আধটু পড়াশোনাও হয়েছিলো সে সময়। যাত্রার শুরুটা তার নারী চরিত্রে। মঞ্চে তার দাপটি অভিনয়ে বারবার তাকে নিয়ে এসেছে কেন্দ্রীয় চরিত্রে। সে সময়ে নায়িকা চরিত্রে তার সঙ্গে পেরে উঠার মতো কেউ
লেখক :- জনি ড্যানিয়েল ।। ১ ।।অনেকদিন থেকে আমি উদভ্রান্তের মত রয়েছি।উত্তরে ১১ নম্বর সেক্টরের লেবুর মোড়ে আসমা ভবনের সামনে ঘুরঘুর করে ঘুরে বেড়াচ্ছি কয়েক মাস ধরে।পইপই করে খুজেছি পুরোটা ঘর, তল্লাশি চালিয়েছি প্রতিটা ঘরের কোণে।নাহ, খুনের কোন আলামত পেলামনা।যেই জানালার কাছে খুন হয়েছিল,সেই জানালার কাচে রক্তের দাগটা শুকিয়ে কালো দাগ হয়ে আছে।জানালা দিয়ে তাকালে
লেখক : – অরণ্য রাত্রি ১শীতের রাত।কন কনে শীত । ঘরের আলো নিভিয়ে লেপের তলায় শুয়ে রয়েছে রবু।তাতেও ঠাণ্ডা কাটছে না। লেপের ভিতর এ মোবাইল রেখেই ফেসবুকে ঢুকেছে সে। পাশের ঘরেই বাবা মা। তাই লেপের তলাতেই মোবাইল রাখতে হয়েছে।তা না হলে ধরা পড়লে কপালে মার রয়েছে।আজকাল সারা রাতই ফেসবুকে থাকে রবু। ঘুম আসে না রাতে।
লেখক : – Valentine ১।চারদিকে ঘন অন্ধকার পিজের রাস্তা দিয়ে গাড়িটা চলছে গাড়িতে মিশন রোজারিও আর তার ভাবীমিশন তার মোবাইলে চেয়ে দেখলো সময় এখন রাত ২ টা বেজে ২৪ মিনিটড্রাইভার বললো স্যার কফি খাবেন? ফ্লাস্কে গরম কফি আছে– ড্রাইভার সাহেব আপনি কফি পেলেন কোথায় , মিশনের ভাবী বললো– ম্যাডাম আপনারা যখন পার্টিতে ছিলেন তখন আমি
লেখকঃ ঘাসফড়িং ১কাঁধ থেকে ব্যাগটা ঝাঁকি মেরে বিছানায় ফেললাম।প্রচণ্ড গরমে শরীরটা একদম জ্বলছে।পাক্কা দুঘণ্টা এই অবস্থায় গেছে। একটা পরিপাটি ঘরই আমাকে দেওয়া হয়েছে।সৌন্দর্যের ছাপ উঠে রয়েছে খুব স্পষ্ট ভাবেই।ঘরের কর্তিটাও হয়ত খুব ভাল মনের। একজন হুজুর হিসেবে সব খানেই সম্মানীটা বরাবর একটু বেশিই পাই।অবশ্য শুধু আমার ক্ষেত্রেই নয়।হুজুর জাতটার জন্যই এই জিনিসটা প্রযোজ্য। কিন্তু আমার
লেখকঃ তারাশঙ্কর ১) কলেজের গেট থেকে বেরিয়ে হাতের বাঁয়ে একটু এগুলেই একটা সরু গলি। গলির মুখেই এনায়েত মামার জমজমাট চায়ের দোকান। অবশ্য নিহানদের দলটা এখানে আসে ঠিক চা খাবার জন্য নয়, চায়ের চাইতে বরং টা-এর দিকেই ওদের ঝোঁকটা বেশি। আশেপাশে আরো বেশ কিছু জায়গা থাকলেও এটা ওদের পছন্দের জায়গা, কারণ দোকানের পেছনে খানিকটা জায়গা আছে,
লেখক :- Valentine ২০১২ সালে আমার ফেক আইডি থেকে রিজনের সাথে আমার পরিচয় ! আমার বাড়ি থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে নরসিংদীর কাদির মোল্লা টেক্সটাইলে এসিস্টেন্ড ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে রিজন চাকরি করে !প্রতিদিন আমার আর রিজনের মোবাইলে কথা বলার একটা সিডিউল হয়েগিয়েছিল আমাদের অজান্তেই !রিজন অফিসে গিয়ে সকাল ৮ টায়,নাস্তা করার সময় সকাল ১০ টায়,আবার সকাল
লেখকঃ একলা পথিক ~ কেমন আছো সিমু? _ এইতো আছি আর কি…! ~ আমি কেমন আছি জানতে চাইলে না যে…? _ জানার ইচ্ছে শেষ হয়ে গেছে। ~ কারণটা জানতে পারি…? _ কিছু কারণ না হয় অজানাই থাক। ~ ওহহ…হুমম! আচ্ছা…মাইশা কোঁথায়? ওকে দেখছি না যে…? _ মাইশাকে মায়ের কাছে রেখে এসেছি। ~ মাইশাকে কতদিন হলো
লেখকঃ মহাকাল হাসান ১) এইতো এই মাসেই আদনানের বয়স ৪৫ পার হল। এ বয়সেই মাথায় মস্ত এক টাক। চুল গুটি কয়েক যা আছে তাতেও পাক ধরেছে। বেশ বিশাল এক ভুঁড়িও আছে। শরীরের প্রতি তেমন একটা যত্নবান সে কখনোই ছিলনা। লোমশ শরীরে সুগন্ধিতো সে মাখে তবে কোন ব্র্যান্ডের খুব একটা ধার ধারেনা। লোমশ হাতে সোনালি রঙের