
Lavandula (more commonly known as Lavender) is a genus of 47 species of flowering plants. Besides being an aromatic plant, it has notable characteristics which are beneficial to health. But did you know lavender has an exceptional place in the gay community? The relevant concept is known as “Lavender Marriage”. Lavender marriages are sometimes called

রুদ্রনীল আসলান সেই ষাটের দশকের কথা বলছি, যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ মদের চোরা-চালানের অজুহাত দেখিয়ে,মার্কিন পুলিশদের বিভিন্ন ক্যুইয়ার বারগুলোয় অভিযান চালানো একটি রীতি হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলো। আমরা এমন এক সময়ের কথা বলছি, যখন সে দেশের প্রচলিত আইন মার্কিন শাসকদের তখনও মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায় নি। পৃথিবীর প্রায় সমস্ত দেশেই সমকামীতা তখনও আইনত নিষিদ্ধ এবং

সুমন দাস (এই প্রবন্ধের প্রথমেই একটা কথা বলে রাখা ভালো, পৌরাণিক বলতেই ঐতিহাসিক বোঝায় না। কিন্তু পুরাণ যে একেবারেই ইতিহাস শূণ্য তাও বলা যায় না। তাই পৌরাণিক কাহিনী পুরোটাই ঐতিহাসিকভাবে সত্য, সে কথা যেমন জোর দিয়ে বলা যায় না।ঠিক তেমনি পৌরাণিক কাহিনীতে কিছুমাত্র ইতিহাস নেই সে কথাও বলা চলে না। সবশেষে এই কথা বলতেই হয়

সুমন দাস সনাতন-হিন্দুদের প্রথম ধর্মীয় (শাস্ত্রীয়) গ্রন্থ হলো বেদ। চার বেদের মধ্য সর্বপ্রাচীন বেদটি হলো ‘ঋগ্বেদ’ । এটির রচনাকাল মোটামুটি ১৫০০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দ। এই ঋগ্বেদে সাধারণত দেবতাদের প্রতিপত্তি দেখা যায়। এখানে বিভিন্ন দেবতাদের উদ্দেশ্য করে স্তুতি তথা গান (সাধারণ ভাষায় “মন্ত্র”) রচিত হয়েছে। এখানে একটি বিষয় লক্ষ্য করার মতো যে, এই বেদে প্রধান দেবতা কিন্তু ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর

লিখেছেন- সুমন দাস একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে এমন খুব কম সংখ্যক লোকেই পাওয়া যাবে, যাদের কাছে ‘সমকামী’ ( Homosexual ) শব্দটি পরিচিত নয়। এই প্রবন্ধে পৌরাণিক যুগের দুই ‘সমকামী নারী’র ( Lesbian ) উপাখ্যান সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে। এই আখ্যান সবচাইতে ভালো ভাবে বর্ণিত হয়েছে ” কৃত্তীবাস ওঝার রামায়ণ পাঁচালিতে”। পৌরাণিক যুগে সূর্যবংশের একজন বিখ্যাত রাজা

বাংলা অনুবাদ করেছেন – পঞ্চশর মূল লিখাটি ইংরেজিতে লিখেছিলেন দেবদূত পট্টনায়ক বিভিন্ন সংস্কৃতি তাদের মতো করে, বিষমকামিতা ছাড়াও, যৌনতা প্রকাশ করে থাকে। গ্রিক পুরাণতত্বের অনেকটা জুড়েই সম-লিঙ্গের প্রণয়ের দৃষ্টান্ত খুঁজে পাওয়া যায়; পুরুষ ও পুরুষের মধ্যে, নারী ও নারীর মধ্যে এবং পুরুষ ও বালকদের মধ্যে প্রণয়, অর্থাৎ আন্তঃপ্রজন্মের প্রণয়। হিন্দু পুরাণতত্বে খুঁজে পাওয়া যায় রূপান্তরকামী

লেখক :- অনির্বাণ আহমেদ সমকামিতার প্রতি আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি অনেকটা ধর্মীয়, আইনী ও চিকিৎসা ভিত্তিক। মধ্যযুগের আগে সমকামিতার দৃষ্টিভঙ্গি ঠিক এমনটা ছিলোনা এমনকি গির্জা বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান দ্বারা সমকামিতাকে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করাও হতোনা। কিন্তু বারো শতকের শুরুতে সমকামিতার প্রতি একধরনের বিদ্বেষমূলক আচরণ শুরু হয় যা অবশেষে ইউরোপের ধর্মীয় ও ধর্মনিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এবং
লেখকঃ অন্যস্বর ইসলামে একসময় সমকামিতাকে খুব স্বাভাবিক প্রবণতা ভাবা হতো। ইসলামের ইতিহাসের গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় অটোমান সাম্রাজ্য। অটোমানে গে বা লেসবিয়ান সেক্স ট্যাবু ছিল না। ১৮৫৮ সালে সেখানে আইন করে সমকামিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল। সমকামিতার সাথে অপরাধের ধারণা সম্পৃক্ত হয় কলোনিয়াল ইউরোপীয়দের হাত ধরে, যখন তারা খ্রিষ্টান ধর্ম নিয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে যায়।খ্রিষ্টান শাসকরা