
Written by: Buttertoes It is funny how memories can play a trick on you. And it is only when you turn the pages of the past that you see the emotions and feelings that you have suppressed over the years thinking that it will allow you to live in peace. The first time I fell

লেখকঃ সুধাংশু আজকে যদি ছোটবেলার স্বপ্ন নিয়ে এগোতাম, হয়তো ভালো গাইয়ে না হয়ে নাচিয়ে হয়ে উঠতাম। ভাইদাদা (নানা) কুরিয়ার করে মার কাছে আমার জন্য ঘুঙুরও কিনে পাঠিয়ে ছিলো। তার চার বছর বয়সী নাতি “মম চিত্তে নৃতে নৃত্যে” গানের সাথে ‘তা তা থৈ থৈ’ নাচতো আর তা দেহে ভাইদাদা-র খুশি আর ধরতো না। কিন্তু, না! ছেলে

ধোঁয়াশা মাঘের সন্ধ্যা বেলা আড্ডা মারছি রেলওয়ে ফুটবল মাঠের এককোণে বসে, আমরা চার বন্ধু। ক্রমেই দূরের ল্যাম্পপোস্টের আলোগুলো কেমন যেন কুয়াশার ঘোমটায় ঢাকা বিধবা দাদীমার মতো হয়ে আসছে। মাঠে লোক খুব একটা নেই, আমরা মূল রাস্তা থেকে একটু দূরে ঈদগাহ মাঠের মধ্যে নিজেদের বানানো কাঠের মাচানে বসে আছি অন্ধকারে। একটা সময় কথাবার্তার মোড় ঘুরে এল

২৫ তারিখ সকাল বেলা। উঠোনে বসে শীতের রোদ পোহাচ্ছি। দরজায় ঠক ঠক আওয়াজ। দরজায় খুলতেই দেখি ব্যাগ হাতে রাতুল আর শ্রাবণ দাড়িয়ে। ওদের হাতের ব্যাগ দেখে মনে পড়লো আজ বান্দরবান যাবার কথা। ‘তোরা এখানে? বাস ক’টায়?’ ‘বাস ১২টায়।’ ‘তাহলে ১১টা বাজে এখানে কি করিস?’ ‘তোকে নিতে আসছি।’ রাতুলের সোজাসাপটা জবাব। ‘আমি যাব না, সেটা আগে

‘আমি ভার্সিটিতে চান্স পাইছি, একটু আগে রেজাল্ট দিল’ ‘গ্রেট! কংগ্র্যাটস আমি জানতাম তুমি চান্স পাবে’ ‘তুমি খুশি হয়েছ? তুমিও চান্স পেলে ভাল হত একসাথে পড়া যেত’’ বাদ দাও, তোমার চান্স হয়েছে আমি তাতেই খুশি। মিষ্টি খাওয়াচ্ছো কখন?’ ‘বিকেলে চলে এসো আড্ডা দেয়া যাবে।’ ‘আচ্ছা।’ বলে আবারো উইশ করে ফোন রেখে দিলো রায়ান। রায়ান কথা বলছিল

Written by Argo On 25th April of 2016, two men were hacked to death in their own home. You may ask why? You remember the killings of Activists by religious extremists? News you heard on the lips of your elders and the news media. News that people forgot after a month. The two men were
লেখকঃ সুধাংশু আমাদের বাঙালী সমাজ ব্যবস্থায় একটা শিশুর বেড়ে ওঠার একটা বড় অংশে তাকে দুষ্টুমির ছলে হোক কিংবা হেয়ালি করে, বড়রা দু’একবার বলেই থাকে, “ওকে তো ওর দাদীর সাথে বিয়ে দিব।“ কিংবা বাবার বন্ধুর মেয়েকে দেখিয়ে দুষ্টুমির ছলে বাবা বলে, “বড় হলে কিন্তু তোমাদের বিয়ে দেব”! কিন্তু বিশ্বাস করুন আমি কখনো এই ধারণাটার সাথে আমার

লেখকঃ অরণ্য রাত্রি আমরা কামিং আউট শব্দটি প্রায় শুনে থাকি। এবং সম্প্রতি এই শব্দটির ব্যবহার বেড়ে গিয়েছে। কামিং আউট হল একটা বিশেষ প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে একজন মানুষ তার নিজের সেক্সুয়াল অরিয়েন্টেশন এবং আইডেন্টিটি বুঝে , মেনে নেয় এবং মূল্যায়ন করে। এর মাধ্যমে সে তার সেক্সুয়াল অরিয়েন্টেশন এবং আইডেন্টিটিকে আরও অনুসন্ধান করে এবং অন্যের সাথে শেয়ার

লেখক- পিহু শব্দটা নিশ্চয়ই চেনা লাগছে? এই শব্দটার সাথে পরিচিত হই ক্লাস ৩/৪এ। আচ্ছা, অতোটুকু বাচ্চা সে সময় এ শব্দটা ব্যবহার করে আমায় বুলিং করতো। কী বুঝতো এই শব্দ দ্বারা? আমিও কেমন যেনো কষ্ট পেতাম। ওরা দল বেধে বেঞ্চের সামনে এসব করতো। এরপর তো স্কুল জীবনের প্রতিটা ক্লাসেই এসব শুনে এসেছি।মনে পড়ে, হাইস্কুলে ক্লাস ৮এ

লেখক- খোয়ারিতে থাকা এক পুরুষ ম্যোঁরস, তপ্ত সাগরবালুকায় অনামা কোনো আরবকে থেমেথেমে করা তোর সেই পাঁচটে গুলির মতো করেই তুই গেঁথে আছিস জাগতিক অথচ পরম আরাধ্য ‘অচেনা’ হয়ে- আমার ভেতর। গিলোটিনে প্রাণ যেতে পারে জেনেও আদালত কিংবা পাদ্রীর ভ্রুকুটিকে পাত্তা দিবি সে মানুষ তো তুই নস! ‘যা তো, ভালো লাগতেছে না তোরে’ বা ‘আমি জানি