
লেখার শুরুতেই বলে নেয়া ভালো যে, এই বিষয়ে আমার অবস্থান নিরপেক্ষ। কেও যদি নিজে থেকে বের হয়ে আসতে চায় তাকে আমি সাধুবাদ দিব, কেও যদি নাও চায় তার সিদ্ধান্তকেও আমি সম্মান জানাবো। Coming out, হল আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। এটা কোন প্রতিযোগিতা নয়। অন্য কেও যদি নিজেকে প্রকাশ করে তার মানে এই নয় যে আপনাকেও একই

ধপাস! তড়িঘড়ি করে বিছানা থেকে উঠে দেখি আমার ল্যাপটপ মেঝেতে পড়ে গেছে। কোলের উপর রাখা ছিল, শেক্সপিয়ারের ‘দ্য টেম্পেস্ট’ নিয়ে একটা পেপার লিখছিলাম। চোখ ঘুমে নিবু নিবু করছিল, তবে কখন যে তলিয়ে গেলাম তা সঠিক বলতে পারবো না। ঘড়িতে বাজছে ভোর ৪:৩০। বিছানা থেকে উঠার জন্য মনের সঙ্গে মস্তিষ্ক কিছুক্ষণ ধ্বস্তাধস্তি হল; ফলাফল: মন জয়ী!

কুড়ি বছর বয়সে জীবনের এক কুৎসিত রূপ দেখতে পাবো সেটা আঁচ করতে পারিনি। দিন দিন দুর্বিষহ হয়ে উঠা জীবনটা এখন তেজপাতার মতো। আগুনের কাছে নিলেই নিমিষে শেষ। একেকটি রাত কাটানো যেন মৃত্যুর কাছে হামাগুড়ি দিয়ে নয় খরগোশের গতিতে এগিয়ে যাওয়া। এই বুঝি তারা এলো, এই বুঝি তারা আমায় শেষ করতে এলো। ‘আমায়’ পরিবর্তে ‘আমাদের’ বলা

“ইতি, রূপবান” এখন আমাদের কমিউনিটির মাঝে। খুশির ব্যাপার যে আমরা আরেকটা বইয়ে নিজেদের অব্যক্ত কথা বলতে পারলাম। যেহেতু আমি এই প্রজেক্টের সাথে জড়িত ছিলাম, তাই আমি নিজেকে প্রশ্ন করছি (প্রথমবার নয়), এই বই কার জন্য, কি জন্য? বইটার সম্পাদকীয়তে বলা আছে বইটা লেখার “মূল উদ্দেশ্য, আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া দুজন সহযোদ্ধার সর্বশেষ অসমাপ্ত কাজকে

ফ্লিন রাইডার রাজশাহীর গ্রামের এক সমকামির আত্তপ্রকাশ ও নির্যাতনের পর গ্রামছাড়া সমকামিতাকে ঘিরে এখন অনিশ্চিত জীবনযাপন করছি।না পারিবারিক না রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি আছে। তার চেয়ে বেশি অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি, পরিবারের অত্যাচারে।দিন, রাত যুদ্ধ করে চলেছি বেঁচে থাকার জন্য।কিন্তু এখন আর এসব সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারছি না।হয়ত অদূরভবিষ্যতে কিছু একটা করে ফেলবো…….বেঁচে থেকেই নরক বাস করছি। উপরের

ফ্লিন রাইডার নাটকে আমাদের রিপ্রেজেন্টেশনের একটি আলোচনা। থার্ড জেন্ডারের সিরিজের ২য় নাটক, ১মটি ব্যাপক হিট হওয়াতে ২য় নাটক বের করেছে স্টার ডিরেক্টর বান্নাহ। ১ দিনে যে পরিমাণ ভিউ এটাও হিট হবার পথে।ফারহান, শাওনের মত স্টার কাস্ট সহ আরো অনেক অভিনেতা, মারাত্তক অভিনয় করেছে, মারাত্তক ডায়ালগ, গল্প সুন্দর যেখানে অনেক সুন্দর করে সমস্যা গুলি দেখিয়েছে। দর্শক

লেখকঃ অরিত্র হোসেন লেখালেখিতে এমন কোন শক্ত অবস্থানে পৌছাইনি যে দাবি করবো আমার লেখাটা যেখানেই দেই না কেন ছাপা হয়! চেষ্টাও কম করিনি, বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লেখা দিয়েছি। লাভ কিছুই হয়নি। একটাও ছাপা হয়নি। আশাহত হইনি, হয়ত একদিন ছাপা হবে! পত্রপত্রিকায় লেখালেখি ছাপা হয়নি তো কি হয়েছে? ফেসবুকে লেখালেখিতে সবার রেসপন্স ভালোই পেয়েছি। তাই ফুলে ফেপে
Written by Buttertoes “So, how many boyfriends did you have before?” I stared at my friend for a moment; then regretted playing truth or dare. I didn’t know why we had to play this game every time we have a party. I decided to be honest. “I have had three relationships before.”Is that truth? Yes. Is
Written by Buttertoes I was never a big fan of fairy tales. I never could relate to it. Neither was I beautiful enough to be a princess, nor did I feel sophisticated enough to be Prince Charming. I liked swords though; and the idea of going on a quest for a girl seemed appealing to
Written by Buttertoes Back when I was a teenager, I used to keep a diary. I tried writing it every day in an effort to freeze my days in words so that one day I would look back and laugh at how stupid I was. As time went by, I lost interest. My days were