
I could cryCry myself into molten, rotten Earth.I could beg till my head splits open and everything inside spills over to the floor.I could scream till I could sing no more.I could connect my hands together and stare down the sky till it weaves itself into my eyes.You would still never hold me.You would still

কবিঃ মৃত্তিকা রাই আমার মনে একটা রাজকুমারী খেলে।হাওয়ার সাথে ভেসে ভেসে আমায় নিয়ে চলে।এইদিকে না, সেই দিকে না, বারন করে থাকে।বিসর্জনের তিক্ত সুরে হাতছানি দিয়ে ডাকে। মাঝে মাঝে থমকে দাঁড়াই এই বুঝি পথ শেষ।আচমকা এক তীর এসে করবে আমায় নিঃশ্বেস।তবুও চলছি পা বাড়াচ্ছি মুক্ত পথিক বেশে।জেৎ ধরেছি পণ করেছি, জীবন টা দেবো হেসে। আমায় তুমি

কবিঃ মৃত্তিকা রাই (প্রথম কবিতা) আমি নিজেরে প্রকাশ করিতে চাই উজাড় করে।আমার ভেতরে একটা নারী স্বত্ত্বা বাস করে।বন্ধু! আমার এ প্রকাশে তুমি পেয়ো না কষ্ট।মনে নাই কোন সংঙ্কা দ্বিধা, বলিতে চাই স্পষ্ট। আমার শরীর টা পুরুষ, আর মনটা যে নারী;এই কথা আমি স্বতঃস্ফূর্ত ভাবেই বলিতে পারি।পুরুষের অন্তরালে আমি এক সম্পূর্ণা, আমি নারী।রুপান্তরের তীব্রতা শরীরেও যে

কবিঃ মৃত্তিকা রাই আমি খোলস ছাড়াতে পারিনি।বস্ত্রহীন শিশুর গতরে শীত বস্ত্র দেইনি।অবোধ শিশুর মুখে দুধ দিতে পারিনি।আমি জেগে জেগে ঘুমাই।আমি সত্য বলায় ঝিমাই।পাসের বাসার কাকিমা খেয়েছে কিনা,আমি খোঁজ নিতে পারিনি।আমি নিত্য আমার বিবেক বিকাই,মানবতার পাল্লায় কিছু মাপিনি।আমার গতরে দামী কাপড়,শাড়ি, গহনা ভরি ভরি।নিজ বাসায় কাজের খালার,জামা কিনে দেইনি। আমি বন্ধি, ঘুনে ধরা সভ্যতায়।আপন মূল্যবোধ করছি

কবিঃ মৃত্তিকা রাই আমার আমিত্ব শহরে নিস্তব্ধ, চারিদিকে নেই কোনো হৈচৈ। হেঁটে চলেছি রক্তমাখা পথ বেয়ে, গন্তব্যে আমি যাবোই। ফেরাতে তুমি এসো না বন্ধু, মুক্তির স্বাদ আমি নেবোই। আঁধারের খোলস ছাড়াতে, তোমার মাঝে বারবার আমি ফিরবোই। আমার আমিত্ব শহরে উত্তাল ঢেউ, আর থাকে গা ভাসানো স্রোত। আমায় করে ক্ষতবিক্ষত, হচ্ছি যতই উল্টো দিকে ব্রত। উদাস

কবিঃ মৃত্তিকা রাই একটা পরিচয় খুঁজে ফিরি, প্রতি নিয়ত প্রতি বারই।বছর বছর তারে পূজি, আমি রুপান্তরকামী নারী।আমার কি পরিচয়, সেটা তুমি দেবে কেন?প্রথমত আমি সাধারন মানুষ, এটা কি তুমি মানো? ছোট্ট খুকির পুতুল খেলায়, এখনো মত্ত হই।একদিন তারে গর্ভ ধরে, জয়ী আমি হবোই।এখানে ওখানে ঘুরি ফিরি, আমি বন্ধু মানুষ।পরিচয় চাই মনুষ্যত্বের, হতে চাই না ফানুস।

কবিঃ গোধূলির আবির হারিয়েছি আমি ভাবনার সমুদ্রজলেযেখানে তোমার চোখের পাতা ভালবাসার কথা বলে ।আমি আকাশপানে আপন প্রাণে ছুটেছি বাঁধনহারাআকাশ তবু ছুতে পারিনি, পারিনি তোমায় ছাড়া ।বাতাসে তোমার নিবিড় ছোঁয়া পরশ বুলায় আমায়হারাবো আমি তোমার মাঝে, কে আজ আমায় থামায় ?তোমার মাঝেই নামবো আমি, ভাসবো তোমার মাঝেনও কি নদী? নও কি সাগর? ভাবছি সকাল সাঝে ।ভাবছি

কবিঃ মৃত্তিকা রাই তর সইছে না যে পরানে,তোমায় ছাড়া থাকিবো আমি কেমনে।কোথায় খুঁজবো তোমায়?স্বপ্ন দেখি আমি ধুপ ছায়ায়।কবে আসবে তুমি আমার শিয়রে।দেখবো তোমায় আমি নয়ন ভরে। এসো! একটু ছুঁয়ে দাও।মনের খাঁচা ভেঙ্গে, একটু মুক্তি দাও।থামিয়ে দাও আমার, গন্তব্যহীন পথচলা।পরশ বুলিয়ে দাও, একটু শীতলতা। ওহে! শুনছো কি তুমি?ওগো! দেখছো কি তুমি?মনটা দেখো, তোমার মনের আয়না দিয়ে।আমার

কবিঃ-মৃত্তিকা রাই এসো প্রিয় এসো!আমার মেঘ ভেলাতে এসো!চেয়ে আছি তোমার পানে।মিলবো কবে যোগ আসনে।দেহের এ বিষ খসাতে তুমি,ওঝা হয়ে এসো।এসো প্রিয় এসো!নষ্টা করতে এসো। চলো মেঘেদের দেশে যাই।চলো নিজেদের ভিতর হারাই।রংধনুর সিঁড়ি বেয়ে,আপন স্বর্গ রাজ্যে চলে যাই।গভীর আনন্দ যোগে,চাইবে তুমি আমায়। বলবে ডেকে,এসো হে প্রিয়!এসো নষ্টামীর গোড়ায়।কর্ণিসে চুমু খেয়ে,পুঁজিবো তোমার পায়।শিউরে শিউরে মিলে যাবো,যৌবন আনন্দের

কবিঃ মৃত্তিকা রাই এদিক ওদিক করে,যতই কাকুতি মিনতি স্বরে,ডাকছি তোমায়,বাবা তুমি কোথায়?হাজার মানুষের ভিড়ে,যতই খুঁজি তারে,মাঝে মাঝে তার অবয়বে,দূর থেকে দেখতে মনে হয়।মায়ার ঘোর কাটতেই,চোখে জল গড়াতেই,বুকে দুমরে মুচড়ে উঠতেই,আচমকা ভাবি বাবা তো নেই। জানুয়ারি ২০২০ [লেখক মৃত্তিকা রাই সম্পর্কে কিছু কথা- উনি একজন ট্রান্সজেন্ডার, ট্রান্স উইমেন, রূপান্তরকামী নারী। উনি পুরুষ দেহে জন্মালেও, উনার মানসিক