কবিঃ তারাশঙ্কর উদ্ভিন্নযৌবনা তরুণীর বুকের ভাঁজ আমার শরীরে কাঁপন তোলে না। যুবকের শার্টের ফাঁকে উঁকি দেয়া বন্যতা আমাকে উন্মাদ করে তোলে। পেশল দৃঢ় খোলা বাহু তলোয়ার হয়ে আমাকে কুচিকুচি করে। ওই চোখ, ওই দৃষ্টি- ঘাম, সিগারেট আর পারফিউম এর মিলিত নেশা মস্তিষ্কের প্রতিটি নিউরনে ঝড় তোলে। তখন যুবকের ভালবাসা আমাকে শান্ত করে। নি:শেষ হতে হতে,
কবিঃ তারাশঙ্কর এখনো সূর্য ওঠে, প্রজাপতিরা আনন্দে খেলে ফুল থেকে ফুলে, নীলাকাশ মেঘদল ভেসে যায় উত্তরে, পর্বতের চুম্বনে নামে অঝোর বর্ষা, স্বচ্ছ জলের নিচে চিকচিকে সোনা বালি- আমি ভুলতে বসেছি আদিম বনের গন্ধ-মাতাল হাওয়া, সোঁদা মাটির ঘ্রান, রুপালি জোছনায় হাজার তারার বাতি- কী এক অবসন্ন মায়ায় ক্লান্ত আমি তবু দিন গুনি, ফিরে যাই,তারপর; তোমার হাতে
কবিঃ তারাশঙ্কর আমার আকাশ এখন খুব ছোট, খুব সহজেই জানলার ফ্রেমে আটকা পড়ে যায়। হলদে-রোদ এসে জানলার কাঁচে ধাক্কা খায়, আলোটা আসে না ঠিক- কিন্তু তীব্রতাটা বুঝে নেই। দৃষ্টিপথকে ঘোলাটে করে আকাশ জুড়ে কান্না নামে। বৃষ্টির রাতে আঙ্গুল দিয়ে জানলার কাঁচের ময়লা সরিয়ে, তোমার নাম লিখি ইচ্ছেমত ভাষায়, অক্ষরে। এই বৃত্তবন্দী নাগরিক জীবনে ওটুকুই আমার
কবিঃ তারাশঙ্কর আমি চুপি চুপি খুন হই প্রতিদিনই; আমার লাশের ‘পরে লক্ষ কীটের আবাস- সে সব গলিত শবের হিসাব কে রাখে? অতৃপ্ত কামনারা তাই জেগে থাকে সারারাত, যেখানে ফুলের বিছানায় মনোহর কালো সাপ তোমার চারপাশে রংধনুর সাত রঙ;- আমার চোখে খেলা করে অনন্ত বিষাদ।
কবিঃ তারাশঙ্কর আমার সামনে পড়ে আছে একখণ্ড মাংসপিণ্ড। নিথর, নিশ্চুপ- রক্ত আর ছেঁড়া চামড়ায় মেখে সে আমার দিকে চেয়ে আছে কী তীব্র অনিঃশেষ বেদনায়! ওর চোখ দুটো বন্ধ করে দেয়া দরকার। আমার ভয় করছে… অ্যাই, কে আছিস? চোখগুলো বন্ধ করে দে তো! না না…শুধু চোখ না, ওর মাথাটাও ঢেকে দে! ওর নাক চেপে ধর! মুখে কাপড় গুঁজে দে!
কবিঃ তারাশঙ্কর আমি এখন তোমায় ছাড়া বাঁচতে পারি বাঁচতে পারি। শ্যাওলা পরা রাস্তা ধরে একলা হেঁটে চলতে পারি। এখন আমি ভয় করি না রাত্রিবেলা একলা শুতে, এখন আমার অনেক সাহস ভয় করি না মামদো ভূতে। তোমায় ছাড়া এখন আমি একলা খেয়ে নিতে পারি, জোছনা রাতে একলা ছাদে সুখের গান গাইতে পারি। এখন আমি ছাত্র ভাল
কবিঃ জুলহাজ মান্নান আমার হ্রদের নিরুত্তাপ জলে বহুজনের উন্মত্ত সন্তরণ প্রতিযোগিতা। আমি তবু একধারে শুধু পা ভেজানোর ছলে জলের আবহাওয়া বুঝি। সুনামি কিংবা জলোচ্ছ্বাসের ভয়ে নয় আকাশ ভেঙে বৃষ্টি নামলে রাবারের রেইনকোট কি পারবে আমাকে টাটকা রাখতে? এর মাঝেই বহুজনেরা সাঁতরে এপার ওপার। ওপারে নাকি পোনা মাছের চাষ আছে আছে, মৎস্যকুমারীরাও দাবি দু’একজনার। ‘গেলমান’ কে
কবিঃ ভ্যালেন্টাইন সৈকত কি-ই-বা যায় আসে তোমার,যদি খবর শোনো কারো হৃদয় ভাঙ্গার !সঙ্গিনী,সন্তান নিয়ে তোমার সুখের সংসার,একবারোকি ভেবেছো কিনিয়ে বাকিটা জীবনআমি করবো পার ?সমপ্রেম বা সমকাম যাই বলোসেটাকি শুধুই ছিলো আমার একার ?তাতেকি তুমিও নও সমান অংশীদার ?তাহলে কেন আজ তোমার জীবন পূর্ণতারআর আমার জীবন পুরোটাই ব্যাথার ?হে প্রিয় !এর কি জবাব দেওয়ার আছে তোমার
কবিঃ অভিলাষ আমি উদ্দম, আমি সাহসী, আমি নির্বাক, আমি রামপাল , আমি পাল বংশের মহিপাল, আমি দূর্বার, আমি চারণ ভুমির সৈনিক। আমি মৃত্যু পথের পথিক। আমি কথা বলা সেই তোতাপাখি, আমি সতমঞ্চের নায়ক। আমি সাধারন থেকে অসাধারন। আমি মানুষ, আমি বহুবেদী।। আমি সাত রং এর রংধনু।।। আমি পুরুষ, আমি পুবালী হাওয়ার গন্ধ, তাই আমার স্বাভাবিক
কবিঃ অভিলাষ ভালবাসা মানে ২টি মনকে এক ভাবা। ভালবাসা মানে হাজারো কষ্টে থেকে, প্রিয় মানুষটিকে দেখে কষ্ট ভুলে যাওয়া। ভালবাসা মানে রংধনুর খেলা। ভালবাসা হলো নিজের প্রতিটা গন্তব্যে প্রিয় মানুষটিকে স্বরন করা। ভালবাসা হল দুঃখের মাঝে একটু সুখ। ভালবাসা হল বুনোহাসের বিলের ঢেউ, ভালবাসা হল শেফালী বনের শিউলী ফুল। প্রিয় বুঝো হে ভালবাসার মর্ম। যেখানে