কবিঃ মেঘ রাজ সাইমুনউৎসর্গ-অবুঝ আমি। আমি চেয়েছিলাম-বন্ধুত্বের খোলা জালানায়;হু হু করে ঢুকে পড়ুক বিশ্বাসের পরিচ্ছন্ন বাতাস। আমি চেয়েছিলাম-বিচ্ছিন্নতার ঘাতক ছুরি যেন;আমাদের মধ্যে প্রবেশের দুঃসাহস না পায়। আমি চেয়েছিলাম-সৌহার্দ্যের সেতুর উপর;আমাদের অবিনাশী নৃত্যের উজ্জ্বল মূদ্রা। এখন আমাকে ফিরতে হচ্ছে-বিধ্বস্ত পলাতক সৈনিকের মতো;ইউনিফর্ম ত্যাগী অস্ত্রছাড়া স্বপ্নশূন্য।তোমার সান্নিধ্যের বদলে-কষ্টের আলিঙ্গনে আমার ওষ্ঠাগত প্রাণ;তবুও তোমাকে খোঁজে বারবার। ——————————————–লেখাঃ রবিবার,১১ই
কবিঃ মেঘ রাজ সাইমুন বড় দুঃখে আছি আঁকড়ে ধরে সবুজ,তৃনলতা,বিস্তীর্ণ সংসার।শিমুলের লাল গালিচা মাঝে মাঝে-আকাশের উড়ন্ত নিশানা হয়ে যায়।মেহেদি মাখা হাতকে অস্পর্শ আর-ভঙ্গুর মনে হয়। আমার শরীর জুড়ে দুঃখ আর দুরুহ,বেদনার অবাস্তব ছায়া।অতল চোখে চাওয়া জল,অধীর ওষ্ঠ চুম্বনে সিক্ত হয়ে ব্যগ্র;আজও ধূমায়িত চায়ের কাপের মধ্যে-হৃদয় চর্চা অব্যাহত। অথচ সুদৃশ্য টি-পটে;চা পাতার তলানিটুকু পড়ে আছে-তিক্ত আর
মেলায় এসে কেমন তোমার সাথে দেখা হয়ে গেল! ঐ সেবারের বৈশাখী দিনটা মনে আছে তোমার? সবুজ জমিনের পাঞ্জাবী পড়েছিলাম আমি, তোমার শরীরে লক্ষ পলাশের রঙ! পকেটে রুমাল আর রুদ্রাক্ষের মালা গলায় সারা দুপুর রৌদ্রে দাপাদাপি, টিএসসি শাহবাগ পান্তা ইলিশ আর মুঠো মুঠো বাদাম, সন্ধ্যের বাতাসে গিয়ে থেমেছিলাম তোমার দরজায়! আচ্ছা, পুরোনো কথা তুলে তোমায় বিরক্ত
কবিঃ তারাশঙ্কর ভাগাড় উপচে পড়া আবর্জনার মত এখানে সেখানে পড়ে আছে আমার গলিত প্রেমের শব। যেসব প্রেমপ্রার্থীদের একদা ভুলেছিলাম ভীষণ অবহেলায় যেসব প্রণয়ে দিয়েছিলাম তীব্র প্রবঞ্চনা নিত্য উপহার (!) আজ তারা ফিরিয়ে দেবে সেই কাঁটার ফুল, গোপন উৎসবে যদিওবা পানপাত্র অঢেল যৌবনে তারাও ভাসে আমার পতনে আজ উর্বশী নাচে, ঘুংঘুর ঝংকার নগ্ন পিঠে ঝিলিক দেয়