
লেখক-তানভীন হাসান সৌরভ ব্রেকআপ!!! চিৎকার করে উঠল সৌরভ! -মানে? -মানে বুঝ না?মানে হল তোমার আর আমার রিলেশনের এখানেই শেষ!বাই বাই! -আচ্ছা| -আচ্ছা মানে?তুমি কিছু বলবা না? -আচ্ছা আজকে কি আমরা শোক পালন করব?না মানে যেমন ধর…প্রতিদিন আমরা আইসক্রিম,ঝালমুড়ি,ফুচ-কা খাই..আজকে বরং তা না করে সিগারেট খাই! -তুমি আমাকে সিগারেট খাওয়াবা!!! -না মানে…কষ্ট ভুলতে তো মানুষ তা-ই

লেখক-তানভীন হাসান সৌরভ প্রতিদিনের মতই সকাল সকাল তারাহুরো করছে শুভ্র। গোসল টা শেষ করেই, এই সৌরভ,সৌরভ রান্না ঘর থেকে, আসছি এই এই আরে বাবা বুঝেছি, যাও দেখ তোমার টেবিলের পাশে মানিব্যাগ আর রুমাল রেখে দিয়েছি। আর টাই.. বলতে বলতে টাই নিয়ে গলায় পরিয়ে দিচ্ছে সৌরভ।শুভ্র হাসতে হাসতে এক পলকে দেখছে সৌরভকে। “সৌরভ আজ তোমাকে অনেক

লেখক:-তানভীন হাসান সৌরভ সৌরভ>> হ্যালো, শাতিলশাতিল>> শুনতেছি বল,সৌরভ>> কোথায় তুই?শাতিল>> বাসর রুমে বউর সাথে গল্প করছিসৌরভ>>কি (কিছুটা রাগি সুরে) ভার্সিটিতে আসিসনাই কেন?শাতিল>> আমি ভার্সিটিতে যাই না সকালে। দুপুর গেলোবিকেল গেলো এখন রাত ১১.৪৫ এখন তুই আমার খোজনিলি?সৌরভ>>ফোনে ব্যালেন্স ছিলো না সে জন্য ফোনকরতে পারি নাই । কেন তুই তো একবারও ফোন দিলি না।নিজে দেয় না

ক্লিনিকের বেডে তিথি শুয়ে আছে। তার তলপেটে এখনও ব্যথা করছে। যন্ত্রণায় সে দাঁতে দাঁত চেপে আছে।ক্লিনিকটা তিথির পরিচিত। এর আগেও সে এখানে অনেকবার এসেছে।ক্লিনিকটা সুন্দর। বেডের পাশের ফুলদানিতে এক গুচ্ছ গোলাপ ফুল রাখা। পুরো ক্লিনিক জুড়ে বাচ্চাদের হাসিমুখের ছবি ঝোলানো। ছবিগুলোর নিচে লেখা- দুটি সন্তানের বেশি নয়, একটি হলেই ভালো হয়।অন্য কোনো সময় হলে তিথি

ওর সাথে আমার দেখা হয়েছিল কাকরাইল মসজিদের সামনে একটা চায়ের দোকানে। সময়টা ২০১৮ সালের কোন একদিন। আমি ওখানে একটা টিউশনি করতাম।পড়ানো শেষে ছাত্রের বাসায় চা নাস্তা খেয়ে বেইলি রোড ধরে হাটতে হাটতে মেসে ফিরতাম। জীবনটা খুব রঙীন লাগতো। তেমনি একটা বৃষ্টির দিনে ওকে দেখলাম জুবুথুবু হয়ে ভিজতে। ইচ্ছে করে যে ভিজছে না বুঝতে পারছি। কিন্তু

(১)রাতের মায়া চাদরে ঢেকে আছে ফুলপুর নামের গ্রামটি। এই গ্রামেরই ছোট্ট একটা কুটিরে এই গভীর রাতেও জেগে আছে একটি প্রাণ। নিষ্পলক চেয়ে আছে আকাশের নিষ্প্রভ চাঁদটির দিকে। ঝলসানো রুটির মত চাঁদটারও বুঝি তার মতই অভিমান হয়েছে৷ বাইরে সেই কখন থেকে একই সুরে ঝিঁঝিঁ পোকা ডেকে চলেছে৷ বাড়ির দক্ষিণ দিকের শিমুল গাছটায় বসে হুতুম পেঁচাটাও কেমন

১“ভাইয়া আমার সাথে তুমিও চলো না”। রাফিদের এমন কথায় বিরক্তি বোধ করলো সোহেল। আজ তোর কলেজে নবীন বরণ অনুষ্ঠান, সেখানে গিয়ে আমি কি করবো।তোমাকে আমি কলেজে যেতে বলছি না, বলছি আমাকে কলেজে দিয়ে আসতে। যদি না পারো তাহলে আমিও যাবো না। কারণ নবীন বরণ অনুষ্ঠানে না গেলেও চলবে। এই বলে রাফিদ নিজের কক্ষে চলে গেলো।

ওকে প্রথম দেখেছিলাম কলেজে।তখন সে ইন্টার প্রথম বছর।আর আমি দ্বিতীয়।কলেজে বেশ নাম ডাক ছিল আমার।দেখতে তেমন খারাপ ছিলাম না।বলতে গেলে অনেকটা সুন্দর ছিলাম।তাই মেয়েরা ঘুরঘুর করত স্বাভাবিক ভাবেই।তখন আমার অহংকারে মাটিতে পা না পড়ার মত ভাব নিয়ে ঘুরতাম আমি।কিন্তু ভেতরে আমি কেমন তা শুধু আমিই জানতাম।নিজের স্বত্বার সত্যতা চেপে রাখার মত যন্ত্রণা এই দুনিয়াই আর

-তাহলে,আজকের মত পড়া এখানেই শেষ।ঠিকআছে?-জ্বি স্যার।সবাই যে যার মত ব্যাগপত্র গুছিয়ে নিচ্ছে।আমি বসে থাকলাম।সবাই যাওয়ার পরে আমি ঘর বন্ধ করে যাব।তাই বসে বসে সবার আজকের মত বিদায় নেওয়া দেখছি।আমার নিজের স্কুল জীবনের কথা মনে পড়ে গেল।আমি রোজ এদের বিদায় নেওয়া দেখি আর নিজের অতীত চরণ করি।ব্যাপারটা বেশ মজার।কোনকিছু দেখতে দেখতে সেই স্থলে নিজেকে কল্পনা করা।আহা!স্কুলের

রিদয়ের কবরে মাটি দেওয়ার সময় ইনজাম আপন মনে বলছে, নাও রিদয় তোমাকে আজ আমি মুক্ত করে দিলাম। সারাজীবন ভর তুমি যে শান্তি খুজে পাও নি তা আজ আমি তোমায় উপহার দিলাম। আজ আমি যা করেছি তা হয়তো কোনো প্রেমিক করে নি। হ্যা আমি নিজ হাতে তোমাকে মেরে ফেলেছিগতকাল রাতে ইনজাম রিদয়ের গলা টিপে হত্যা করে।যে