
নীল আকাশ ভূমিকা: সারা শহরে লোডসেডিং।নীল জোসনা আছরে পরছে জগতে।জানালাটা খুলে দিতেই জোসনায় আলোকিত হয়ে গেল ঘরটা।একমনে চেয়ে আছি জানালার দিকে। ১. হটাত,দরজায় কারো উপস্থিতি বুঝতে পারলাম।বাতাসে অনুভব করলাম সুমিষ্টি ঘ্রান।পিছনে তাকিয়ে দেখলাম সে।হ্যা, আমি জানতাম সে আসবে।হালকা করে আমার পাশে বসল।কিছুক্ষন পর সে কিছুটা নিম্ন স্বরে জিজ্ঞেস করলো,”কেমন আছো?”। আমাকে চুপ থাকতে দেখে সে

লেখকঃ তারাশঙ্কর ১) কলেজের গেট থেকে বেরিয়ে হাতের বাঁয়ে একটু এগুলেই একটা সরু গলি। গলির মুখেই এনায়েত মামার জমজমাট চায়ের দোকান। অবশ্য নিহানদের দলটা এখানে আসে ঠিক চা খাবার জন্য নয়, চায়ের চাইতে বরং টা-এর দিকেই ওদের ঝোঁকটা বেশি। আশেপাশে আরো বেশ কিছু জায়গা থাকলেও এটা ওদের পছন্দের জায়গা, কারণ দোকানের পেছনে খানিকটা জায়গা আছে,

লেখকঃ নিরালোকে দিব্যরথ নির্জনার ব্যানার্জির শাশুড়ি। ভদ্রমহিলা অক্কা পেলেন গ্যাসের আগুনে পুড়ে। শরীরের নব্বই ভাগ ছারখার হয়ে গিয়েছিল। বার্ন ইউনিটে একটুখানি হুঁশ ফিরে পেয়ে প্রশ্নটি তিনি ছুঁড়ে দিয়েছিলেন নির্জনার উদ্দেশ্যে; জানতে চেয়েছিলেন তাকে কি আরও কাটবে! সব ধ্বংস হয়ে গিয়েও বাঁচবার উপর মানুষের কীই না এক দুরাচারী স্বপ্ন! রসুইঘরের জানালা এঁটে দেয়া পাপ- খবরটি এবং

লেখকঃ নিরালোকে দিব্যরথ বিয়ের বছর কয়েকের মধ্যে রসকষ যা ছিল সব শেষ হয়ে সিত বর্ণ ধারণ করল পদ্মাবতী-বাহার দম্পতির জীবনে। অথচ পদ্মাবতীর এই পৌরণিক নামটি একসময় বাহারই দিয়েছিল। তাদের জীবনে কোনও খলজির উপস্থিতিও ছিল না। তারপরও বাহার মনে করেছিল এই সোনাবরণ পদ্মাবতীকে নিয়ে সে বিভিন্ন মহলে ঈর্ষার পাত্র হবে। তেমন কিছু ঘটার পরিবর্তে নিজেই পদ্মাবতীকে

লেখকঃ নিরালোকে দিব্যরথ বাম হাত খাওয়ার প্লেটে ধুলে যেই নালে উৎপন্ন সেই নালে শেষ, কখনও ধনী হবে না, আর চোখ হবে অন্ধ। রুটির বুক কামড়ে খেলে মায়ের অসুখ করবে। শনি-মঙ্গলবার নখ কাটা যায় না। শরীরের কোষ পুড়িয়ে দেবে। বুধবারে নিষিদ্ধ, চামড়ায় সর্বত্রে শ্বেত দাগে ছেঁয়ে ফেলবে। রাতেও নিষিদ্ধ। ব্যত্যয়ে অর্থকষ্ট হবে। চন্দ্রগ্রহণ সূর্যগ্রহণের সময় গন্নি

লিখেছেন– নিরালোকে দিব্যরথ ধবধবে সাদা পাঞ্জাবি, পাজামা, টুপি। ইস্ত্রি করে আদর করে সাজিয়ে রাখা। কিন্তু মাজেদুল ওর আন্ডাগার্মেন্টস নিয়ে চিন্তিত। ধোয়া কাপড়গুলো লাল রঙের ট্রলিতে মা সাধারণত ভাজ করে ঢুকিয়ে দেন। আর নাহয় স্টিল আলমারির দ্বিতীয় তাকে খুঁজলেই পাওয়ার কথা। কিন্তু জাঙ্গিয়াগুলো কোথাও নেই। নীল, লাল, দুটি কালো এবং একটি সাদাকালো। সর্বসাকুল্যে পাঁচটি জাঙ্গিয়া কোথাও

লেখকঃ অরণ্য রাত্রি আকাশ মেঘলা। ঝুম বৃষ্টি নামবে বুঝাই যাচ্ছে। রবিন বাসে। গন্তব্য গুলশান। গুলশান পৌঁছানোর আগে বৃষ্টি নামবে কিনা সেই চিন্তা করছে রবিন। আজকের ডেট টা সে অনেক কষ্টে পেয়েছে। সোহেল ভাই খুব ভাল মত বলেছে যে আজকের কাস্টমর প্রচুর ক্ষমতাবান এবং ধনী। সে খুশি হলে ভবিষ্যতে অনেক কাস্টমার পাওয়া যাবে। রবিন উত্তেজিত। আজকে
লেখকঃ শুভ্র ভাই সদ্য ঘুম ভাঙা চোখ মেললো তপু। তাকে ঘুম থেকে জাগতে দেখে পাশে এসে বসেছে হৃদয়। তপুর খোঁচা খোঁচা দাঁড়িতে গালে হাত বুলিয়ে বললো ঘুম কেমন হলো বাবুটা? তপু ঠোঁটের কোণে দুষ্টুমির হাসি ফুটিয়ে বলে ঘুমুতে আর দিলে কোথায়! সারা রাত তো খোঁচাখুঁচি করলে। বয়স যত বাড়ছে ততই বাড়ছে তোমার পাগলামী। হৃদয় ঝুঁকে
লেখক :- অনির্বাণ আহমেদ ১ দীর্ঘ নিস্তবদ্ধতা ভেঙে হাঠৎই ডুকরে কোন একজন কেদে উঠলো আর বলতে লাগলো ‘আমার আব্বা জানলে আমাকে মেরে ফেলবে’। তখনই হুশ ফিরলো আমার, হাটু গেড়ে প্রিজন ভ্যানের দেয়ালে মুখ নিচু করে হেলান দিয়ে বসে ছিলাম। প্রিজন ভ্যানের সরু জানলা দিয়ে আসা হালকা আলোতে সকলের মুখ দেখতে পাচ্ছি। খেয়াল করলাম সবাই ডুকরে
লেখকঃ এনজেল তারেক রোহিত একজন গ্রাম্য স্কুল মাষ্টারের ছেলে, তারা মধ্যবিত্ত পরিবারের মধ্যে একটা পরিবার, রোহিত তার বাবা মায়ের একমাত্র ছেলে তাই সে পরিবারের কাছে খুব আদরের, গরীব হলেও তার বাবা মা তাকে রাজকীয় ভাবেই বড় করার চেষ্টা করছে সবসময়।রোহিত খুব ভালো ছবি আঁকতে পারে ছবি আঁকতে ভালোবাসে,রোহিত একটা ঠান্ডা মেজাজের খুব শান্ত শিষ্ট ছেলে