
২০১৬ সাল আমাদের কমিউনিটির জন্য একটি ভয়াবহ এবং শোকের বছর। কারণ এই বছর আমরা হারিয়েছি তনয় এবং জুলহাজ ভাইকে। অনেকে দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন। যদি ২০১৬ সালকে মাঝখানে রেখে একাল এবং সেকালে ভাগ করা হয় আমাদের কমিউনিটিকে, তাহলে আমার দৃষ্টিকোণ থেকে আমি কী দেখেছি বা কী পরিবর্তন এসেছে তা নিয়ে কিছু লিখবো বলে অনেক

দু’জন মহামানব এসেছিলেন, এইতো কয়েক বছর আগে রবীন্দ্রনাথ, নজরুল ও জীবনানন্দের এই বাংলায়। তাদের আমরা জুলহাজ-তনয় নামে চিনি। তারা দিয়ে গেছেন তাদের প্রাণ; বাংলাদেশের অধিকার বঞ্চিত, দলিত, অবহেলিত প্রতিটি বৈচিত্র্যময় লিঙ্গ ও যৌন পরিচয়ের মানুষ গুলোর জন্য। এই দু’জন শহীদের প্রতিদান হয়ত আমরা কখনোই পূরণ করে পারব না। হয়ত তাদের এই আত্মদান এ দেশের অধিকাংশ

রুদ্রনীল আসলান সেই ষাটের দশকের কথা বলছি, যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ মদের চোরা-চালানের অজুহাত দেখিয়ে,মার্কিন পুলিশদের বিভিন্ন ক্যুইয়ার বারগুলোয় অভিযান চালানো একটি রীতি হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলো। আমরা এমন এক সময়ের কথা বলছি, যখন সে দেশের প্রচলিত আইন মার্কিন শাসকদের তখনও মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায় নি। পৃথিবীর প্রায় সমস্ত দেশেই সমকামীতা তখনও আইনত নিষিদ্ধ এবং

ছন্দ রবীন্দ্রপ্রতিভার উৎসমূলের সন্ধানে যদি ব্যাপৃত হই তবে দেখতে পাই তিনি বিচিত্রের দূত৷ তাঁর নিজেরই গানের ভাষায় –“জয় তব বিচিত্র আনন্দ কবি”। সাহিত্যের সব শাখায় নিরলসভাবে অবিরল ধারায় একের পর কাজ করে গিয়েছেন৷ অলোকসাধারণ সেই হাত থেকে ঝরণাধারার মতো অফুরন্ত ধারায় বেরিয়ে এসেছে — কবিতা, গান, ছোটগল্প, উপন্যাস,প্রবন্ধ, ভ্রমণকাহিনী, ভাষাতত্ত্ব, সংগীতচিন্তা, পত্রসাহিত্য, অজস্র নাটক ;

শঙ্খদীপ মুসাফিরানা বিশ্বায়নের যুগে দাঁড়িয়ে বিকল্প লিঙ্গ-পরিচয় ও প্রান্তিক যৌনতার অন্দোলন যা মূলত LGBTQ+ Movement বা Queer Movement নামে প্রসিদ্ধ তা সম্বন্ধে আমরা সবাই কম বেশি অবগত। অনেকেই এই আন্দোলনকে সমর্থন করেন এই গোষ্ঠীর সদস্য হিসাবে, কেউ সমর্থক হিসাবে। অনেকেই সমর্থন করেন না। সমর্থন না করার কারণ বিভিন্ন। কখনও তা ধর্ম, কখনও তা ‘সংস্কৃতি’, কখনও

মনিকণ্ঠ লোকে বলে ভালোবাসা নাকি বুঝে শুনে হয়না। তবে এই হেটারোনরমেটিভ সমাজে আমাদের একটু সাবধান হয়েই এদিকটায় পা বাড়াতে হয়। যৌনতা বিষয়টি এ “সভ্য” সমাজে একইসাথে খুব লজ্জার আবার তারসাথে সবথেকে আকর্ষণীয় বিষয়ও বটে।আর এর সূচনা হয় বয়ঃসন্ধিতে।এসময় যৌন অনূভুতির আগমনের সাথে আসে নতুন নতুন প্রশ্ন, নতুন বিষয়ে জানার নিষিদ্ধ আগ্রহ। সেক্স এডুকেশনের অভাবে এসময়

আরন্যক সেদিনের কথা আমার স্পষ্ট মনে আছে, ২০০৯ সালের কথা। ফেইসবুকে আমার ফেইক একাউন্ট দিয়ে কোন একজনের সাথে কথা চলছিলো বেশ কয়েকদিন ধরে। লোকটার বয়স তখন ৩৮ কি ৩৯ হবে। একদিন সে আমাকে দেখা করার কথা বললো আইডিবি তে।সেদিন আমিও ফ্রি ছিলাম। হুট করেই চলে গেলাম। পরে দেখলাম ল্যাপটপ সার্ভিসিং করাতে এসেছেন সাথে বোনাস হিসেবে

সুমন দাস (এই প্রবন্ধের প্রথমেই একটা কথা বলে রাখা ভালো, পৌরাণিক বলতেই ঐতিহাসিক বোঝায় না। কিন্তু পুরাণ যে একেবারেই ইতিহাস শূণ্য তাও বলা যায় না। তাই পৌরাণিক কাহিনী পুরোটাই ঐতিহাসিকভাবে সত্য, সে কথা যেমন জোর দিয়ে বলা যায় না।ঠিক তেমনি পৌরাণিক কাহিনীতে কিছুমাত্র ইতিহাস নেই সে কথাও বলা চলে না। সবশেষে এই কথা বলতেই হয়

সুমন দাস সনাতন-হিন্দুদের প্রথম ধর্মীয় (শাস্ত্রীয়) গ্রন্থ হলো বেদ। চার বেদের মধ্য সর্বপ্রাচীন বেদটি হলো ‘ঋগ্বেদ’ । এটির রচনাকাল মোটামুটি ১৫০০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দ। এই ঋগ্বেদে সাধারণত দেবতাদের প্রতিপত্তি দেখা যায়। এখানে বিভিন্ন দেবতাদের উদ্দেশ্য করে স্তুতি তথা গান (সাধারণ ভাষায় “মন্ত্র”) রচিত হয়েছে। এখানে একটি বিষয় লক্ষ্য করার মতো যে, এই বেদে প্রধান দেবতা কিন্তু ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর

লিখেছেন- সুমন দাস একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে এমন খুব কম সংখ্যক লোকেই পাওয়া যাবে, যাদের কাছে ‘সমকামী’ ( Homosexual ) শব্দটি পরিচিত নয়। এই প্রবন্ধে পৌরাণিক যুগের দুই ‘সমকামী নারী’র ( Lesbian ) উপাখ্যান সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে। এই আখ্যান সবচাইতে ভালো ভাবে বর্ণিত হয়েছে ” কৃত্তীবাস ওঝার রামায়ণ পাঁচালিতে”। পৌরাণিক যুগে সূর্যবংশের একজন বিখ্যাত রাজা