
ছোটন জর্জিন ডেভিসের বয়স ৩৫ বছর, তিনি নিজেকে একটা মেয়ে হিসেবেই জানতেন। তার শারিরীক বৈশিষ্ট্যও নারীর সুলভ। কিন্তু যখন সে ২০ বছর বয়সের একজন তরুণী,ঠিক তখনই তিনি নিজের মেডিকেল রেকর্ড দেখে হোঁচট খেলেন কারণ মেডিকেল রেকর্ড অনুযায়ী সে একজন পুরুষ। তার দেহের জেনেটিক বৈশিষ্ট্য বা দেহ কোষে Y ক্রোমজমের অস্তিত্ব আছে। যখন জর্জিন ১৩

এম ডি রহমান অনলাইনে প্রায় একটি কৌতুক শেয়ার হতে দেখি অনেকটা এরকম ‘১৮ কোটি মানুষের দেশে সবাই যেন পরাগায়নে জন্মগ্রহণ করেছে’ যৌনতা নিয়ে মানুষের সংকীর্ণতার কারণে এধরনের কৌতুকের আবির্ভাব হয়েছে। বাংলাদেশে যৌনতা নিয়ে কথা বলাটাকে অনেক বেশি অরুচিকর ভাবা হয়। এখানে যৌন শব্দটাই একটা ‘ট্যাবু’। এই পরিবেশে যৌন প্রজনন স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলাটা খুব একটা

অশ্বিনী বিলুপ্তি ঠেকাতে দেশি সবজির বীজ সংরক্ষণ করে চলেছেন সাতক্ষীরার প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষাণী অল্পনা রানী মিস্ত্রি৷ বিবিসি নিউজে প্রচারিত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন ‘সব দেশী বীজ তো হারিয়ে যাচ্ছে, দেশি বীজ না রাখায় আমরা কোম্পানীর কাছে জিম্মি হয়ে গেছি। প্রতি বছর আমরা কোম্পানির কাছে যাচ্ছি, বীজ ফুটলো না, দ্বিতীয়বার আবার কোম্পানির কাছে যাচ্ছি।’ ইকোফেমিনিজম কৃষকের স্বনির্ভর

লিখেছেন অরণ্য দেব পশ্চিমের প্রাচ্য থেকে ইসলাম এ দেশে আসতে আসতে বারবার ঠোকর খেয়েছে কিছুটা কিন্তু কিছুটা দ্বন্দ্বে পড়ে গেছে এ দেশে এসেই। হাজার বছর ধরে চলা বাঙ্গালি সংস্কৃতির সাথে হয়ত কিছুটা সামঞ্জস্য করে নেবার চেষ্টা ছিলো। কিন্তু ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গকালীন সময়ের রাজনৈতিক পট১ পরিবর্তনের কারনে সামাজিক এই দুই ধারার যে বিপরীতগামিতা শুরু হয়েছিল তা

ন্যারেটিভ : লিওন খান আমি ছোটবেলা থেকেই ছেলেদের মতো পোশাক পরতাম চুল ছোট রাখতাম কারণ আমার পরিবার আমার এই প্রকাশভঙ্গি নিয়ে কখনো বাধা দেয়নি। আমার ভালো লাগতো ছেলেদের মতো চলা ফেরা করতে কিন্তু এটার কারণ কী সেটা জানতে পারি অনেক পরে, যখন আমি এসএসসি পাস করি তখন বুঝতে পারি যে আমার জন্য আসলে ছেলেদের রুপটাই

রাহুল সেন “সপ্ত বধূ মধু কলস কাঁধে শীলের পড়ে মাটির ভান্ড রাখে দাঁড়ায় শীলে পায়ের পারা দিয়া নিজের কপাল নিজেই ভাঙ্গে মাইয়া” (বাড়িওয়ালি, ২০০০) বাঙালি মধ্যবিত্ত পরিবারে “ঋতুপর্ণ” বরাবরি এক উপমা। আমাদের বয়ঃসন্ধিকালে, যে সময় থেকে ঋতুপর্ণ খ্যাতি অর্জন শুরু করলেন, এবং তার পরেও তাকে নিয়ে নানা মত, নানা বক্তব্য শুনে এসেছি – তার মধ্যে

নিউট্রন প্রথমেই বলে রাখি, এটা কোন গবেষণালব্ধ ফলাফল নয়। একান্তই আমার ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ এবং অভিমত। চলার পথে বেশ কিছু উভকামী মানুষের সংস্পর্শে আসার সুযোগ হয়েছে। সম্পর্ক তৈরী হয়েছে। কারো সাথে প্রেমের, কারো সাথে বন্ধুত্ব, কেউ কেবলই পরিচিতজন। যদিও আমি মৌলিক কিছু মানবিক আচরণ দিয়ে মানুষের ভালো- মন্দ বিচারে বিশ্বাসী, কিন্তু সামাজিকভাবে যৌনতা কিংবা যৌন অভিমুখিতাকে

লিখেছেনঃ ফ্লিন রাইডার আমাদের প্রধান পরিচয়( আইডেন্টিটি) গুলির একটি হল আমাদের জেন্ডার আইডেন্টিটি বা লিঙ্গ পরিচয়। যেমন প্রচলিত সামাজিক নির্মাণ(সোশাল কন্সট্রাক্ট) অনুযায়ী আমি একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ, আপনি হয়তো নারী। মায়ের পেটে থাকতে বা জন্ম নেবার সাথে সাথেই যৌনাঙ্গ দেখে আমাদের জেন্ডার আইডেন্টিটি সমাজ নির্মাণ করে দেয়, এই ছেলে হইছে, ওর মেয়ে বাচ্চা হইছে। এরপরে যৌনাঙ্গ

ন্যারেটিভ : আনিকা আমি আনিকা। কিশোরী থেকে যেন ধীরে ধীরে যৌবনে পদার্পণ করছি এবং নিজের ভিতরের এই বিবর্তনের সাক্ষী হয়ে থাকছি। নিজের দেহ, অস্তিত্ব অধিকার সম্পর্কে যতোই জানছি ততোই বুঝতে পারছি আমি একটু একটু করে বড় হচ্ছি। আমার এই বড় হওয়াটা শুধুমাত্র বয়স কিংবা শারিরীক বৃদ্ধিই নয় বরং একজন নারী হিসেবে বেড়ে উঠা। ট্রান্সউইম্যান বা
পত্রঃ তুমি ‘বাইসেক্সুয়াল’ সেটা কবে বুঝতে পারলে? সমুদ্রঃ ক্লাস টেনে। তখন আমার বয়স ছিল ১৬ বছর। পত্রঃ কিভাবে বুঝলে? সমুদ্রঃ আমার ছোটবেলা থেকেই মেয়েদের ভাল লাগত। সেটা শারীরিক বা মানসিক দুটো ক্ষেত্রেই। ছোটবেলায় মনে করতাম একটা মেয়ের শুধু ছেলেদের প্রতিই আকর্ষণ থাকে। তবে যখন মেয়েদের প্রতি ঝুঁকতে থাকলাম তখন মনে হল এসব কিছুই না। বয়স