
নিউট্রন প্রথমেই বলে রাখি, এটা কোন গবেষণালব্ধ ফলাফল নয়। একান্তই আমার ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ এবং অভিমত। চলার পথে বেশ কিছু উভকামী মানুষের সংস্পর্শে আসার সুযোগ হয়েছে। সম্পর্ক তৈরী হয়েছে। কারো সাথে প্রেমের, কারো সাথে বন্ধুত্ব, কেউ কেবলই পরিচিতজন। যদিও আমি মৌলিক কিছু মানবিক আচরণ দিয়ে মানুষের ভালো- মন্দ বিচারে বিশ্বাসী, কিন্তু সামাজিকভাবে যৌনতা কিংবা যৌন অভিমুখিতাকে

লিখেছেনঃ ফ্লিন রাইডার আমাদের প্রধান পরিচয়( আইডেন্টিটি) গুলির একটি হল আমাদের জেন্ডার আইডেন্টিটি বা লিঙ্গ পরিচয়। যেমন প্রচলিত সামাজিক নির্মাণ(সোশাল কন্সট্রাক্ট) অনুযায়ী আমি একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ, আপনি হয়তো নারী। মায়ের পেটে থাকতে বা জন্ম নেবার সাথে সাথেই যৌনাঙ্গ দেখে আমাদের জেন্ডার আইডেন্টিটি সমাজ নির্মাণ করে দেয়, এই ছেলে হইছে, ওর মেয়ে বাচ্চা হইছে। এরপরে যৌনাঙ্গ

ন্যারেটিভ : আনিকা আমি আনিকা। কিশোরী থেকে যেন ধীরে ধীরে যৌবনে পদার্পণ করছি এবং নিজের ভিতরের এই বিবর্তনের সাক্ষী হয়ে থাকছি। নিজের দেহ, অস্তিত্ব অধিকার সম্পর্কে যতোই জানছি ততোই বুঝতে পারছি আমি একটু একটু করে বড় হচ্ছি। আমার এই বড় হওয়াটা শুধুমাত্র বয়স কিংবা শারিরীক বৃদ্ধিই নয় বরং একজন নারী হিসেবে বেড়ে উঠা। ট্রান্সউইম্যান বা
পত্রঃ তুমি ‘বাইসেক্সুয়াল’ সেটা কবে বুঝতে পারলে? সমুদ্রঃ ক্লাস টেনে। তখন আমার বয়স ছিল ১৬ বছর। পত্রঃ কিভাবে বুঝলে? সমুদ্রঃ আমার ছোটবেলা থেকেই মেয়েদের ভাল লাগত। সেটা শারীরিক বা মানসিক দুটো ক্ষেত্রেই। ছোটবেলায় মনে করতাম একটা মেয়ের শুধু ছেলেদের প্রতিই আকর্ষণ থাকে। তবে যখন মেয়েদের প্রতি ঝুঁকতে থাকলাম তখন মনে হল এসব কিছুই না। বয়স

à¦à¦¾à¦¨à§à¦¤à¦¿à¦ªà¦°à§à¦¨à§à¦¦à§à¦° মানুষের সবচেয়ে পুরনো ঠিক কত বছর বয়সের স্মৃতি মনে থাকে? ২?৩?৪? ভাসাভাসা ভাবে আমার ৪, ৫ বছর বয়সের কিছু স্মৃতি মনে পড়ে। পুরান ঢাকার গেণ্ডারিয়ার সেই বাসা, বাসার ছাদের বিকেল বেলা, পাশের বাসার বন্ধু তন্ময়ের সাথে আমার খেলাধুলা। দুই তলার শান্তা, তিন তলার বীথি বা পাঁচ তলার বিন্নী আপু। আরও একটা বিষয় আমার স্মৃতিতে

লেখক : অরণ্য রাত্রি বডি শেমিং এখন খুব পরিচিত একটি শব্দ । অনেক জায়গাতেই এই ব্যাপারে আজকাল আলোচনা করা হচ্ছে। এবং দুর্ভাগ্যবশতঃ আমাদের দেশেও বডিশেমিং ব্যাপক হারে করা হয়। বডি শেমিং আসলে কি? বডি শেমিং হল মানুষের শারীরিক অবয়ব নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য করা বা এমন কিছু করা যা তার জন্য মানহানিকর। এক সময় মনে করা

লেখক : অনির্বাণ আমার মা একজন দর্জী। খুব ছোট সেলাই কাপড়ের একজন উদ্যোক্তাও বলা যায়। মায়ের কাছে গ্রামের কয়েকজন মেয়েও কাজ শিখতে আসে, সেই সাথে আম্মুর কাছে অনেক অর্ডার আসে তিনি সেই কাজগুলো করেন এবং ঐ সকল মেয়েদেরকে দিয়েও কাজ করান। সেই টাকা দিয়ে মা নিজের খরচ নিজেই চালাতে পারে, আমাদের ভাই বোনদের টুকিটাকি খরচও

লেখক : অশ্বিণী ডিজিটাল প্রযুক্তি মুহূর্তের মধ্যে তরুণদের রাজনৈতিক মতাদর্শ, অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে অভিনব উপায় হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। অনলাইনে তর্কবিতর্ক, ভালো লাগা, মন্দ লাগা, নিজস্ব প্রকাশ ভঙ্গি ইত্যাদি বিষয় নিয়ে দ্রুততার সাথে সোস্যাল মিডায়ায় নাগরিক অংশগ্রহণ অনেক সহজ হয়ে উঠেছে৷ নতুন নতুন প্রযুক্তি যেমন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেয়, ঠিক তেমনি নতুন নতুন অপরাধেরও জন্ম দেয়।

লেখক : নিরালোকে দিব্যরথ সার সৈকতের বালিতে পুরুষাঙ্গ আর ভ্যাজাইনার সঙ্গমের প্রতিরূপ এঁকে শিশু হলের উদ্দেশ্যে তার শিক্ষক যৌনবিজ্ঞানের পাঠ দিয়ে জানাচ্ছিলেন- ‘কোনও পুরুষ কোনও নারীকে গ্রহণ করবে; বিয়ে এবং সন্তান নামের সামাজিক শৃঙ্খলে বাঁধা পড়বে, তার পেছনে শরীরের এই গুপ্তাঙ্গটির আছে বিশেষ ভূমিকা’। সেদিন গ্রীবা তুলে হল প্রত্যুত্তর করেছিল- সে মনে করে, বিবাহ কর্মটি

à¦à§à¦à¦¨ ভার্জিনিয়া উলফ ও ভিটা স্যাকভিল ছবি সোর্স : brainpicking.org ১৯২২ সালে ডিসেম্বরের এক জাঁকজমকপূর্ণ সন্ধ্যায় ভার্জিনিয়া উলফের সাথে ভিটা স্যাকভিল ওয়েস্টের প্রথম দেখা। সেদিনের ডিনার পার্টির হোস্ট ছিলেন ভার্জিনিয়া উলফের দেবর ক্লাইভ বেল। ভার্জিনিয়ার বর লিওনার্দ উলফ ছিলেন তৎকালীন রাজনৈতিক তাত্ত্বিক, চিন্তক এবং লেখক। ভার্জিনিয়া নিজেও বেড়ে উঠেছেন লন্ডনের শিক্ষিত সংস্কৃতিমনা পরিবারে। তার বাবা