
অরিত্র হোসেন* একজন বাংলাদেশী কুইয়ার লেখক এবং মানবাধিকার কর্মী। ছদ্মনামে ও আসলনামে ২০১১ সাল থেকে লেখালেখি করছেন এবং বাংলাদেশের প্রান্তিক লিঙ্গ ও যৌন জনগোষ্ঠীর অস্তিত্ব রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি ‘মন্দ্র’ এর প্রতিষ্ঠাতা। গল্পঃ বিদায় অর্ঘ্য, প্রতীতি , প্রেমশাস্ত্র, অভিলাষ, ফলঙ্গ, অপ্রাপ্তি উপন্যাসঃ চরিত্রহীন , নীলকান্তমণি প্রবন্ধঃ অদৃষ্টের পরিহাস , পাঁচমেশালী লঙ্কাকাণ্ড *অরিত্র হোসেন ছদ্মনাম
লেখক একজন সাধাসিধে দেড় হাতা মানুষ। নিজেকে ঊনবিংশ শতাব্দীতে জন্মগ্রহণকারী ‘উইজার্ড অব অজ’ দাবি করেন। বেইথোফেন যখন ফিফথ সিম্ফোনি কম্পোজ করছিলেন, তিনি নাকি পাশে বসে তাকে সঙ্গ দিয়েছিলেন। ভ্যান গোউয়ের “সানি ডে”র বদলে “স্টারি নাইট” আঁকার বুদ্ধিটাও তাঁর দেয়া। ভিক্টোরিয়ান পিরিয়ডে পুরো বিশ্বটা তাঁর হেঁটে হেঁটে দেখা! লেখকের প্রথম প্রেম হারকিউলিস। একিলিস, হেক্টর ছিল ক্রাশের
আমি ‘মেঘ রাজ সাইমুন’।’মেঘ রাজ’ সংযুক্ত করার বিশেষ কারন হলো নিজেকে নীল আকাশে মুক্ত মেঘের রাজা ভাবতে ভালো লাগে।যদিও নিজের নিজস্বতা নিয়ে আমি স্বাধীন নয়।এতক্ষণে নিশ্চয় বুঝতে পারছেন যে,আমি নিশ্চয় সমাজের স্বাভাবিক আর পাঁচদশটা ছেলের মতো নয়।হ্যাঁ,ঠিক ধরেছেন,আমি একজন সমপ্রেমী।বাংলাদেশের যৌনসংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর একজন।সমাজের অদৃশ্য অন্ধকারের মাঝে লুকিয়ে আছি।কিন্তু নিরালোক বা অন্ধকার ভেদ করে আমি সামনে
এ নামটি আমার দ্বৈত জীবনের জন্ম সনদ। আমি অভিক। ১৯৯৭ সালের মার্চের কোন এক দিনে আমার জন্ম। শৈশব কেটেছে ময়মনসিংহের সবুজে ঘেরা কোন এক মফঃস্বল শহরে। সেখানের ধুলিবাতাসের ঘ্রাণ গায়ে জড়িয়ে আমি পাড়ি দিয়েছি অগণন বসন্ত। এ জগতে পা দেয়া ২০১২ সনের শেষদিকে। তখন থেকেই লেখালেখির হাতেখড়ি। লেখালেখির পোকাটা বাবার থেকেই পাওয়া। কৈশোরের প্রেম ছিলো