Category: সাহিত্য

  • ফ্যান্টাসি

    ফ্যান্টাসি

    লেখকঃ অরণ্য রাত্রি আকাশ মেঘলা। ঝুম বৃষ্টি নামবে বুঝাই যাচ্ছে। রবিন বাসে। গন্তব্য গুলশান। গুলশান পৌঁছানোর আগে বৃষ্টি নামবে কিনা সেই চিন্তা করছে রবিন। আজকের ডেট টা  সে অনেক কষ্টে পেয়েছে। সোহেল ভাই খুব ভাল মত বলেছে যে আজকের কাস্টমর প্রচুর ক্ষমতাবান এবং ধনী। সে খুশি হলে ভবিষ্যতে অনেক কাস্টমার পাওয়া যাবে। রবিন উত্তেজিত। আজকে

    Read article →

  • হৃদয় মেশিন

    লেখকঃ শুভ্র ভাই সদ্য ঘুম ভাঙা চোখ মেললো তপু। তাকে ঘুম থেকে জাগতে দেখে পাশে এসে বসেছে হৃদয়। তপুর খোঁচা খোঁচা দাঁড়িতে গালে হাত বুলিয়ে বললো ঘুম কেমন হলো বাবুটা? তপু ঠোঁটের কোণে দুষ্টুমির হাসি ফুটিয়ে বলে ঘুমুতে আর দিলে কোথায়! সারা রাত তো খোঁচাখুঁচি করলে। বয়স যত বাড়ছে ততই বাড়ছে তোমার পাগলামী। হৃদয় ঝুঁকে

    Read article →

  • চিরকুট

    চিরকুট

    কবিঃ আইপি শহরে এত উপদ্রব দিনভর,ভীষণভাবে অসহনীয়! বকের দল দেখতে ইচ্ছে হয়,সাদা রংয়ের পালক ছুঁয়ে দেখতে ইচ্ছে হয়! জলে মুখ ডুবিয়ে বিম্ব দেখতে ইচ্ছে হয়,বেলা পেরিয়ে গেলে সবুজ ঘাস আর জলের কাছে যেতে ইচ্ছে হয়। হট্টগোল ঠেলে যুবক তোমার গায়ে ন্যাপথেলিনের ঘ্রাণ,কৈশোরের করিডোর থেকে স্মৃতিসব ঝরাতে ইচ্ছে হয়। বিকেলের চৌকাঠ পেরিয়ে সন্ধ্যার নদীর কাছে বসে

    Read article →

  • বীণাপাণি অপেরা

    কবিঃ শুভ্র নিষাদ গ্রাম জুড়ে ডামাডোল, বীণাপাণি অপেরার যাত্রা এসেছে। দলে দলে ছুটছে মানুষ; রাতের নেশায় বুঁদ হয়ে আছে সমস্ত গ্রাম। নিস্তব্ধ রাতে গ্রাম জুড়ে বেজে উঠে সানাইয়ের সুর, রাতের পর রাত ধরে চলে পালা  বেহুলার ভাসান গান কিংবা বার দিনের শিশুর প্রেমে  হাবুডুবুরত বার বছরের রূপবানের পালা। রূপবানের রূপে পাগল প্রায় সমস্ত গ্রাম পুরুষেরা

    Read article →

  • দ্বিতীয় প্রমিথিউস ও একটি যুবক!

    দ্বিতীয় প্রমিথিউস ও একটি যুবক!

    কবিঃ তারাশঙ্কর সুন্দর করে সাজানো এক হলঘরে বিচার-সভাটা বসেছিল, আমার বিচার সভা। বড় শক্ত অভিযোগ! অন্যায়কে একেবারেই সহ্য  করা হবে না, ওরা বলছিল। ‘ঝুলিয়ে দে ব্যাটাকে, শখ কত!’- একটি সুদর্শন যুবক চিৎকার করে উঠল। আমি ওর দিকে ফিরে একটু মুচকি হাসলাম, কিছুটা বা বিভ্রান্ত হয়ে চোখ নামিয়ে সে সরে গেল। গম্ভীর বিউগলের ভাষায় বিচারকদের আগমন-ধ্বনি

    Read article →

  • যেদিন তুমি জানবে!

    কবিঃ তারাশঙ্কর জড়ায়ে ধোরো আমায় যেদিন মরণের দেখা পাই,  যেদিন আমি মাটির ঘরে একলা শুয়ে কাটাই,  জানবে তুমি সেদিন আমার ভালবাসা ছিল সত্য,  সেদিনও আমি রইব কেবল তোমার জন্য উষ্ণ!

    Read article →

  • আমার মৃত্যু যে কারণে হতে পারে!

    কবিঃ তারাশঙ্কর উদ্ভিন্নযৌবনা তরুণীর বুকের ভাঁজ আমার শরীরে কাঁপন তোলে না। যুবকের শার্টের ফাঁকে উঁকি দেয়া বন্যতা আমাকে উন্মাদ করে তোলে। পেশল দৃঢ় খোলা বাহু তলোয়ার হয়ে আমাকে কুচিকুচি করে। ওই চোখ, ওই দৃষ্টি- ঘাম, সিগারেট আর পারফিউম এর মিলিত নেশা মস্তিষ্কের প্রতিটি নিউরনে ঝড় তোলে। তখন যুবকের ভালবাসা আমাকে শান্ত করে। নি:শেষ হতে হতে,

    Read article →

  • বিপন্ন পৃথিবী

    কবিঃ তারাশঙ্কর এখনো সূর্য ওঠে, প্রজাপতিরা আনন্দে খেলে ফুল থেকে ফুলে, নীলাকাশ মেঘদল ভেসে যায় উত্তরে, পর্বতের চুম্বনে নামে অঝোর বর্ষা, স্বচ্ছ জলের নিচে চিকচিকে সোনা বালি- আমি ভুলতে বসেছি আদিম বনের গন্ধ-মাতাল হাওয়া, সোঁদা মাটির ঘ্রান, রুপালি জোছনায় হাজার তারার বাতি- কী এক অবসন্ন মায়ায় ক্লান্ত আমি তবু দিন গুনি, ফিরে যাই,তারপর; তোমার হাতে

    Read article →

  • বৃষ্টি -বিলাস

    কবিঃ তারাশঙ্কর আমার আকাশ এখন খুব ছোট, খুব সহজেই জানলার ফ্রেমে আটকা পড়ে যায়। হলদে-রোদ এসে জানলার কাঁচে ধাক্কা খায়, আলোটা আসে না ঠিক- কিন্তু তীব্রতাটা বুঝে নেই। দৃষ্টিপথকে ঘোলাটে করে আকাশ জুড়ে কান্না নামে। বৃষ্টির রাতে আঙ্গুল দিয়ে জানলার কাঁচের ময়লা সরিয়ে, তোমার নাম লিখি ইচ্ছেমত ভাষায়, অক্ষরে। এই বৃত্তবন্দী নাগরিক জীবনে ওটুকুই আমার

    Read article →

  • বিষণ্ণ কামনা

    কবিঃ তারাশঙ্কর আমি চুপি চুপি খুন হই প্রতিদিনই; আমার লাশের ‘পরে লক্ষ কীটের আবাস- সে সব গলিত শবের হিসাব কে রাখে? অতৃপ্ত কামনারা তাই জেগে থাকে সারারাত, যেখানে ফুলের  বিছানায় মনোহর কালো সাপ তোমার চারপাশে রংধনুর সাত রঙ;- আমার চোখে খেলা করে অনন্ত বিষাদ।

    Read article →