কবিঃ তারাশঙ্কর আমার সামনে পড়ে আছে একখণ্ড মাংসপিণ্ড। নিথর, নিশ্চুপ- রক্ত আর ছেঁড়া চামড়ায় মেখে সে আমার দিকে চেয়ে আছে কী তীব্র অনিঃশেষ বেদনায়! ওর চোখ দুটো বন্ধ করে দেয়া দরকার। আমার ভয় করছে… অ্যাই, কে আছিস? চোখগুলো বন্ধ করে দে তো! না না…শুধু চোখ না, ওর মাথাটাও ঢেকে দে! ওর নাক চেপে ধর! মুখে কাপড় গুঁজে দে!
কবিঃ তারাশঙ্কর আমি এখন তোমায় ছাড়া বাঁচতে পারি বাঁচতে পারি। শ্যাওলা পরা রাস্তা ধরে একলা হেঁটে চলতে পারি। এখন আমি ভয় করি না রাত্রিবেলা একলা শুতে, এখন আমার অনেক সাহস ভয় করি না মামদো ভূতে। তোমায় ছাড়া এখন আমি একলা খেয়ে নিতে পারি, জোছনা রাতে একলা ছাদে সুখের গান গাইতে পারি। এখন আমি ছাত্র ভাল
লেখক :- অনির্বাণ আহমেদ ১ দীর্ঘ নিস্তবদ্ধতা ভেঙে হাঠৎই ডুকরে কোন একজন কেদে উঠলো আর বলতে লাগলো ‘আমার আব্বা জানলে আমাকে মেরে ফেলবে’। তখনই হুশ ফিরলো আমার, হাটু গেড়ে প্রিজন ভ্যানের দেয়ালে মুখ নিচু করে হেলান দিয়ে বসে ছিলাম। প্রিজন ভ্যানের সরু জানলা দিয়ে আসা হালকা আলোতে সকলের মুখ দেখতে পাচ্ছি। খেয়াল করলাম সবাই ডুকরে
কবিঃ জুলহাজ মান্নান আমার হ্রদের নিরুত্তাপ জলে বহুজনের উন্মত্ত সন্তরণ প্রতিযোগিতা। আমি তবু একধারে শুধু পা ভেজানোর ছলে জলের আবহাওয়া বুঝি। সুনামি কিংবা জলোচ্ছ্বাসের ভয়ে নয় আকাশ ভেঙে বৃষ্টি নামলে রাবারের রেইনকোট কি পারবে আমাকে টাটকা রাখতে? এর মাঝেই বহুজনেরা সাঁতরে এপার ওপার। ওপারে নাকি পোনা মাছের চাষ আছে আছে, মৎস্যকুমারীরাও দাবি দু’একজনার। ‘গেলমান’ কে
লেখকঃ আনন্দ আহমেদ জ্বী দাদাভাই! ঠিকই ধরিয়াছেন, ইহা একখান কতির কথকতা। কতির কত কথাও কহিতে পারেন, বিশেষ কোন সমস্যা নাই। বাংলার মাটিতে আমার মতন কপালপোড়া কতিদের যে অভাব নাই, সে কথার বিশদ ব্যখ্যা নিষ্প্রয়োজন। মুখবই বা পোলাজ্যাম খুলিয়া দেখেন, কতিদের অভাব নাই। অভাব নাই স্থানেরঃ যেইখানে আপনি আনন্দের সহিত সময় নিয়া রতিক্রিয়া সম্পন্ন করিতে পারিবেন।
কবিঃ ভ্যালেন্টাইন সৈকত কি-ই-বা যায় আসে তোমার,যদি খবর শোনো কারো হৃদয় ভাঙ্গার !সঙ্গিনী,সন্তান নিয়ে তোমার সুখের সংসার,একবারোকি ভেবেছো কিনিয়ে বাকিটা জীবনআমি করবো পার ?সমপ্রেম বা সমকাম যাই বলোসেটাকি শুধুই ছিলো আমার একার ?তাতেকি তুমিও নও সমান অংশীদার ?তাহলে কেন আজ তোমার জীবন পূর্ণতারআর আমার জীবন পুরোটাই ব্যাথার ?হে প্রিয় !এর কি জবাব দেওয়ার আছে তোমার
লেখকঃ এনজেল তারেক রোহিত একজন গ্রাম্য স্কুল মাষ্টারের ছেলে, তারা মধ্যবিত্ত পরিবারের মধ্যে একটা পরিবার, রোহিত তার বাবা মায়ের একমাত্র ছেলে তাই সে পরিবারের কাছে খুব আদরের, গরীব হলেও তার বাবা মা তাকে রাজকীয় ভাবেই বড় করার চেষ্টা করছে সবসময়।রোহিত খুব ভালো ছবি আঁকতে পারে ছবি আঁকতে ভালোবাসে,রোহিত একটা ঠান্ডা মেজাজের খুব শান্ত শিষ্ট ছেলে
লেখকঃ প্রিন্স বাপ্পী সে অনেকদিন অাগের কথা। তখন মুক্তাগাছায় রাজা অনিল অাচার্যের শাসনামল।রাজা বুড়ো হয়েছেন তাই তিনি মনোস্থির করলের তার কিছু হওয়ার অাগেই তার পুত্রকে সিংহাসনে বসাবেন।যেই ভাবা সেই কাজ। খুব ঘটা করেই সম্পন্ন করলেন কুমার কিশোর অাচার্যের রাজ্যাভিষেক। দেবী চন্দ্রার সামনে ১০১ টা পাঠা বলির মাধ্যমে ও মহাভোজের অায়োজন শেষ করে কুমার কিশোরের রাজ্যাভিষেক
লেখকঃ সামীউল হাসান সামী সেদিন শুক্রবার। প্রতিদিনের ব্যাস্ততার মতো সেদিন রাজবাড়ি এতটা ব্যাস্ত ছিলোনা। তবে ব্যাস্ততাইবা থাকবে কেনো.? মাত্রতো দুপুর। কিছুসময় পর ব্যাস্ততার চিরচেনা রুপ দেখাযাবে। আমরা কয়েকজন কয়েকজন বলতে ৩০ কী ৩৫ জন হবো। গতকাল রাজা বলেছেন আমাদের নিশ্বাস নিতে দেবেনা। কেনো দেবেনা প্রশ্ন করতে সেনাপতি বললেন এটা রাজআইনে আছে।প্রশ্ন করলাম, এটাতো অন্য সবার
লেখকঃ অরণ্য রাত্রি ১আইটেম দিয়ে ক্লাস থেকে বের হয়ে দেখলাম বাইরে ঝলমলে রোদ।মন টা ভাল হয়ে গেলো। সিঁড়ি দিয়ে নামছি। একটা মেসেজ এসেছে মোবাইলে টের পেলাম। যা ভেবেছিলাম তাই। চন্দনের মেসেজ। চন্দন আমার চ্যাট ফ্রেন্ড। একটা সমকামী চ্যাট সাইটে তার সাথে আমার পরিচয়। হ্যাঁ আমরা ২ জনই সম-প্রেমী । আমি পড়ি ঢাকার একটা মেডিকেল কলেজে।