লেখকঃ এনোনিমাস রাইটার এপ্রিলের ২৫ তারিখ।ঘড়ির কাটায় রাত ৮.৩০ মিনিট।বৃষ্টি হচ্ছে সারা শহরময়।ভাঁড়ি বর্ষণ। মাঝে মাঝে আকাশে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। খান মঞ্জিলের সামনের একটা টুলে বসে আছে এক প্রৌঢ় দারোয়ান। মাঝে মাঝে বাতাশের ঝাপটায় গুড়িগুড়ি বৃষ্টির ফোটা ছিটকে এসে লাগছে দারোয়ানের গায়ে। তাই দারোয়ান তার টুল সমেত গেটের ভিতরে চলে এলো। গেটের ছিটকিনিটা টেনে দিয়ে আরাম
লেখক :- অরণ্য রাত্রি ১আইটেম দিয়ে ক্লাস থেকে বের হয়ে দেখলাম বাইরে ঝলমলে রোদ।মন টা ভাল হয়ে গেলো। সিঁড়ি দিয়ে নামছি। একটা মেসেজ এসেছে মোবাইলে টের পেলাম। যা ভেবেছিলাম তাই। চন্দনের মেসেজ। চন্দন আমার চ্যাট ফ্রেন্ড। একটা সমকামী চ্যাট সাইটে তার সাথে আমার পরিচয়। হ্যাঁ আমরা ২ জনই সম-প্রেমী । আমি পড়ি ঢাকার একটা মেডিকেল
লেখক :- Valentine প্রতিটা সাধারন মানুষকে বলছি আপনি নারী ,পুরুষ,গে লেসবিয়ান অথবা হিজড়া ফর্সা,কালো,শ্যামলা,লম্বা বা বেটে যাই হোন না কেন এটা কি আপনি ইচ্ছা করে হইয়েছেন ? কেউ কি তার জন্মের আগে ইচ্ছা করে সে কি হবে তা ঠিক করে জন্ম নিতে পারে ? কেউ কী ইচ্ছা করে সে কোন দেশের নাগরিক হবে সেটা, কোন
লেখক :- রোমাঞ্চ ঘটনাটি অদ্ভুত এবং সত্য ঘটনা। এই ঘটনার সাথে তিনজন মানুষ প্রত্যক্ষদর্শী। ২০০৯ সালের নভেম্বরের ঘটনা।। আমি তখন রাজধানী ঢাকার বাংলামটর ইস্কাটনের সাপ্তাহিক ২০০০ এর গলিতে একটি বাসায় উঠেছি। পাশাপাশি দুটো ঘর, একটি টিনের চালওয়ালা আর একটি ছাদওয়ালা। বাড়ীওয়ালা ছাদওয়ালা ঘরটি ভাড়া দেয়নি। তালা বদ্ধ থাকে। তবে ছাদে যাওয়ার সিড়ি ছিলো। ওটা খোলা
লেখক :- পরিশ্রান্ত পথিক ১.এখন সকাল ৬ টা।অনেকের কাছে বেশ বেলা হয়ে গেছে।কাঞ্চনপুর গ্রামের মানুষের কর্মব্যস্ততা শুরু হয়ে গেছে।কেউ গোয়াল থেকে গরু বের করছে,কেউ খোয়ার থেকে হাঁস-মুরগি বের করছে।মেয়েরা উঠান ঝাড়ু দিচ্ছে।খেটে খাওয়া মানুষেরা নিজ নিজ গন্তব্যে চলে গেছে ইতোমধ্যে।জাফর মিঞার বাড়িতে আজ সকালটা একটু সরব।এমনিতেও এ বাড়িতে হাট লেগেই থাকে এলাকার বড় বাড়ি বলে
লেখক :- সানশাইন ক্রিস্টাল ফেইক আইডি রায়হান তাসির। প্রতিদিন রিকুয়েস্ট দেয়, আমি ডিলিট করে দেই। ফার্স্ট যেদিন রিকুয়েস্ট দিল, সেদিনই প্রোফাইল ঘেটে বুঝেছি ফেইক। একদিন মেসেঞ্জার ইনস্টল দিলাম। থার্টিন মেসেজ রিকুয়েস্ট। ক্লিক করলাম, ৮ নাম্বারটা রায়হান তাসিরের। ৯৯+ মেসেজ, অবাকই হলাম। অন করলাম।প্রথম মেসেজটা ভাউ রিকুয়েস্টটা একসেপ্ট করেন। বাকীগুলা সব প্লিজ। হাসি পেল। একসেপ্ট করলাম।
লেখক :- ঘাসফড়িং ১খুব সোজাসাপটা আর অনাড়ম্বর জীবনই আমার।একদম সচ্ছ পানির মত ঝকঝকে।উপর থেকে দেখলেই সমুদ্রের পানির মত যার গভীর ভেতরটা পর্যন্ত দেখা যায়।খুব সহজেই নাকি আমাকে সবাই বুঝে নিতে পারে।অবশ্য এটা সবাই বলে। কিন্তু আজ পর্যন্ত এখনও এমন একজনকেও দেখিনি যে আমাকে বুঝতে পেরেছে।জানতে পেরেছে আমার ভেতরটা।তাই পরিবারসহ ফ্রেন্ড সার্কেলের এই তত্ত্ব আমার বিশ্বাসে
লেখক :- সামীউল হাসান সামী পেয়ারা বাই! একজন যাত্রা শিল্পী। দির্ঘ্য ৩২ বৎসর হয়ে গেছে সে যাত্রা পালায় অভিনয় করছে। শুরুটা ১৪ বৎসর বয়সে হয়েছিলো। একটু আধটু পড়াশোনাও হয়েছিলো সে সময়। যাত্রার শুরুটা তার নারী চরিত্রে। মঞ্চে তার দাপটি অভিনয়ে বারবার তাকে নিয়ে এসেছে কেন্দ্রীয় চরিত্রে। সে সময়ে নায়িকা চরিত্রে তার সঙ্গে পেরে উঠার মতো কেউ
লেখক :- জনি ড্যানিয়েল ।। ১ ।।অনেকদিন থেকে আমি উদভ্রান্তের মত রয়েছি।উত্তরে ১১ নম্বর সেক্টরের লেবুর মোড়ে আসমা ভবনের সামনে ঘুরঘুর করে ঘুরে বেড়াচ্ছি কয়েক মাস ধরে।পইপই করে খুজেছি পুরোটা ঘর, তল্লাশি চালিয়েছি প্রতিটা ঘরের কোণে।নাহ, খুনের কোন আলামত পেলামনা।যেই জানালার কাছে খুন হয়েছিল,সেই জানালার কাচে রক্তের দাগটা শুকিয়ে কালো দাগ হয়ে আছে।জানালা দিয়ে তাকালে
লেখক : – অরণ্য রাত্রি ১শীতের রাত।কন কনে শীত । ঘরের আলো নিভিয়ে লেপের তলায় শুয়ে রয়েছে রবু।তাতেও ঠাণ্ডা কাটছে না। লেপের ভিতর এ মোবাইল রেখেই ফেসবুকে ঢুকেছে সে। পাশের ঘরেই বাবা মা। তাই লেপের তলাতেই মোবাইল রাখতে হয়েছে।তা না হলে ধরা পড়লে কপালে মার রয়েছে।আজকাল সারা রাতই ফেসবুকে থাকে রবু। ঘুম আসে না রাতে।