লেখকঃ ঘাসফড়িং ১কাঁধ থেকে ব্যাগটা ঝাঁকি মেরে বিছানায় ফেললাম।প্রচণ্ড গরমে শরীরটা একদম জ্বলছে।পাক্কা দুঘণ্টা এই অবস্থায় গেছে। একটা পরিপাটি ঘরই আমাকে দেওয়া হয়েছে।সৌন্দর্যের ছাপ উঠে রয়েছে খুব স্পষ্ট ভাবেই।ঘরের কর্তিটাও হয়ত খুব ভাল মনের। একজন হুজুর হিসেবে সব খানেই সম্মানীটা বরাবর একটু বেশিই পাই।অবশ্য শুধু আমার ক্ষেত্রেই নয়।হুজুর জাতটার জন্যই এই জিনিসটা প্রযোজ্য। কিন্তু আমার
লেখকঃ তারাশঙ্কর ১) কলেজের গেট থেকে বেরিয়ে হাতের বাঁয়ে একটু এগুলেই একটা সরু গলি। গলির মুখেই এনায়েত মামার জমজমাট চায়ের দোকান। অবশ্য নিহানদের দলটা এখানে আসে ঠিক চা খাবার জন্য নয়, চায়ের চাইতে বরং টা-এর দিকেই ওদের ঝোঁকটা বেশি। আশেপাশে আরো বেশ কিছু জায়গা থাকলেও এটা ওদের পছন্দের জায়গা, কারণ দোকানের পেছনে খানিকটা জায়গা আছে,
লেখক :- Valentine ২০১২ সালে আমার ফেক আইডি থেকে রিজনের সাথে আমার পরিচয় ! আমার বাড়ি থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে নরসিংদীর কাদির মোল্লা টেক্সটাইলে এসিস্টেন্ড ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে রিজন চাকরি করে !প্রতিদিন আমার আর রিজনের মোবাইলে কথা বলার একটা সিডিউল হয়েগিয়েছিল আমাদের অজান্তেই !রিজন অফিসে গিয়ে সকাল ৮ টায়,নাস্তা করার সময় সকাল ১০ টায়,আবার সকাল
লেখকঃ একলা পথিক ~ কেমন আছো সিমু? _ এইতো আছি আর কি…! ~ আমি কেমন আছি জানতে চাইলে না যে…? _ জানার ইচ্ছে শেষ হয়ে গেছে। ~ কারণটা জানতে পারি…? _ কিছু কারণ না হয় অজানাই থাক। ~ ওহহ…হুমম! আচ্ছা…মাইশা কোঁথায়? ওকে দেখছি না যে…? _ মাইশাকে মায়ের কাছে রেখে এসেছি। ~ মাইশাকে কতদিন হলো
লেখকঃ মহাকাল হাসান ১) এইতো এই মাসেই আদনানের বয়স ৪৫ পার হল। এ বয়সেই মাথায় মস্ত এক টাক। চুল গুটি কয়েক যা আছে তাতেও পাক ধরেছে। বেশ বিশাল এক ভুঁড়িও আছে। শরীরের প্রতি তেমন একটা যত্নবান সে কখনোই ছিলনা। লোমশ শরীরে সুগন্ধিতো সে মাখে তবে কোন ব্র্যান্ডের খুব একটা ধার ধারেনা। লোমশ হাতে সোনালি রঙের
লেখকঃ শতদ্রু আনন্দ ১. মারিয়া দাঁতে দাঁত চেপে বললো- “বর্ষণ সাহেব আপনি ঠিক আছেন?” বর্ষণ চমকে উঠে বিব্রত ভঙ্গিতে হাসার চেষ্টা করলো, বিব্রত ভঙ্গিটা কাটাতে খুকখুক করে কাঁসলো একটু।”আমি ঠিক আছি মারিয়া।” মারিয়া আবারো ফিসফিস করে বললো “বর্ষণ সাহেব আজকের মিটিংটা আমাদের জন্য অনেক জরুরী। আপনার প্রেজেন্টেশনের উপরেই নির্ভর করছে আমাদের কম্পানি প্রজেক্টটা পাবে কিনা।
কবিঃ অভিলাষ আমি উদ্দম, আমি সাহসী, আমি নির্বাক, আমি রামপাল , আমি পাল বংশের মহিপাল, আমি দূর্বার, আমি চারণ ভুমির সৈনিক। আমি মৃত্যু পথের পথিক। আমি কথা বলা সেই তোতাপাখি, আমি সতমঞ্চের নায়ক। আমি সাধারন থেকে অসাধারন। আমি মানুষ, আমি বহুবেদী।। আমি সাত রং এর রংধনু।।। আমি পুরুষ, আমি পুবালী হাওয়ার গন্ধ, তাই আমার স্বাভাবিক
কবিঃ অভিলাষ ভালবাসা মানে ২টি মনকে এক ভাবা। ভালবাসা মানে হাজারো কষ্টে থেকে, প্রিয় মানুষটিকে দেখে কষ্ট ভুলে যাওয়া। ভালবাসা মানে রংধনুর খেলা। ভালবাসা হলো নিজের প্রতিটা গন্তব্যে প্রিয় মানুষটিকে স্বরন করা। ভালবাসা হল দুঃখের মাঝে একটু সুখ। ভালবাসা হল বুনোহাসের বিলের ঢেউ, ভালবাসা হল শেফালী বনের শিউলী ফুল। প্রিয় বুঝো হে ভালবাসার মর্ম। যেখানে
লেখকঃ অরণ্য রাত্রি প্রথম পর্ব সকাল থেকেই আকাশটা ঘন কালো হয়ে আছে। মনটাও গুমোট । ভাল লাগছে না। অক্টোবরের প্রায় শেষ। অথচ বৃষ্টি থামছে না। যা ভাবছিলাম তাই হল। ঝুম বৃষ্টি নামলো। বারান্দায় দোলনায় দোল খাচ্ছিলাম। হাতে গল্পের বই। হুমায়ুন আহমেদের শ্রাবণ মেঘের দিন। বৃষ্টির পানি ছিটকে এসে গায়ে লাগছে। ঘরে এসে বসলাম। আজকে কোথাও
কবিঃ মেঘ রাজ সাইমুনউৎসর্গ-অবুঝ আমি। আমি চেয়েছিলাম-বন্ধুত্বের খোলা জালানায়;হু হু করে ঢুকে পড়ুক বিশ্বাসের পরিচ্ছন্ন বাতাস। আমি চেয়েছিলাম-বিচ্ছিন্নতার ঘাতক ছুরি যেন;আমাদের মধ্যে প্রবেশের দুঃসাহস না পায়। আমি চেয়েছিলাম-সৌহার্দ্যের সেতুর উপর;আমাদের অবিনাশী নৃত্যের উজ্জ্বল মূদ্রা। এখন আমাকে ফিরতে হচ্ছে-বিধ্বস্ত পলাতক সৈনিকের মতো;ইউনিফর্ম ত্যাগী অস্ত্রছাড়া স্বপ্নশূন্য।তোমার সান্নিধ্যের বদলে-কষ্টের আলিঙ্গনে আমার ওষ্ঠাগত প্রাণ;তবুও তোমাকে খোঁজে বারবার। ——————————————–লেখাঃ রবিবার,১১ই