
প্রচ্ছন্ন রৌদ্র সে এক রাজপুত্তুর ! না, কেবল কল্প কাহিনীর পাতায় বন্দি,কোনো চরিত্র নয়। তার নাম-পরিচয়-অস্তিত্ব সবই বাস্তব। সে যখন এসেছিল, তখন কারো দেহ-মনেই যৌবনের কুসুম-কলি ফোটেনি – না তার, না আমার। কাজেই, সম্পর্কটা কেবল বন্ধুত্বেরই ছিল। কিন্তু শুরু থেকেই বন্ধুত্বের টানে ছিল এক অন্য মাত্রা – তার দিক থেকে ছিল কিনা এখনো জানি না,

রুদ্রনীল আসলান সেই ষাটের দশকের কথা বলছি, যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ মদের চোরা-চালানের অজুহাত দেখিয়ে,মার্কিন পুলিশদের বিভিন্ন ক্যুইয়ার বারগুলোয় অভিযান চালানো একটি রীতি হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলো। আমরা এমন এক সময়ের কথা বলছি, যখন সে দেশের প্রচলিত আইন মার্কিন শাসকদের তখনও মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায় নি। পৃথিবীর প্রায় সমস্ত দেশেই সমকামীতা তখনও আইনত নিষিদ্ধ এবং

তন্ময় সরকার প্রিয় রবি, কেমন আছো তুমি? আজকে তোমার মৃত্যুর আশিটা বছর হতে চলল।অথচ তুমি যে মানুষটি, মৃত্যুকে নিজের প্রেমিক ভেবেছ,বলেছ -“মরণ রে, তুঁ হুঁ মম শ্যামসমান!” সেই মৃত্যুই কতটা নিষ্ঠুর ভাবে তোমাকে আমাদের থেকে কেড়ে নিয়েছে! তুমি তো কখনোই জীবনবিমুখী ছিলে না। তাইতো ‘প্রাণ’ কবিতায় বলেই বসেছ – “মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে,

ছন্দ রবীন্দ্রপ্রতিভার উৎসমূলের সন্ধানে যদি ব্যাপৃত হই তবে দেখতে পাই তিনি বিচিত্রের দূত৷ তাঁর নিজেরই গানের ভাষায় –“জয় তব বিচিত্র আনন্দ কবি”। সাহিত্যের সব শাখায় নিরলসভাবে অবিরল ধারায় একের পর কাজ করে গিয়েছেন৷ অলোকসাধারণ সেই হাত থেকে ঝরণাধারার মতো অফুরন্ত ধারায় বেরিয়ে এসেছে — কবিতা, গান, ছোটগল্প, উপন্যাস,প্রবন্ধ, ভ্রমণকাহিনী, ভাষাতত্ত্ব, সংগীতচিন্তা, পত্রসাহিত্য, অজস্র নাটক ;

শঙ্খদীপ মুসাফিরানা বিশ্বায়নের যুগে দাঁড়িয়ে বিকল্প লিঙ্গ-পরিচয় ও প্রান্তিক যৌনতার অন্দোলন যা মূলত LGBTQ+ Movement বা Queer Movement নামে প্রসিদ্ধ তা সম্বন্ধে আমরা সবাই কম বেশি অবগত। অনেকেই এই আন্দোলনকে সমর্থন করেন এই গোষ্ঠীর সদস্য হিসাবে, কেউ সমর্থক হিসাবে। অনেকেই সমর্থন করেন না। সমর্থন না করার কারণ বিভিন্ন। কখনও তা ধর্ম, কখনও তা ‘সংস্কৃতি’, কখনও

মৃত্তিকা খানম আমি অঙ্কুরের মতো সুন্দর। আমি চির তারুণ্য, ষোড়শী তরুণীর মতো সুন্দর। আমায় না যায় ছোঁয়া, না যায় মাপা, আমি সীমাহীন ব্যাপ্তির মতো সুন্দর। আমি শূন্যের মতো সুন্দর। আমি আমার মৃত্তিকার মতো সুন্দর। আমি স্নিগ্ধ বাতাসের মতো সুন্দর। আমি সবুজ ঘাসের, নরম আঁচড়ের মতো সুন্দর। আমি আবর্জনা, ময়লার স্তূপের মতো সুন্দর। আমি রাতে নিশি

আজিজুল হক নাজিম বিকেলে হাঁটতে বের হল। হাঁটতে বের হলেই সে দেখতে পায় অনেক রকমের দৃশ্য; দেখতে পায় তার বয়সী কয়েকজন দাপিয়ে ফুটবল খেলছে তার বাড়ির পাশের মাঠে; আবার মাঠের আরেক পাশে খেলা হচ্ছে ক্রিকেট। ওদিকে দেখতে পায় মেয়েরা মাঠের কোণের দোলনার দিকে দাঁড়িয়ে গল্প আর খুনসুটি করছে। এসব দেখে নাজিমের মনে হয় ওরা সবাই

মনিকণ্ঠ লোকে বলে ভালোবাসা নাকি বুঝে শুনে হয়না। তবে এই হেটারোনরমেটিভ সমাজে আমাদের একটু সাবধান হয়েই এদিকটায় পা বাড়াতে হয়। যৌনতা বিষয়টি এ “সভ্য” সমাজে একইসাথে খুব লজ্জার আবার তারসাথে সবথেকে আকর্ষণীয় বিষয়ও বটে।আর এর সূচনা হয় বয়ঃসন্ধিতে।এসময় যৌন অনূভুতির আগমনের সাথে আসে নতুন নতুন প্রশ্ন, নতুন বিষয়ে জানার নিষিদ্ধ আগ্রহ। সেক্স এডুকেশনের অভাবে এসময়

অরণ্যরাত্রি সুমির কথা, আমাদের বাসায় একটি মাত্র আয়না রয়েছে। সেটা হল মায়ের ড্রেসিং টেবিলের আয়না। আমি যখন ছোট ছিলাম, তিন কি চার বছর বয়স, তখন এই আয়নাটা আমার একটা খেলনার মত ছিল। কিছুক্ষণ পর পর আয়নায় নিজেকে দেখতাম।ছোট বেলায় আমি মনে হয় খুব নারসিসিস্ট ছিলাম। কিন্তু যখন স্কুলে ভর্তি হলাম তখন প্রথম শোনা শুরু করলাম

আরন্যক সেদিনের কথা আমার স্পষ্ট মনে আছে, ২০০৯ সালের কথা। ফেইসবুকে আমার ফেইক একাউন্ট দিয়ে কোন একজনের সাথে কথা চলছিলো বেশ কয়েকদিন ধরে। লোকটার বয়স তখন ৩৮ কি ৩৯ হবে। একদিন সে আমাকে দেখা করার কথা বললো আইডিবি তে।সেদিন আমিও ফ্রি ছিলাম। হুট করেই চলে গেলাম। পরে দেখলাম ল্যাপটপ সার্ভিসিং করাতে এসেছেন সাথে বোনাস হিসেবে