
আমার একজন ভেঙে যাওয়া মানুষ দরকার ছিলো । যাকে ভীষন ভালোবেসে নিমর্মভাবে ছেড়ে দিয়েছিল কেউ..! যাকে মিথ্যা সংসারের স্বপ্ন দেখিয়ে ছুড়ে ফেলা হয়েছিলএমনভাবে ঠিক যেমনভাবে ইচ্ছে করে কাঁচের আয়না ভেঙে গুড়িয়ে ফেলা হয়..! আমার এমনই একজনকে দরকার ছিলো যে চরমভাবে ভালোবাসার কাছে ঠকে গিয়ে কেঁদে বালিশ ভিজিয়ে ক্লান্ত চোখে ঘুমিয়ে পড়তো প্রতি রাতে..! ভালোবাসার বিনিময়ে

আমি ৩৫ + একজন মানুষ, পুরুষ l দীর্ঘদিন ধরে বাইরে ছিলাম, অস্ট্রেলিয়া তে l জরুরি পারিবারিক প্রয়োজনে ২০১৮ এর নভেম্বর থেকে দেশে l বাইরে থাকাকালীন সময়ে আমি LGBT কমিউনিটি সম্পর্কে কৌতুহলী হয়ে, আগ্রহী হয়ে উঠি এবং পরবর্তীতে ভালোবাসা খুঁজে পেয়ে একজন ট্রান্সজেন্ডারের (মেল টু ফিমেল) সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে সাধারণ কাপল হিসাবে বসবাস করেছিলাম দেশে চলে

হ্যালো এভরিবডি। আমি কিভাবে শুরু করবো ভেবে পাচ্ছিনা। আমি একজন মানুষ এবং আমার বয়স ২৫। Homosexuality সম্পর্কে আমি মাত্র অল্পকিছুদিন আগে জেনেছি। এর আগে আমি এ সম্পর্কে ক্লেয়ার কিছু জানতাম না। এর কারণ হতে পারে আমি খুব কনজারভেটিভ ফ্যামিলি তে বড় হয়েছি। যাহোক, আমি আজ প্রথম লিখছি। জানিনা কে কিভাবে নেবেন। খুব প্রিয়জনদের সাথে যা

প্রিয়তমা প্রেয়সী, বল, আর কতকাল থাকবো তোমার অপেক্ষায়, গুনবো প্রহর নিরন্তর? আর কত খুঁজবো তোমায় রাতের তারায়, ভোরের স্নিগ্ধতায়, দুপুরের খর রৌদ্রে কিংবা গোধূলির আলোক মেলায়? জানো প্রিয়া, খুব ইচ্ছে করে তোমার হাতে হাত রেখে জোছনা বিলাসের, তোমার কাঁধে মাথা রেখে কাটিয়ে দিতে অনন্তকাল,মহাকাল। খুব সাধ জাগে, নগ্ন বালিতে শুয়ে হাতে হাত রেখে তারায় তারায়

বিয়ে নিয়ে একটা মেয়ে অনেক রকমের স্বপ্ন বুনে। বরাবরই ইচ্ছা ছিল arranged marriage করব।ইচ্ছে পূরণও হয়।কিন্তু নিয়তির কি খেল!আল্লাহ আমার কপালে সুখ লেখে নাই। বিয়ের দিন রাত থেকেই অনেকদিন আমার স্বামী আমার থেকে দূরত্ব বজায় রাখে। আমি এর কারণ খুঁজে পাচ্ছিলাম না। Arranged marriage হলেও আমরা বেশ কিছুদিন সময় পেয়েছিলাম জানার জন্য। সেই হিসেবে এই

লেখাটি সমকামী বিষয়ক নাহলে আশা করি পোস্টটি এ্যাপ্রুভ করবেন। শারিরীক ভাবে একজন ছেলে এবং আমার সেক্সুয়াল এট্রাকশনও মেয়েদের প্রতি। কিন্তু ছোটবেলা থেকেই ফিমেল ড্রেস, সাজ সজ্জার প্রতি প্রচন্ড দুর্বল।অধিকাংশ পরিবারেই খেয়াল করলে দেখা যাবে খুব কম বয়সে মানে একেবারেই ছেলেবেলায় পোশাক নিয়ে তেমন বাছবিচার থাকেনা।ঠিক তেমনি আমারও ছিলো না। মা, বাবা দুজনই চাকরিজীবি হওয়ায়

আমাদের সমাজ ব্যবস্থা কি কখনো সমকামীদের মেনে নিবে? আচ্ছা মেনে না নিলেও চলবে! আমরা শুধু আমাদের মত জীবনটা সাজাতে চাই, সারাটা জীবন কাটাতে চাই আমার ভালবাসার মানুষটার সাথে, তারা কেউ আমার ব্যক্তিগত জীবনে নাক গলাবে না, আমার পরিবারকে কখনো এটা ভাবতে বাধ্য করবে না যে আমি তাদের মান সম্মানে আঘাত করেছি, আমার পরিবারকি এই ভয়

মাঝেমাঝেই রাতটাকে খুব বিশাল লম্বা মনে হয়। ২ টা বেজে যায়… ৩টা বেজে যায়… ৪টাও বেজে যায়… বেজে যায় ৫ টাও… ভোরের আলো কিছুটা জানালা দিয়ে যখন উকি দেয় তখন ও আমার চোঁখ দুইটা খোলাই থাকে। ঘুম নামক সোনার হরিণের দেখা তো পাই ই না। তার মধ্যে আবার একাকীত্বতার যন্ত্রণা এসে আমাকে আঁকড়ে ধরে খুব

কিছুদিন আগে আমি আমার প্রিয়তমা কে নিয়ে লিখেছিলাম। সে চলে যাওয়ার বেশ কিছুদিনই হয়ে যাচ্ছে। ওর যাবার পর আমি প্রায় পাগলের মত জীবন কাটিয়েছি। আমার ধারণা ছিল আমার পরিবার ও আমার কাছ থেকে সপ কষ্ট পেয়েছে। এটা ভেবে সবসমই আমার ভীষণ কষ্ট হত। যতটা না তাকে হারাবার তারচেয়েও বেশি তার কষ্টের কথা ভেবে। তবে খুব

বলেছিলে- কোনো এক পাহাড়ের কোলে বৃক্ষ হয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকবে! যতক্ষণ না জড়িয়ে ধরবো শক্ত করে- মানুষ হবে না! তোমার সেই আকুতি আমায় তোলপাড় করে দিয়েছিল! সমস্ত আকাশ বাতাস তোমার হ্যা তে হ্যা মেলানোর প্রতিযোগিতায় নেমেছিল । আমিও আর পারিনি নিজেকে সামলাতে! সেই মুহূর্ত থেকে ভালোবেসে ফেলি তোমায়… সেই ভালোবাসা কমেনি বরং বাড়তে বাড়তে এক