
১. “প্রহর শেষের আলোয় রাঙা সেদিন চৈত্র মাস” স্কুলে নতুন আসা ইংলিশ ম্যাডামকে যে আমি পছন্দ করে ফেলেছি এইটা বুঝতে আমার দুই দিনও সময় লাগল না। শাড়ি পরে কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে ওই অত বড় একটা খোঁপা করে ম্যাডাম যখন লন ধরে হেঁটে আসেন, আমার বুকের ভেতরে তখন ধাক্কা লাগে। গার্লস স্কুলের লনের মাথায় বিশাল বড়

আমি একজন চাকুরীজীবি। যখন প্রথম ক্লাস ৯ এ পড়ি। তখন বুঝতে পারি আমি লেসবিয়ান।আমি সম্পুর্ন ছেলে ভাবি নিজেকে।মেয়ের প্রতি আমার আকৃষ্টতা। ক্লাসের খুব সুন্দর একটি মেয়ের সাথে আমার সম্পর্ক হয়। আমাদের সমপর্কে ভালোবাসা যেমন ছিল তেমনি প্রচুর শ্রদ্ধাও ছিল।কিন্তু মেয়ের পরিবার বিষয়টি আবছা বুঝতে পেরে তাকে অন্য কোথাও নিয়ে যায় এবং আমাদের মধ্যে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

It’s not about homophobia. It’s about how a broken heart has healed. Pretty sure, you’re familiar with the phrase, “time heals.” But does it? The answer is “no.” It’s just that you start dealing with it differently, you learn to let it go slowly, you rise to become stronger every day, and that’s when happily

অনেকদিন ধরেই এই পেইজের লেখাগুলো পড়ে আসছি৷ কখনো ভাবি নি যে এখানেও একদিন আমাকে লিখতে হবে। ২০১২ সালের কলেজ জীবন এ প্রথম অনুভব করি একটা ভালো সম্পর্কে জড়াবো৷ #ওয়ান সাইডেড লাভ ছিলো। এগুলো নাহ। # এরপর চেষ্টা করেছিলাম এগুনোর। সেখানে দেখা গেল, মানুষটা কখনোই সিরিয়াস ছিলো নাহ৷ বিছানা পর্যন্ত টানতে যখন আর পারে নি তখন

প্রিয় অপূর্ণতা, “হাওয়ারা হঠাৎ এসে জানালো,তুমি তো আমার কাছে আসবে না,তবে কি একাই থাকবো,আমার কেহ নেই” -প্রহরী শাহবাগের রাস্তার মোড়ে তোমার সামনে দাড়িয়ে আমি কান্না করে দিয়েছিলাম মনে পড়ে,অপূর্ণতা?আমাকে থামিয়ে সেদিন ওদের সাথে বা ওর সাথে আমার দিকে না ঘুরে না তাকিয়েই চলে গেলে…..সেদিন আমি দেখেছিলাম দূর থেকে….তোমার অবহেলা…আর সহ্যের জন্য বিধাতার কাছে বার বার

পঁচিশের কোঠা পার হয়ে যাবার পরেই বাসা থেকে চাপ দেবে বিয়ের জন্য। ছেলে হলে হয়তো আরো বছর পাঁচেক হেসেখেলে কাটানো যেত, কিন্তু মেয়ে হবার জন্যই হয়তো তোরজোরটা সবাই শুরু করে দিতে চায় আগে থেকেই। পরে বয়স চলে যাবে, তখন আর ছেলে পাওয়া যাবে না বিয়ের জন্য। সর্বোপরি, বেশি বয়সে বাচ্চা হবে না- এইসব বলে বলে

আমি নীলু(ছদ্মনাম)।বয়স ১৮।উচ্চমাধ্যমিক ১ম বর্ষে পড়ছি।বড় হয়েছি ঢাকায়।প্রায় ৪ মাস আগে আমার সমবয়সী এক মেয়ের সাথে পরিচয় হয় একটি ফেইক আইডির মাধ্যমে,অনেক টা কাকতালীয় ভাবে।ওর নাম ছায়া(ছদ্মনাম)।ঢাকাতেই থাকে।ঢাকার একটি সনামধন্য কলেজে পড়াশুনা করে সে।আমরা দুজনেই গার্লি।তার সাথে কথা বলার এক মুহূর্তে আমি তার প্রতি দূর্বলতা অনুভব করি এবং একটা পর্যায়ে তাকে জানিয়ে দিই।সে বেশ কিছুদিন

আমি একজন গে। বর্তমানে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করছি। আমার মনে হয় বর্তমানে আমি মানসিকভাবে খুব খারাপ অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি।পরিবারে আমি একমাত্র ছেলে সন্তান। এক্ষেত্রে, বিয়ে করাটা আমার জন্য অনেক বড় একটা প্রেশার কারণ,কোন মেয়েকে বিয়ে করে সংসার করাটা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। আর অন্যদিকে, এ ব্যাপারটা নিয়ে পরিবারের মুখোমুখি হওয়াটাও খুব

যখন থেকে বুঝতে শিখেছি যে, নিজের মধ্যে অালাদা যে একটা জগত খুঁজে পেয়েছি যে জগৎ টা সবার থেকে অালাদা।অন্য মেয়েরা পরিবেশ গত ভাবে ছেলেদের প্রতি অাকর্ষন বোধ করে কিন্তু অামার সে অাকর্ষন টা নেই। অনার্স শেষ পর্যায়ে এসে ও অামি কোনো ছেলের প্রতি অাকর্ষন বোধ করি নি।ছেলেদের ফিরিয়ে দিয়েছি নানান অজুহাতে। বাস্তবে তো অামি সমজেন্ডারের

আমি আমার জীবন নিজেই ধংষ করেছি। না এই জীবনে শান্তি পাচ্ছি এখন আর সে জীবনে কি হবে আমার তা কল্পনা করতে পারছি না। একজন মেয়ে আমার মন কেড়ে নিল হঠাৎ। আমি কথা বলতে অনেক আগ্রহী থাকায় আমাদের দেখা হল। তাকে পেয়ে আমি আমার দুনিয়ার সব ভুলে যাই। সম্পর্ক কি জিনিস তা বুঝতে শিখি। একদম মনের