
আমার পরিবারের কাছে মেয়ে মানে প্রাপ্ত বয়স্ক হলেই বিয়ে দিয়ে দেওয়া। এই মেয়ের কিছুই করার দরকার নেই। মেয়ে হয়ে কি আর করবে? ছোট থেকে যেমন তেমন যেকোনো জায়গা থেকে কোনো রকম কলেজ পর্যন্ত পড়ালেখা করিয়েছে, ইউনিভার্সিটিতে উঠার পর এখন বিয়ে দিবে। পাত্র পক্ষ রাজি হওয়ার পর আমি বিয়েতে রাজি না হলে বাসায় অশান্তি সৃষ্টি হয়।

ফেসবুকে তখন ডেয়ারের চল ছিল। কমেন্ট/লাইক দিলেই ডেয়ার। তখন তার পোস্টে লাইক দিলে সে টেক্সট দিয়ে বলে তোমার ডেয়ার হচ্ছে In a relationship with someone স্ট্যাটাস দেয়া। আমিও না ভেবে তাকে ট্যাগ দিয়েই পোস্ট দেই। সবার সেখানে Congratulations টাইপের কমেন্ট দেখে মজা পাচ্ছিলাম, তাকে সেগুলোর স্ক্রিনশট দেই। দুজনে হাসাহাসি করছিলাম। এভাবেই চ্যাটের শুরু। কদিন যাওয়ার

তোমাকে প্রথম দেখেছিলাম মাঠের এক কোণে বসে কান্না করতে।তোমার সেই অশ্রু ভেজা নয়নের প্রেমে পড়েছি।তার পর তোমার পিছু নেওয়া শুরু করলাম।অনেক কস্টে তোমার খোঁজ পেলাম।জান কী আমি তোমার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছি। তোমার সেই বাচ্চা বাচ্চা হাসি তারপর সেই হাসি দিয়ে নিজের কস্ট গুলোকে লুকিয়ে রাখ।তুমি তার জন্য নিজের চোখের জল ফেল যে তোমার যোগ্য নয়।জান

প্রিয় দেশ, আমি তোমার আর দশটা সন্তানের মতোই, আমিও তাদের মতোই বাঁচি, হাসি, ভালোবাসি, তবু কেন এরা আমার শ্বাসরোধ করে? যে ধর্মের দোহাই দেয়, সে ধর্ম শান্তির ধর্ম যদি হয়, আমি তো নীরবে নিভৃতে শান্তই আছি, মাগো, তবে এরা কেন অশান্ত হয়? আমি তোমার আর দশজন সন্তানের মতোই চষে বেড়াই তোমার উন্মুক্ত ক্ষেত্রে, কষ্টের ঘাম

ও ছেলে, তুমি বেশ বড়সড় ভাগ্য নিয়ে পৃথিবীতে এলে- একজন দুর্দান্ত মেয়ে তোমায় ভালোবাসবে, তোমায় না পাওয়ার ব্যথা নিয়ে কাঁদবে, তুমি তাকে যেও না তো ফেলে, ও ছেলে। সে মেয়ের নাম দিয়েছি আমি, সে মেয়ের প্রেমে নাকি অল্প একটু পড়েছি, তবু, রাত জেগে নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি খুব, ভালো থাকবে হয়তো তোমায় পেলে, কারণ, তুমি ছেলে।

রাত 2 টার সময় সিগারেট টানতে টানতে নিঃশব্দ কোলাহল মুক্ত পরিবেশে নিজেকে বলছিলাম,” তুই এই পৃথীবিতেও শান্তি পাবি না আখিরাতেও না।” কেন জানেন??? কারন, আমি আমার চিন্তার উপর বিরক্ত। আমার লাইফ নিয়ে বিরক্ত। এই নিষ্ঠুর পৃথীবিতে জন্ম ও মৃত্যুর স্বাদ সবাই পায়, কিন্তু জীবনের স্বাদ কয়জন পায় জানিনা মানসিক কাউন্সিলে আমাকে বার বার বলছিল যে

শরীরী প্রেমের ভিঁড়ে অ-শরীরী প্রেম জাদুঘরে প্রায় আজকাল! কিন্তু আমার প্রেমগুলো হয় অ-শরীরী! সবাই যেখানে চেহারা দেখে প্রেমে পরেন, আমি সেখানে কারো বুদ্ধিমত্তা দেখে প্রেমে পরি! কারো স্বরে, শব্দ চয়নে অর্থাৎ চমৎকার কথা বলার ধরনে প্রেমে পরি, বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনার প্রেমে পরি, কারো জ্ঞানের প্রেমে পরি! এবারো ব্যতিক্রম হলোনা! বছর কয়েক আগে একজন এসেছিল জীবনে যে

আমি নিজের সত্তাকে জানার জন্য ইন্টারনেটে লেসবিয়ান/ সমকামীতা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি! কারন এক কালো অতীত আমার জীবনে আসে! আমাদের হোস্টেলে সিনিয়র মেয়েরা থাকতো, তার মধ্যে একটা মেয়েকে আমার ভালো লাগতো কিন্তু প্রেমের সম্পর্কের জন্য না। ভালো লেগেছিল এই কারনে আমি ছোট বেলা থেকেই অনেক রাগী, তোহ একদিন কোনো কারনে পরিবারের সাথে রাগ করে ছিলাম,

আমার বয়স এখন ২৫। বায়োলজিকালি একজন মেয়ে৷ তবে আমি ব্যক্তিগত ভাবে নিজেকে Queer বলতে পছন্দ করি৷ পড়াশোনা শেষ করেছি। চাকরির চেষ্টা চলছে। আমার ভাললাগা টা মেয়েদের প্রতি। আমি তাদের প্রতিই আকর্ষিত হই৷ ২০১৫ সালে আমি আমার সেস্কুয়াল অরিয়েন্টেশন আমার পরিবারের সামনে তুলে ধরি। যদিও আমার পরিবার আমার চালচলনের জন্য আগে থেকে কিছুটা বুঝতো। সেদিক থেকে

Prothomotoi nijer porichoy ta diye shuru kora jak.HAe ami akjon meye.Bolte didha nei j ami lesbian.Word tar shathe porichito hoi 4 years age.Nijer shomporke clear dharonata pai shompurno virtual world theke.Ar amar jonno jehetu prothom badha ta family thekei so family shomporke kichu boli… Amar baba akjon doctor,ma house-wife ar chotto akta bhai k nie