
আমরা এমন একটি দেশে থাকি যেখানে এলজিবিটিকিউ কমিউনিটির প্রতিটি সদস্য কোন না কোন ধর্মের অনুসারী৷ তাই আমরা চাইলেও আমাদের জীবন থেকে ধর্মের প্রভাবকে অস্বীকার করতে পারি না। আজ আলোচনা করব আমাদের জীবনের সেই অধ্যায়টি নিয়ে যেই সময়টাতে আমাদের প্রথম উপলব্ধি হয় যে আমরা সমকামী এবং এর ফলস্বরূপ আমাদের একটা মানসিক যুদ্ধের মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

“আর কত দেখতে হবে বৈষম্য? আর কত সহ্য করতে হবে অত্যাচার আর কত মেনে নিতে হবে নিন্দা? আর কত পেতে হবে অভিশাপ?” রকিবের মাথায় এই কথাগুলো বেশ কিছুদিন ধরেই ঘুরপাক খাচ্ছে। প্রায় দুই বছরের মতো হতে চলল রকিবের বাবা-মা তার যৌন অভিযোজনের ব্যাপারে জানতে পেরেছে। আর সেই সময় থেকে তার জীবন যেন পরিণত হয়েছে এক

লিখেছেন- সাবিল আহমেদ ধীরে ধীরে নিজেকে একঘরে করে নিচ্ছি। সমাজের আর দশ জনের মত আমি না। তাদের সাথে আমার পছন্দ এবং অনুভূতির অনেক পার্থক্য। তাই তাদের সাথে মিশতে পারিনা বা ইচ্ছে হয়না। বাস্তব জীবনে অভিনয় করতে কষ্ট হয় অনেক। সব ছেলেরা যখন গার্ল-ফ্রেন্ড নিয়ে সময় কাটায় তখন আমি ছেলেদের নেশায় ঘরে বসে ফেসবুকে পড়ে থাকি।
Written by flamingjune I was living with two braincells as a teenager. One of them convinced me to keep being an introvert, the other kept telling me I wasn’t good enough. I didn’t know where they came from or why these two thoughts had the power to take so much away from me. These thoughts

লেখিকা- বারোভাতারি প্রিয় প্রাক্তন, তুমি ঠিক বলেছিলে, সহজে পাওয়া জিনিসের দাম দিইনা আমরা! তাই তুমি নেই বলে আজকে তোমার দামটা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি! তুমি ছিলে বলেই বুঝতে পারিনি কতটা জুড়ে ছিলে, আজকে নেই বলেই তোমার শূন্যস্থান কতটা বড় তা অনূভব করছি প্রতিনিয়ত! হাত বাড়ালে পাই না তোমায় তাই মন বাড়িয়ে ছুঁই ! একটা ভূল

প্রিয় সৃষ্টিকর্তা, গত চিঠিতে জানতে চেয়েছো কেমন আছি। আসো আজ আমার জীবনের গল্প শোনাব তোমায়। আমি মানুষ,যদিও ‘মানুষ’ তা ভাবেনা,তবে আমার বিশ্বাস তুমি ঠিকই ভাবো। বয়স ১৭ ছুঁয়েছে এ বর্ষায়। তোমার এতদিনের দেয়া এই জীবনের জন্য আমার প্রত্যেকদিন সকালে উঠে ঘৃনা হয় আর রাতে ঘুমাতে গেলে হয় মায়া। ঠিক এভাবেই বুদ্ধি হওয়ার পর ১০টি বসন্ত

আমাদের বন্ধুত্বটা আর সবার মত না। একটু, না না, একটু বেশিই অন্যরকম। রিশাদের সাথে আমার বন্ধুত্ব ক্লাস থ্রি থেকে। ছোটবেলাকার বন্ধুত্বগুলো যেমন হয় আর কি! ক্লাসে পাশাপাশি বসা থেকে শুরু, তারপর হোম ওয়ার্ক আর টিফিন শেয়ার করার মাধ্যমে বন্ধুত্বটাকে পূর্ণতা প্রদান। ভালোই চলছিল আমাদের শৈশবের দিনগুলি। কিন্তু মাঝে বাগড়া বসালো আমার মা। অভিযোগ, রিশাদ খারাপ

তখন বাজে দুপুর ২টা, প্লেটে ভাত নিয়ে বসেছিলাম। খেতে একদমই ইচ্ছে করছিল না কারণ সকাল থেকে মন মেজাজ অনেক খারাপ। কারন আর কিছুই নয়, সারাদিন তুর্যর কোন খোঁজ খবর ছিল না। ওর সাথে অনলাইনে সময় কাটানো আমার জন্য ছিল সারাদিনের বিশেষ একটা কাজ। ফেসবুক জিনিসটার প্রতি হয়তো এই কারনেই অনেক নেশা বেড়ে গিয়েছিলো। মনের মধ্যে

লেখকঃ সুধাংশু আজকে যদি ছোটবেলার স্বপ্ন নিয়ে এগোতাম, হয়তো ভালো গাইয়ে না হয়ে নাচিয়ে হয়ে উঠতাম। ভাইদাদা (নানা) কুরিয়ার করে মার কাছে আমার জন্য ঘুঙুরও কিনে পাঠিয়ে ছিলো। তার চার বছর বয়সী নাতি “মম চিত্তে নৃতে নৃত্যে” গানের সাথে ‘তা তা থৈ থৈ’ নাচতো আর তা দেহে ভাইদাদা-র খুশি আর ধরতো না। কিন্তু, না! ছেলে

ধোঁয়াশা মাঘের সন্ধ্যা বেলা আড্ডা মারছি রেলওয়ে ফুটবল মাঠের এককোণে বসে, আমরা চার বন্ধু। ক্রমেই দূরের ল্যাম্পপোস্টের আলোগুলো কেমন যেন কুয়াশার ঘোমটায় ঢাকা বিধবা দাদীমার মতো হয়ে আসছে। মাঠে লোক খুব একটা নেই, আমরা মূল রাস্তা থেকে একটু দূরে ঈদগাহ মাঠের মধ্যে নিজেদের বানানো কাঠের মাচানে বসে আছি অন্ধকারে। একটা সময় কথাবার্তার মোড় ঘুরে এল