
সরস্বতী পূজোর দিন। কলকাতার কাছাকাছি এক সরকারি হাসপাতালের ইমার্জেন্সি অপারেশন থিয়েটার। একে তো পূজোর দিনে ২৪ ঘণ্টা ডিউটি, তার ওপর পেশেন্টের এত চাপ। সবাই কাজ করে যাচ্ছি বটে, কিন্তু মেজাজ সবারই সপ্তমে। ট্রাফিক অ্যাক্সিডেন্টে লিভারে গুরুতর আঘাত পাওয়া একটা পেশেন্টের অপারেশন থেকে বেরিয়ে প্রমাদ গুনছি, ভোরের আগে অন্তত সব অপারেশন শেষ হবে তো! পরদিন সকাল
লেখক :- অনির্বাণ অহদেম “সত্তা চিরন্তন,প্রাণের সম্পদগুলিকে সংরক্ষিত রাখার নিয়মাবলী আছে।সে নিয়ামাবলী মহাবিশ্বের সৌন্দর্যের উৎস।” ——গ্যেটে ১)যদি বলি প্রকৃতিতে মরণশীল প্রাণীর চাইতে অমর প্রাণীর সংখ্যা বেশি কিংবা প্রকৃতিতে অমরত্বই স্বাভাবিক মরণশীলতাই বরং অস্বাভাবি। তাহলে কি খুব ভূল হবে? কোন প্রানী আজীবন জীবিত থাকে না? আসলেই কী তায়! এক অর্থে হাইড্রা, অ্যামিবা এরা চিরকালই বেঁচে থাকে।
লেখক :- অনির্বাণ অহদেম ‘নিউক্লিয়ার ফিজিক্স’ বা পারমানবিক কেন্দ্রকবিদ্যা সূচনাটা হয়েছিলো পরমানুর ইলেক্ট্রন আবিষ্কারের সাথে সাথেই। তবে পদার্থবিদ্যার অন্যতম শাখা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয় দুইটি যুগান্তকারী আবিষ্কারের পথ ধরে। প্রথমটি হচ্ছে ‘তেজষ্ক্রিয় পদার্থ’ বা ইউরেনিয়াম, রেডিয়াম ইত্যাদি পদার্থ আবিষ্কার। আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে বিজ্ঞানী রাদাফোর্ডের পরমাণুর কেন্দ্র বা নিউক্লিয়াস আবিষ্কার। বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল ১৮৯৬ সালে সর্বপ্রথম তেজস্ক্রিয়তা
লেখক :- অনির্বাণ অহদেম SETI (the search for extraterrestrial intelligence) মহাবিশ্বের অন্য জায়গায় বুদ্ধিমান জীবন আবিষ্কারের একটি বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টা, এই প্রতিষ্ঠানের প্রাথমিক কাজ মাইক্রোওয়েভ রশ্মি ব্যাবহার করে ভিনগ্রহে প্রাণের উপস্থিতি নির্ণয় করা। SETI এর প্রথম প্রকল্প হচ্ছে ‘ওজমা প্রজেক্ট’। ১৯৬০ সালে জ্যোতির্নিজ্ঞানী ফ্রাংক ড্রেক “এপসাইলন ইরিডিন” এবং “টাউসেটি” নামক দুটো তারাকে লক্ষবস্তু করেন। এই দুইটি
লেখক :- অনির্বাণ অহমেদ প্রসারণ মহাবিশ্ব সম্পর্কে ফ্রিডম্যানের মডেল থেকে সম্ভাব্য তিনটি সমাধান পাওয়া যায়। তার মধ্যে দ্বিতীয় সম্ভাব্য মডেলটি হচ্ছে “যদি গড় ঘনত্ব সঙ্কট মানের চেয়ে কম হয়, তাহলে প্রসারণ বন্ধ করার মতো যথেষ্ট মহাকর্ষীয় আকর্ষন থাকবে না। ফলে মহাবিশ্ব চিরোকাল প্রসারিত হতে থাকবে। এখন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানেন যে প্রতি মিলিয় বছরে মহাবিশ্ব ৫ থেকে

লেখক : অনির্বাণ আহমেদ কিছু সমকাম বিরোধী প্রগতিশীল আছে যাদের যুক্তি সমকামিতাকে বিবর্তন সমর্থন করে না, তায় সমকামিতার কোন বিবর্তনীয় কারণ নেই এটা প্রকৃতি বিরুদ্ধ মানসিক রোগ, রুচীর বিকৃতি। আর সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মান্ধের দেশের শিক্ষিত মানুষরা তো বিবর্তনকেই মানেই না,সেখানে বিবর্তনের দৃষ্টিতে সমকামিতাকে দেখার প্রশ্নই আসে না। আমার এই লেখাটা তাদেরকে উদ্দেশ্য করে যারা মনে করে

ডারউইনের ন্যাচারাল সিলেকশনের মূল বক্তব্যই হলো জীব জগতের যে প্রাণী যত বেশি প্রজননসক্ষম সন্তানের জন্ম দিতে পারবে তার ফিটনেস তত বেশি বা সেই প্রাণী টিকে থাকার জন্য প্রকৃতিতে বেশি সুবিধা পাবে অর্থাৎ ন্যাচারাল সিলেকশনে প্রজননের ভূমিকাই মুখ্য।কোন প্রাণী প্রজননক্ষম সন্তানের জন্ম দিতে পারলেই সেই প্রজাতির বাবা মায়ের ফিটনেস এক করে বেড়ে যায় । যতবেশি প্রজননক্ষম
লেখক :- অনির্বাণ আহমেদ শনি :-——————————-সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ শনি। মায়াবী বলয় আর অস্বাভাবিক সৌন্দোর্য নিয়ে আকাশের গায়ে জ্বল জ্বল করছে। এটিই সেই গ্রহ যাকে পৃথিবী থেকে সবচাইতে দূরে খালি চোখে দেখায় যায়। প্রাচীন কাল থেকেই মানুষ শনি গ্রহের সাথে পরিচিত। খ্রিস্টপূর্ব থেকেই ব্যাবিলনীয় এবং দূরপ্রাচ্যের মানুষেরা একে চিনতো। ১৬১০ সালে গ্যালিলিও, আবারো শনিকে নতুনভাবে
লেখক :- অনির্বাণ আহমেদ সারা পৃথিবীতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব পরতে শুরু করেছে৷ গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের জন্য দায়ী কার্বনডাইঅক্সাইড এর পরিমাণ কমানোর জন্য সম্ভাব্য পথ হতে পারে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্টের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা। কারণ পারমানবিক চুল্লি কার্বন নির্গত করে না। The world neculear Association এর মতে বর্তমানে বিশ্বে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ পারমানবিক কেন্দ্র উৎপন্ন হয় তা