
মাঝেমাঝেই রাতটাকে খুব বিশাল লম্বা মনে হয়। ২ টা বেজে যায়… ৩টা বেজে যায়… ৪টাও বেজে যায়… বেজে যায় ৫ টাও… ভোরের আলো কিছুটা জানালা দিয়ে যখন উকি দেয় তখন ও আমার চোঁখ দুইটা খোলাই থাকে। ঘুম নামক সোনার হরিণের দেখা তো পাই ই না। তার মধ্যে আবার একাকীত্বতার যন্ত্রণা এসে আমাকে আঁকড়ে ধরে খুব

আমাদের সমাজ ব্যবস্থা কি কখনো সমকামীদের মেনে নিবে? আচ্ছা মেনে না নিলেও চলবে! আমরা শুধু আমাদের মত জীবনটা সাজাতে চাই, সারাটা জীবন কাটাতে চাই আমার ভালবাসার মানুষটার সাথে, তারা কেউ আমার ব্যক্তিগত জীবনে নাক গলাবে না, আমার পরিবারকে কখনো এটা ভাবতে বাধ্য করবে না যে আমি তাদের মান সম্মানে আঘাত করেছি, আমার পরিবারকি এই ভয়

লেখাটি সমকামী বিষয়ক নাহলে আশা করি পোস্টটি এ্যাপ্রুভ করবেন। শারিরীক ভাবে একজন ছেলে এবং আমার সেক্সুয়াল এট্রাকশনও মেয়েদের প্রতি। কিন্তু ছোটবেলা থেকেই ফিমেল ড্রেস, সাজ সজ্জার প্রতি প্রচন্ড দুর্বল।অধিকাংশ পরিবারেই খেয়াল করলে দেখা যাবে খুব কম বয়সে মানে একেবারেই ছেলেবেলায় পোশাক নিয়ে তেমন বাছবিচার থাকেনা।ঠিক তেমনি আমারও ছিলো না। মা, বাবা দুজনই চাকরিজীবি হওয়ায়

বিয়ে নিয়ে একটা মেয়ে অনেক রকমের স্বপ্ন বুনে। বরাবরই ইচ্ছা ছিল arranged marriage করব।ইচ্ছে পূরণও হয়।কিন্তু নিয়তির কি খেল!আল্লাহ আমার কপালে সুখ লেখে নাই। বিয়ের দিন রাত থেকেই অনেকদিন আমার স্বামী আমার থেকে দূরত্ব বজায় রাখে। আমি এর কারণ খুঁজে পাচ্ছিলাম না। Arranged marriage হলেও আমরা বেশ কিছুদিন সময় পেয়েছিলাম জানার জন্য। সেই হিসেবে এই

প্রিয়তমা প্রেয়সী, বল, আর কতকাল থাকবো তোমার অপেক্ষায়, গুনবো প্রহর নিরন্তর? আর কত খুঁজবো তোমায় রাতের তারায়, ভোরের স্নিগ্ধতায়, দুপুরের খর রৌদ্রে কিংবা গোধূলির আলোক মেলায়? জানো প্রিয়া, খুব ইচ্ছে করে তোমার হাতে হাত রেখে জোছনা বিলাসের, তোমার কাঁধে মাথা রেখে কাটিয়ে দিতে অনন্তকাল,মহাকাল। খুব সাধ জাগে, নগ্ন বালিতে শুয়ে হাতে হাত রেখে তারায় তারায়

আমি একজন গে। বর্তমানে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করছি। আমার মনে হয় বর্তমানে আমি মানসিকভাবে খুব খারাপ অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি।পরিবারে আমি একমাত্র ছেলে সন্তান। এক্ষেত্রে, বিয়ে করাটা আমার জন্য অনেক বড় একটা প্রেশার কারণ,কোন মেয়েকে বিয়ে করে সংসার করাটা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। আর অন্যদিকে, এ ব্যাপারটা নিয়ে পরিবারের মুখোমুখি হওয়াটাও খুব

আমি নীলু(ছদ্মনাম)।বয়স ১৮।উচ্চমাধ্যমিক ১ম বর্ষে পড়ছি।বড় হয়েছি ঢাকায়।প্রায় ৪ মাস আগে আমার সমবয়সী এক মেয়ের সাথে পরিচয় হয় একটি ফেইক আইডির মাধ্যমে,অনেক টা কাকতালীয় ভাবে।ওর নাম ছায়া(ছদ্মনাম)।ঢাকাতেই থাকে।ঢাকার একটি সনামধন্য কলেজে পড়াশুনা করে সে।আমরা দুজনেই গার্লি।তার সাথে কথা বলার এক মুহূর্তে আমি তার প্রতি দূর্বলতা অনুভব করি এবং একটা পর্যায়ে তাকে জানিয়ে দিই।সে বেশ কিছুদিন

পঁচিশের কোঠা পার হয়ে যাবার পরেই বাসা থেকে চাপ দেবে বিয়ের জন্য। ছেলে হলে হয়তো আরো বছর পাঁচেক হেসেখেলে কাটানো যেত, কিন্তু মেয়ে হবার জন্যই হয়তো তোরজোরটা সবাই শুরু করে দিতে চায় আগে থেকেই। পরে বয়স চলে যাবে, তখন আর ছেলে পাওয়া যাবে না বিয়ের জন্য। সর্বোপরি, বেশি বয়সে বাচ্চা হবে না- এইসব বলে বলে

প্রিয় অপূর্ণতা, “হাওয়ারা হঠাৎ এসে জানালো,তুমি তো আমার কাছে আসবে না,তবে কি একাই থাকবো,আমার কেহ নেই” -প্রহরী শাহবাগের রাস্তার মোড়ে তোমার সামনে দাড়িয়ে আমি কান্না করে দিয়েছিলাম মনে পড়ে,অপূর্ণতা?আমাকে থামিয়ে সেদিন ওদের সাথে বা ওর সাথে আমার দিকে না ঘুরে না তাকিয়েই চলে গেলে…..সেদিন আমি দেখেছিলাম দূর থেকে….তোমার অবহেলা…আর সহ্যের জন্য বিধাতার কাছে বার বার

অনেকদিন ধরেই এই পেইজের লেখাগুলো পড়ে আসছি৷ কখনো ভাবি নি যে এখানেও একদিন আমাকে লিখতে হবে। ২০১২ সালের কলেজ জীবন এ প্রথম অনুভব করি একটা ভালো সম্পর্কে জড়াবো৷ #ওয়ান সাইডেড লাভ ছিলো। এগুলো নাহ। # এরপর চেষ্টা করেছিলাম এগুনোর। সেখানে দেখা গেল, মানুষটা কখনোই সিরিয়াস ছিলো নাহ৷ বিছানা পর্যন্ত টানতে যখন আর পারে নি তখন