
সাধারণত হেটারোসেক্সুয়াল বা বিষমকামী মানুষদের তুলনায় লেসবিয়ান, গে, বাইসেক্সুয়াল, ট্রান্সজেন্ডার মানুষেরা মানসিক রোগে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকেন। আমরা যদি একটু ইতিহাসের দিকে তাকাই, তাহলে দেখতে পাই, সমকামিতাকে একসময় মানসিক রোগ হিসেবে ধরা হতো। ১৯৭৩ সাল থেকে ডিএসএম (DSM) এ সমকামিতাকে আর মানসিক রোগ হিসেবে গণ্য করা হয় না। আর, ১৯৯০ সালে আইসিডি (ICD) থেকেও সমকামিতাকে

Part 1: The Lesbian Sex Edition As a queer person and a doctor, I’ve always wanted to write about safe sex practices among the LGBTQ+ community because unlike heterosexual relationships, safe queer sex is not discussed as openly or as informatively. Not to mention, medically accurate information is hard to come by. People mostly go

লিখেছেন-জয়ন্ত কুইয্যার স্বাস্থ্য: উন্নত বিশ্বের মত আমাদের দেশেও কম বেশি মানুষ কুইয়্যার জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত আছে। তাদের মধ্যে বেশীরভাগই তাদের স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন নয়। হতাশাজনক হলেও সত্যি যে আমরা অনেকে জেনে বুঝেও বিষয়গুলো মানি না। আসুন বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক: হাস্যকর হলেও সত্যি যে আমরা অনেকেই আমাদের যৌনকেশ পরিস্কার করি না। নিজের সুস্থতার পাশাপাশি

লেখক – পিকু “প্রথমবার এইচআইভি টেস্টের রিপোর্টে যখন নেগেটিভ আসলো,ঘাবড়িয়ে গেলাম! কারণ আমি ভাবতাম, পজিটিভ রেজাল্ট মানেই হয়তো শংঙ্কামুক্ত।”কথা গুলো হচ্ছিলো মংমনসিংহ নিবাসী স্নেহাশিস(ছদ্মনাম) এর সাথে। তিনি আনন্দমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্নাতকে করছেন। তার ভাষ্যমতে,আমি একজন লিঙ্গবৈচিত্র্যময় এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষ। শরীরের তাগিদে আমি অনেক মানুষের সাথে যৌনমেলামেশা কিংবা যৌন সংগমে লিপ্ত থাকি। এক্ষেত্রে যৌনরোগ বিশেষ

স্টিফেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ। হয়তোবা হতে পারে আমার মনের ভুল, কিন্তু সমকামীরা যে সবখানেই নিগ্রহের শিকার হয় তার একটা বাস্তব এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা রয়েছে আমার কাছে। খুব সেক্স করতে ইচ্ছে করতেছিলো, তাই এক বটম পার্টনার পেয়ে চলে গেলাম। সেক্স করার আগে তার দেহের স্পর্শে আমি এতটাই মাদকতার মধ্যে চলে গিয়েছিলাম যে কনডম

লেখক : নীলাম্বর নীল আজ বিশ্ব এইডস দিবসআজ এই বিশেষ দিনটি উপলক্ষে আপনাদের সকলের সামনে আমি সৌরভ আমার যতটুকু জ্ঞান তা তুলে ধরার এই সামান্য প্রয়াস নিয়েই লিখতে বসা।দয়া করে আমার ভুলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আচ্ছা কি দিয়ে শুরু করা যায় বলুন তো?আজ এই একবিংশ শতাব্দীতে আমাদের অজানা তথ্য খুবই কম।মোটামুটি কম বেশি আমরা সবাই
একবার ভাবুনতো আপনার দেহের ভিতরে ঘুরে বেড়াচ্ছে জ্যান্ত ক্ষুদ্র রোবট, বহন করে চলেছে ন্যানোমেডিসিন। কোন ধরনের কাটা-ছেঁড়া ছাড়াই সারিয়ে তুলবে ক্যান্সারের মতো মারাত্মক ব্যাধিকে। শুনতে অনেকটা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর মতো শোনালেও, তা বাস্তবে দেখতে খুব বেশি দেরী নেই। অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটির (ASU) বিজ্ঞানীরা এবং চীনা বিজ্ঞান একাডেমীর ন্যানোসায়েন্স এন্ড টেকনোলজির (NCNT) গবেষকদের একক গবেষণায় ন্যানোপ্রযুক্তির এই