
To my love of life It’s hard to believe that the love that we share has grown so strong that it has become unbreakable now. We met differently than other couples – we met online. I didn’t get to hold you, feel you, listen to your heartbeat with my own ears, but I carry you

যা হবার কথা ছিলোঃ ১. টিনএইজ শুরুর কিছু বছরের মধ্যেই নিজের জেন্ডার আইডেন্টিটি ও সেক্সুয়াল ওরিয়েন্টেশন বুঝতে পারা। ২. এই সম্পর্কে জানার জন্য খোঁজখবর করা, পড়াশোনা করা, গবেষণা করা। ইন্টারনেটের কল্যাণে সেক্সুয়ালিটি, জেন্ডার আইডেন্টিটি বিষয়ক অসংখ্য প্রবন্ধ, গবেষণাকর্ম, বইয়ের অধিগম্যতা একেবারেই অনায়াসসাধ্য। ধর্মীয়, সামাজিক, বৈজ্ঞানিক, মনস্তাত্ত্বিক; বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে হোমোসেক্সুয়ালিটির পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তিতর্ক, তত্ত্ব-তথ্য উপস্থাপন করে

আমি একজন চাকুরীজীবি। যখন প্রথম ক্লাস ৯ এ পড়ি। তখন বুঝতে পারি আমি লেসবিয়ান।আমি সম্পুর্ন ছেলে ভাবি নিজেকে।মেয়ের প্রতি আমার আকৃষ্টতা। ক্লাসের খুব সুন্দর একটি মেয়ের সাথে আমার সম্পর্ক হয়। আমাদের সমপর্কে ভালোবাসা যেমন ছিল তেমনি প্রচুর শ্রদ্ধাও ছিল।কিন্তু মেয়ের পরিবার বিষয়টি আবছা বুঝতে পেরে তাকে অন্য কোথাও নিয়ে যায় এবং আমাদের মধ্যে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

১. “প্রহর শেষের আলোয় রাঙা সেদিন চৈত্র মাস” স্কুলে নতুন আসা ইংলিশ ম্যাডামকে যে আমি পছন্দ করে ফেলেছি এইটা বুঝতে আমার দুই দিনও সময় লাগল না। শাড়ি পরে কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে ওই অত বড় একটা খোঁপা করে ম্যাডাম যখন লন ধরে হেঁটে আসেন, আমার বুকের ভেতরে তখন ধাক্কা লাগে। গার্লস স্কুলের লনের মাথায় বিশাল বড়

বলেছিলে- কোনো এক পাহাড়ের কোলে বৃক্ষ হয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকবে! যতক্ষণ না জড়িয়ে ধরবো শক্ত করে- মানুষ হবে না! তোমার সেই আকুতি আমায় তোলপাড় করে দিয়েছিল! সমস্ত আকাশ বাতাস তোমার হ্যা তে হ্যা মেলানোর প্রতিযোগিতায় নেমেছিল । আমিও আর পারিনি নিজেকে সামলাতে! সেই মুহূর্ত থেকে ভালোবেসে ফেলি তোমায়… সেই ভালোবাসা কমেনি বরং বাড়তে বাড়তে এক

কিছুদিন আগে আমি আমার প্রিয়তমা কে নিয়ে লিখেছিলাম। সে চলে যাওয়ার বেশ কিছুদিনই হয়ে যাচ্ছে। ওর যাবার পর আমি প্রায় পাগলের মত জীবন কাটিয়েছি। আমার ধারণা ছিল আমার পরিবার ও আমার কাছ থেকে সপ কষ্ট পেয়েছে। এটা ভেবে সবসমই আমার ভীষণ কষ্ট হত। যতটা না তাকে হারাবার তারচেয়েও বেশি তার কষ্টের কথা ভেবে। তবে খুব

মাঝেমাঝেই রাতটাকে খুব বিশাল লম্বা মনে হয়। ২ টা বেজে যায়… ৩টা বেজে যায়… ৪টাও বেজে যায়… বেজে যায় ৫ টাও… ভোরের আলো কিছুটা জানালা দিয়ে যখন উকি দেয় তখন ও আমার চোঁখ দুইটা খোলাই থাকে। ঘুম নামক সোনার হরিণের দেখা তো পাই ই না। তার মধ্যে আবার একাকীত্বতার যন্ত্রণা এসে আমাকে আঁকড়ে ধরে খুব

আমাদের সমাজ ব্যবস্থা কি কখনো সমকামীদের মেনে নিবে? আচ্ছা মেনে না নিলেও চলবে! আমরা শুধু আমাদের মত জীবনটা সাজাতে চাই, সারাটা জীবন কাটাতে চাই আমার ভালবাসার মানুষটার সাথে, তারা কেউ আমার ব্যক্তিগত জীবনে নাক গলাবে না, আমার পরিবারকে কখনো এটা ভাবতে বাধ্য করবে না যে আমি তাদের মান সম্মানে আঘাত করেছি, আমার পরিবারকি এই ভয়

লেখাটি সমকামী বিষয়ক নাহলে আশা করি পোস্টটি এ্যাপ্রুভ করবেন। শারিরীক ভাবে একজন ছেলে এবং আমার সেক্সুয়াল এট্রাকশনও মেয়েদের প্রতি। কিন্তু ছোটবেলা থেকেই ফিমেল ড্রেস, সাজ সজ্জার প্রতি প্রচন্ড দুর্বল।অধিকাংশ পরিবারেই খেয়াল করলে দেখা যাবে খুব কম বয়সে মানে একেবারেই ছেলেবেলায় পোশাক নিয়ে তেমন বাছবিচার থাকেনা।ঠিক তেমনি আমারও ছিলো না। মা, বাবা দুজনই চাকরিজীবি হওয়ায়

বিয়ে নিয়ে একটা মেয়ে অনেক রকমের স্বপ্ন বুনে। বরাবরই ইচ্ছা ছিল arranged marriage করব।ইচ্ছে পূরণও হয়।কিন্তু নিয়তির কি খেল!আল্লাহ আমার কপালে সুখ লেখে নাই। বিয়ের দিন রাত থেকেই অনেকদিন আমার স্বামী আমার থেকে দূরত্ব বজায় রাখে। আমি এর কারণ খুঁজে পাচ্ছিলাম না। Arranged marriage হলেও আমরা বেশ কিছুদিন সময় পেয়েছিলাম জানার জন্য। সেই হিসেবে এই