
অরিত্র হোসেন বিশাল বড় এক মাঠ। শোরগোলে মশগুল। নানা পসরা সাজিয়ে মেলা জমজমাট। নানা রঙে ছেয়ে আছে – শামিয়ানায়, কাপড়চোপড়ে, সব জায়গায়। শত শত মরিচবাতিতে ঝিলমিল করছে। রূপবান-এর দশ বছর-পূর্তি অনুষ্ঠানটি এভাবেই কল্পনায় ছিল অনেক বছর। তবে এর কোনোটাই আজ হচ্ছে না। যেন হুট করে জ্বলে উঠা এক শিখা, গৌরবে নিজের জানান দিয়ে জ্বলতে জ্বলতে,

অরণ্য রাত্রি স্বর্গ মর্ত্য পাতাল সন্ধ্যায় যখন সূর্যের আলো নিভে যেতে থাকে , পশ্চিম আকাশ লাল হয়ে যায়, মর্ত্যলোকে নেমে আসে নীরবতা তখন আমি কেমন যেন বিষণ্ণ হয়ে যাই। একটার পর একটা স্মৃতি মনের ঈশান কোনে বাসা বাঁধতে থাকে। আজকের সন্ধ্যাটা খুব বিষণ্ণ। একটু আগেই বৃষ্টি হয়েছে। পানি জমে আছে রাস্তায়। হেঁটে যাচ্ছি সোডিয়াম বাতির

হুতুম পেঁচা লি চেং পরিচালিত ‘Jose’, একটি রক্ষণশীল সমাজে নিজস্ব পরিচয় নিয়ে একজন যুবকের সংগ্রামের ছবি। গুয়াতেমালা শহরের প্রেক্ষাপটে তৈরি, ছবিটির মূল চরিত্র, হোজে(Jose) একজন ১৯ বছর বয়সী সমকামী পুরুষ যে তার মায়ের সাথে থাকে এবং একটি ছোট রেস্তোরাঁয় কাজ করে। Jose’s Character In Short: Jose is a gay and poor man, breadwinner of his

অনির্বাণ সিগারেটের ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। প্রেম ভালোবাসা কপালে নেই আগে থেকেই জানতাম। কিন্তু এ তো নতুন এক জালা যন্ত্রণা। কিছু হলেই হাত বাড়িয়ে ছুঁয়ে দেখার অব্যক্ত চাওয়া, কয়েক মুহূর্তের জন্য দেখার আহ্লাদ। চোখ দুটো বড় বড় করে ওর দিকে তাকিয়ে থাকি চুপচাপ, যেন আর কোনদিন দেখা হবে না, সেই ভাবুক চাহুনির বিশ্লেষণ করা