লেখকঃ সুধাংশু আমাদের বাঙালী সমাজ ব্যবস্থায় একটা শিশুর বেড়ে ওঠার একটা বড় অংশে তাকে দুষ্টুমির ছলে হোক কিংবা হেয়ালি করে, বড়রা দু’একবার বলেই থাকে, “ওকে তো ওর দাদীর সাথে বিয়ে দিব।“ কিংবা বাবার বন্ধুর মেয়েকে দেখিয়ে দুষ্টুমির ছলে বাবা বলে, “বড় হলে কিন্তু তোমাদের বিয়ে দেব”! কিন্তু বিশ্বাস করুন আমি কখনো এই ধারণাটার সাথে আমার

লিখেছেনঃ অরণ্য রাত্রি বিয়ের কথা বললেই আমার চোখের সামনে ভাসে একটি খুব সুন্দর করে সাজানো মঞ্চে একজন শেরওয়ানী আর পাগড়ী পরে বর বসে আছে আর তার সাথে আছে লাল বেনারসি শাড়ি পরে সারা অঙ্গ জুড়ে গহনা দিয়ে সাজানো কনে। বাজছে বিসমিল্লাহ খানের সানাই আর খাবারের সুগন্ধ তো আছেই। আচ্ছা একটূ অন্য রকম ভাবে চিন্তা করা

শিল্পীর চিন্তা মিথলজিতে এমন একটা কনসেপ্ট আছে যে, একবার রাধা আর কৃষ্ণ তারা একে অপরের কাপড় বদল করেছিল। রাধা কৃষ্ণের জামাকাপড় পড়ে, আর কৃষ্ণ রাধার অলংকার, গহনা, পোশাক পড়ে। তো এখান থেকেই গানের কনসেপ্ট আসে- বনমালী তুমি , পরজন্মে হইয়ো রাধা। ছবিটা দেখে এখানে অনেকেই সেই কনসেপ্টটা ভাবছে। কিন্তু এই ছবিতে তারা দুজনেই পুরুষ, একজন

লেখক- সূর্যদীপ্ত নাগ আজ থেকে প্রায় বছর পনেরো-ষোল আগে বাবার মন রাখতে ডাবলুবিসিএস পরীক্ষায় বসার প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। সেজন্য একটা সংস্থায় সমাজতত্ত্ব এবং অর্থনীতি নিয়ে পড়েওছিলাম কিছুটা। অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ লাইনে যাবার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা ছিল না বলে পরীক্ষাটা মন দিয়ে দিই নি ঠিকই, কিন্তু সেই পড়াশোনা বেশ কাজে এসেছে আমার। তা যাইহোক, একদিন অর্থনীতির ক্লাসে ভারতবর্ষের ব্যকওয়ার্ডনেসের কারণ

লিখেছেনঃ তারাশঙ্কর প্রতিদিনের মত আজও ছোট দাদুর ডাকেই ঘুম ভাঙল। উফফ…এই ছুটির দিনটাতেও রেহাই নেই, ভোরবেলাতেই ঘুমটা নষ্ট। অবশ্য আমাকে ডাকছেন না উনি, ডাকছেন আমার দাদুকে, পার্কে হাঁটতে যাবার জন্য। এই দুই বুড়োর বন্ধুত্তের জ্বালায় আর বাঁচি না! কেন বাপু, আমার মনে হয় কোন বুজুম ফ্রেন্ড নাই! কই, ওরা তো আমার ঘুম ভাঙ্গাতে আসে না

লেখকঃ অরণ্য রাত্রি আমরা কামিং আউট শব্দটি প্রায় শুনে থাকি। এবং সম্প্রতি এই শব্দটির ব্যবহার বেড়ে গিয়েছে। কামিং আউট হল একটা বিশেষ প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে একজন মানুষ তার নিজের সেক্সুয়াল অরিয়েন্টেশন এবং আইডেন্টিটি বুঝে , মেনে নেয় এবং মূল্যায়ন করে। এর মাধ্যমে সে তার সেক্সুয়াল অরিয়েন্টেশন এবং আইডেন্টিটিকে আরও অনুসন্ধান করে এবং অন্যের সাথে শেয়ার

you came into my dreamlast nightyou were sitting across the table,smiling softlyhow rarely we smile at each other now.how rarely you smile at alltraces of white moisturizerand beads of sweat alongyour lip lines; they curveto show disapprovaland anger from dissatisfactionthe kind that horrified me as a child and pisses me off now.i wonder when your

লেখক- পিহু শব্দটা নিশ্চয়ই চেনা লাগছে? এই শব্দটার সাথে পরিচিত হই ক্লাস ৩/৪এ। আচ্ছা, অতোটুকু বাচ্চা সে সময় এ শব্দটা ব্যবহার করে আমায় বুলিং করতো। কী বুঝতো এই শব্দ দ্বারা? আমিও কেমন যেনো কষ্ট পেতাম। ওরা দল বেধে বেঞ্চের সামনে এসব করতো। এরপর তো স্কুল জীবনের প্রতিটা ক্লাসেই এসব শুনে এসেছি।মনে পড়ে, হাইস্কুলে ক্লাস ৮এ

লেখক- খোয়ারিতে থাকা এক পুরুষ ম্যোঁরস, তপ্ত সাগরবালুকায় অনামা কোনো আরবকে থেমেথেমে করা তোর সেই পাঁচটে গুলির মতো করেই তুই গেঁথে আছিস জাগতিক অথচ পরম আরাধ্য ‘অচেনা’ হয়ে- আমার ভেতর। গিলোটিনে প্রাণ যেতে পারে জেনেও আদালত কিংবা পাদ্রীর ভ্রুকুটিকে পাত্তা দিবি সে মানুষ তো তুই নস! ‘যা তো, ভালো লাগতেছে না তোরে’ বা ‘আমি জানি

লেখক- Aiden October 22,2018 আমার ১৭তম জন্মদিন। অনলাইনে অনেক দিন যাবৎ একটা মেয়ের সাথে ভালো বন্ধুত্ব ছিল। তবে সেদিন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম নিজের ব্যাপারে বলবোই বলবো। বললাম ও।এর পরে আর তার সাথে কথা হয়নি তেমন। কারণ দেখতাম আমি টেক্সট করলেই সে কেমন যেন এড়িয়ে যেত। সে আমাকে নিজের ভাই এর মত ভাবলেও আমি সমকামী এটা শুনার