
২৫ তারিখ সকাল বেলা। উঠোনে বসে শীতের রোদ পোহাচ্ছি। দরজায় ঠক ঠক আওয়াজ। দরজায় খুলতেই দেখি ব্যাগ হাতে রাতুল আর শ্রাবণ দাড়িয়ে। ওদের হাতের ব্যাগ দেখে মনে পড়লো আজ বান্দরবান যাবার কথা। ‘তোরা এখানে? বাস ক’টায়?’ ‘বাস ১২টায়।’ ‘তাহলে ১১টা বাজে এখানে কি করিস?’ ‘তোকে নিতে আসছি।’ রাতুলের সোজাসাপটা জবাব। ‘আমি যাব না, সেটা আগে

‘আমি ভার্সিটিতে চান্স পাইছি, একটু আগে রেজাল্ট দিল’ ‘গ্রেট! কংগ্র্যাটস আমি জানতাম তুমি চান্স পাবে’ ‘তুমি খুশি হয়েছ? তুমিও চান্স পেলে ভাল হত একসাথে পড়া যেত’’ বাদ দাও, তোমার চান্স হয়েছে আমি তাতেই খুশি। মিষ্টি খাওয়াচ্ছো কখন?’ ‘বিকেলে চলে এসো আড্ডা দেয়া যাবে।’ ‘আচ্ছা।’ বলে আবারো উইশ করে ফোন রেখে দিলো রায়ান। রায়ান কথা বলছিল
লেখকঃ সুধাংশু আমাদের বাঙালী সমাজ ব্যবস্থায় একটা শিশুর বেড়ে ওঠার একটা বড় অংশে তাকে দুষ্টুমির ছলে হোক কিংবা হেয়ালি করে, বড়রা দু’একবার বলেই থাকে, “ওকে তো ওর দাদীর সাথে বিয়ে দিব।“ কিংবা বাবার বন্ধুর মেয়েকে দেখিয়ে দুষ্টুমির ছলে বাবা বলে, “বড় হলে কিন্তু তোমাদের বিয়ে দেব”! কিন্তু বিশ্বাস করুন আমি কখনো এই ধারণাটার সাথে আমার

লেখক- পিহু শব্দটা নিশ্চয়ই চেনা লাগছে? এই শব্দটার সাথে পরিচিত হই ক্লাস ৩/৪এ। আচ্ছা, অতোটুকু বাচ্চা সে সময় এ শব্দটা ব্যবহার করে আমায় বুলিং করতো। কী বুঝতো এই শব্দ দ্বারা? আমিও কেমন যেনো কষ্ট পেতাম। ওরা দল বেধে বেঞ্চের সামনে এসব করতো। এরপর তো স্কুল জীবনের প্রতিটা ক্লাসেই এসব শুনে এসেছি।মনে পড়ে, হাইস্কুলে ক্লাস ৮এ

লেখক- Aiden October 22,2018 আমার ১৭তম জন্মদিন। অনলাইনে অনেক দিন যাবৎ একটা মেয়ের সাথে ভালো বন্ধুত্ব ছিল। তবে সেদিন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম নিজের ব্যাপারে বলবোই বলবো। বললাম ও।এর পরে আর তার সাথে কথা হয়নি তেমন। কারণ দেখতাম আমি টেক্সট করলেই সে কেমন যেন এড়িয়ে যেত। সে আমাকে নিজের ভাই এর মত ভাবলেও আমি সমকামী এটা শুনার

লেখক- দীপ্ত লক্ষ টাকার দামী গহনার চেয়ে ঢের ভালো যদি এমন একটা মানুষ তুমি পাও যে মানুষটা…. নিঃশব্দে তোমার পেছনে এসে দাঁড়াবে। আলতো করে পিঠ থেকে চুল সরিয়ে ঠিক মেরুদণ্ড বরাবর ঠোঁট রেখে, বুকের ভিতরটা ভয়ানক রকমের শীতল করে দিবে। যার ছোটো ছোটো নিশ্বাস, আর খোলা পিঠে খোঁচা খোঁচা দাঁড়ির হাল্কা সুর সুরি, পিঠ ভেদ

আমাদের কমিউনিটিতে যৌনসম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে যে জিনিসটাকে সবথেকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় সেটা হলো রোল/প্রেফারেন্স। সমকামীদের ৩ ধরনের রোল আছেঃ টপ, বটম এবং ভারসাটাইল। টপ হলেন যিনি দিচ্ছেন, বটম হলেন যিনি নিচ্ছেন আর ভারসাটাইল হলেন, যার একটা হলেই হলো। যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে সব রোল এর গুরুত্বই কিন্তু একই রকম কিন্তু তবুও আমাদের কমিউনিটি তে বটম-দের

আজকের এই লিখাতে আমি বাংলাদেশে কুইয়্যার কমিউনিটির প্রতি নির্যাতন ও সহিংসতার মূলে যাওয়ার চেষ্টা করবো। বাংলাদেশে আমরা যে যৌন সহিংসতা দেখি, তার মূল অন্তত দুই জায়গায়: প্রথমত, একটা কারণ একেবারেই স্ট্রাকচারাল বা কাটামোগত। বলতে চাচ্ছি, সাংবিধানিক ও আইনী কাঠামোতে কুইয়্যার কমিউনিটির উপর সহিংসতার শাস্তি কী হবে সে ব্যাপারে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা নাই। তারচেয়ে বড় কথা, দেশের

লেখকঃ অরিত্র হোসেন সকাল কখন হয়, আর রাত কখন হয় টেরই পাইনা। ঘড়ি দেখতে ইচ্ছে করে না। দেখে কি লাভ? ঘণ্টার পর ঘণ্টা চলে যাচ্ছে। পৃথিবী থমকে গিয়েছে। মানুষের জীবনে অনিশ্চয়তার মেঘ দৌড়চ্ছে। খাঁচার ভিতর মানুষ নিজেকে কি বন্দী রাখতে কি চায়? বন্দী হিসেবে থাকা আমার জন্য নতুন কিছু না। দাবি করছি না কখনও ‘জেল’

লেখক- সাঁঝ মৃত এক সময়ে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করে সুখি থাকার চেষ্টা আর কত আমি আটকে থাকি তোমাতে, হয়তো তুমি অন্য কোথাও অথবা কোথাও না হয়তো তুমি পাখির মতো স্বাধীন, মেতে আছো সৃষ্টির উল্লাসে কে আমি তাতে বাধ সাধার, কেনই বা থেকে যায় শুধু শৃঙ্খল আর নিয়ম সবুজ আর প্রাণের নেশায় বুঁদ সীমা ভেঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার