
তোমার আমার ঘরে কেউ নাইকোটি কোটি বছর হয়ে গেল,মোমবাতি জ্বলতে জ্বলতে সলতে নিঃশেষ হয়ে গেলমাকড়সারা জ্বাল বুনতে বুনতে আমাকে তাদের ফাঁদে আটকে ফেললো,আমি অসহায় একা, নিসাড় দেহ নিয়ে তোমার অপেক্ষায় ছিলাম,কিন্তু তুমি আর ফিরে আসলে না;ফেরত আসার আশ্বাস দিয়ে।আমাদের আর সংসার সংসার অভিনয় করা হলো নাশুরু হওয়ার আগেই খেলা চুকিয়ে গেলো। রাতের আঁধারে আমরা আর

সোনালী সুন্দরী তোমার আমার হবে কি ফের দেখা?দুশ্চিন্তা গুলো আজ মনে বেধেঁছে বাসাহৃদ অন্তঃস্থলে কেমন যেন ব্যথা!শুনতে কি পাই দুজনার মনের কথা? বাস্তবতার যাঁতাকলে পিসে,আজ কি দুজন ভুলছি দুজনাকে?আলোক প্রদীপ নিভে যাবার আগেআর্জি এটুকু দেখবো আবার তোমাকে।তোমার আমার হবে কি ফের দেখা?এ যেন না হয় অন্তিমকালে আশাতোমার আমার হবে কি ফের দেখা? সোনালী সুন্দরী- A

মৃত্তিকা খানম আমি অঙ্কুরের মতো সুন্দর। আমি চির তারুণ্য, ষোড়শী তরুণীর মতো সুন্দর। আমায় না যায় ছোঁয়া, না যায় মাপা, আমি সীমাহীন ব্যাপ্তির মতো সুন্দর। আমি শূন্যের মতো সুন্দর। আমি আমার মৃত্তিকার মতো সুন্দর। আমি স্নিগ্ধ বাতাসের মতো সুন্দর। আমি সবুজ ঘাসের, নরম আঁচড়ের মতো সুন্দর। আমি আবর্জনা, ময়লার স্তূপের মতো সুন্দর। আমি রাতে নিশি

লিখেছেনঃ দিব্বু দত্ত অশুচির বিধান আগামীর কর্ণধারকে বিন্যস্ত করে, মন্ত্র পাঠ শেষে, পুনঃ পুনঃ মুহুর্তে আস্ফালন ও থেমে যাওয়া। এখন নেই এই ক্ষণে। ক্ষণ হয় নদী। প্রকট বোধগম্যতা কর্ণ ছিড়ে মগজ কে টানে। “কামড়িয়ে ছিড়ে কয়েদি বানাবো!” আর ছিন্ন হয়ে যাওয়ার মুহুর্তেই ছাড়। বর্তমান শরীর দিয়ে ফুঁড়ে বর্তমানকে টানে। কী করে এই শাস্তির যোগ্য হলাম

Written by- Nafisa i was your beloved, i was your peace i was the Penelope to your Ulysses the Ariadne to your Theseus the Achilles to your Patroclus i was your little dove your belle, your lady, your love for i’d begged to none but Zeus to be your one and only muse but alas,

লিখেছেন- জিবরান আহমেদ সাবিত আজো আমার চোখে সেই গোধূলির রঙ লেগে আছে মনে হয় একটু আগেও পাশে বসেছিলে তুমি অথচ সব মিথ্যে তুমি পাশে নাই তোমার দেখা নাই আমার কি কোথাও যাওয়ার কথা ছিলো? কেন আমি বারবার পুরোনো স্মৃতি মনে করি? আমি ফুল ভালোবাসি আমি পাখি ভালোবাসি আমি মানুষকে ভালোবাসি আরো কি প্রয়োজন আছে কারো

লিখেছেন- জিবরান আহমেদ সাবিত নিসর্গের বিচ্ছিন্নতায় তুমি পথভ্রষ্ট যাযাবরী। বহু বর্ণের কষ্টে তুমি, নিবদ্ধ গরবিনী। বহু অবিশ্বাস তোমার দেহে অর্কিডের বসবাস। মহিমায় প্রলুব্ধ তোমার অবসন্ন নিশ্বাস। নিষিদ্ধ বাসরে নিবদ্ধ তুমি প্রতি চন্দ্র রাতে আক্ষেপবিহীন চোখ তোমার নিমগ্ন অন্য ঘরে। আত্ননির্বাসিত তোমার কামকুপিতা স্বেচ্ছা নির্বাচিত রঙ্গের সমুদ্রে উষ্ণ কামনিশ্বাস তোমার শ্বাসরুদ্ধ নিভন্ত। বিধ্বস্ত অপবাদ নিয়ে তুমি

লিখেছেন– জিবরান আহমেদ সাবিত এই যে যারা জগৎ ছেড়ে দু’দিন আগে গেল চলে তাদের সাথে কি দেখা হবে পরকালের কোন বিকালে? পরকালটা কি সত্যি হবে পরকালটা যদি সত্যি হয় পরকালটা কবে হবে? ঈস্রাফিল তার শিঙা হাতে আর কতটা দিন রইবে বসে, এই পৃথিবীর সকল মানুষ সবাই যদি ভালোবাসে এই পৃথিবীটাই কি স্বর্গ হতো না। এই

লিখেছেনঃ শব্দকর তোমার জন্য আটপৌরে খুনসুটি লিখি নি, তোমাকে নিয়ে জোড়া কাগজ ঘুড়িও হতে চাই নি। খুঁজিনি তোমার সাথে সবচেয়ে কোণের টেবিল, বেয়ারাকে বলিনি, সরিয়ে নাও দুটো বাদে সব কটা চেয়ার। লুকিয়ে হয়তো চুল ছুঁয়েছি দু এক বার। আমি পিপাসায় ঢকঢক করে জল খেয়ে তোমার আঁচলে কখনো চিবুক মুছিনি। আমি পলক ফেলতে ভুলেছি, অথবা ফেলিনি

এই শীতের রাত কুয়াশা মোড়া চাঁদ সবই ভেলকি লাগে যখন শিরদাড়া দিয়ে কলকল করে বয়ে যায় উষ্ণ রক্তস্রোত। কামনা নয় বাসনা নয় ধমনীতে আমার তীব্র যাতনা সে যাতনার বিষে রক্ত হয়ে যায় নীল , পাংশু মেঘের ছায়ার মত বিষাদে ছেয়ে যায় চোখ মুখ! এই দুরন্ত নক্ষত্রের বর্ণিল আলো ভেলকি লাগে , ভেলকি লাগে মহাবিশ্বের শুন্যতা