
এই কয়দিন রনির কথা তেমন মনে পড়ে নাই। আসলে নিজের শরীরের চিন্তায় ছিলাম এই কয়দিন। আমি ঠিক করলাম পরেরদিন চলে যাবো। কিন্তু জামালের কথা ভাবতেই মন খারাপ যাচ্ছিলো। ওর সাথে আবার কবে দেখা হবে। সেই দিন রাতে জামাল আর আমি বসে আছি পুকুর ঘাটে। আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ।জোনাকি পোকা জ্বলছে নিভছে। মিটিমিটি। কেউ নেই জায়গাটা নীরব।

আমরা বাংলাদেশিরা যে সামাজিক রীতিনীতি গুলো মেনে চলি, তার কিছুটা আমরা পেয়েছি আমাদের সংস্কৃতি থেকে, কিছুটা আমাদের প্রথা থেকে, কিছুটা বা আমাদের ধর্মথেকে, সবকিছু মিলে মিশে আমরা পূর্নাঙ্গ বাংলাদেশি। আমরা যেমন মঙ্গলশোভা যাত্রায় অংশনেই, তেমন প্রভাত ফেরিতে অংশ নেই, আবার তাজিয়ামিছিলেও আমাদের উপস্থিতি থাকে, আমরা যেমন শহীদ মিনারে, স্মৃতিসৌধ শ্রদ্ধানত শীরে দাঁড়াই, তেমনই দূর্গাপূজাঁ বা

He could see the other man waiting in his bedroom. It was a tantalising prospect. The honesty, the daring, the sheer illegality of the night-time encounter made the hairs on his arms stand up. He walked inside and reached behind him to close the door. His hand tightly gripped the handle. Quader was jolted out

যেদিন Universal Periodic Review (2013) এর রিপোর্ট বেরুলো সেদিন একটি অনলাইন পত্রিকায় রিপোর্টটি দেখছিলাম – পররাষ্টমন্ত্রী বলেছেন, “এলজিবিটি-দের নাগরিক ও সাংবিধানিক অধিকার সংরক্ষণ করা হবে। যৌন পরিচয়ের ফলে কেউ সহিংসতা কিংবা বৈষম্যের শিকার হলে তার বিপরীতে সুষ্ঠু ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” স্বভাবতই এই রিপোর্টের নিচের মন্তব্য গুলোতে নজর দিলাম। মনে হলো এদেশে একটি পারমাণবিক বোমা

প্রকৃতিতে বিবর্তন ঘটছে। ন্যাচারাল সিলেকশনের মুল কথা হলো, যে কমিউনিটি সবচেয়ে শক্তিশালী এবং প্রকৃতির সাথে মানাতে পারবে, সে টিকে থাকবে, এজন্য অন্য কমিউনিটি মারা খেলে খাক। আবার বিবর্তনের খেলা এমন যে, এই যুদ্ধ শুধুমাত্র কমিউনিটিতে হবে তা নয়; বরং একই কমিউনিটির ভিতরেও হতে পারে। একটু উদাহরণ দেই, প্রথমত হোমো সেপিয়েন্স নামক কমিউনিটিটা যদি দেখি, এটা

৭রনি দেখতে খুব সুন্দর ছিল। প্রথম যেদিন রনি কে দেখি সেদিন সারাটা ক্লাস কিছুক্ষণ পর পর রনির দিকে তাকাচ্ছিলাম। আমি ভেবেছিলাম রনি নিজে থেকে আমার সাথে বন্ধুত্ব করবে। সবাই তাই করে। কারন আমি জমিদারের নাতি। কিন্তু কিসের কি। রনি আমাকে দেখেও না দেখার ভান করে। তার ইতোমধ্যে বন্ধুও হয়ে গিয়েছে। আমার ওহমে লাগলো। আমার প্রচণ্ড

৪ আমি ক্লাস সেভেনে উঠলাম । আজকাল আমার জানি কি হয়েছে ছেলেদের নগ্ন শরীরের দিকে তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছে করে। তখন একটা অদ্ভুত ব্যাপার হয়। আমার যৌনাঙ্গ শক্ত হয়ে যায়। মাঝে মাঝে আঠালো পদার্থ নিঃসৃত হয়। স্বপ্নে নগ্ন পুরুষ দেখি। ঘুম থেকে উঠে দেখি চাদর ভেজা। আমার খুব ভয় লাগে। কিন্তু কাউকে বলতে ও লজ্জা লাগে।

ওই যে অরুন, ক্লাসের টেবিলে রংচটা শার্ট আর গীটার হাতে বসে গান গাইত মাথা ভর্তি মখমলে চুল আর দুচোখ ভরা স্বপ্ন! বদলে গেছে…… স্বপ্নগুলো নয়, অথবা কে জানে হয়তো দুটোই ঘুলঘুলি দিয়ে আসা আলোয় যে আধারির খেলা ধরত শব্দের পিঠে শব্দ গেঁথে বুনে ফেলত জাল, বলত এসে “খেলবি রে? চল কাব্য খেলি” আমার বোকা শূন্য

-মুমন কই রে? ও ফোন করে না কেন? -ভালো আছে ও আম্মা , যেখানে আছে ও অনেক ভালো আছে, তুমি শুধু ওর জন্য দোয়া করো। -তোর সাথে তো ওর কথা হয়। আমাকে একটা ফোন করে না কেন? ওর ফোন নাম্বার দে আমারে। কি বলবো ………কিছুদিন পরপর আম্মার একই প্রশ্ন……… ছেলের সাথে কথা বলতে পারছেন না

এডিটোরিয়াল নোটঃ দেশের বিদ্যমান তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা এবং অন্যান্য বিষয় মাথায় রেখে লেখাটির কিছু অংশ পরিবর্তিত/বাদ দেয়া হয়েছে। লেখকের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে বিষয়টি করতে আমরা বাধ্য হয়েছি। পরিপূর্ণ মত প্রকাশে ব্যর্থতার এই দায় আমাদের সকলের । রূপবান লেখকের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। ২৫ এপ্রিল, সবার জন্য একটা দিন, একটা তারিখ, একটা মাস। আর বাংলাদেশের সমকামী গোষ্ঠীর