
জুলহাজ মান্নান। নামটা সামনে আসলেই একজন মানুষের ছবি চোখের সামনে ভেসে উঠে। একজন মানুষ যার সাথে আমার সম্পর্কটার কোন নাম আমি কখনোই দিতে পারি নি। ভালোলাগা, বন্ধুত্ব, দায়িত্ববোধ, শ্রদ্ধা সবকিছু ছিল সেখানে। সর্বোপরি আমাদের সম্পর্কের একটা ভাষা ছিল। ঠিক কবে কিভাবে মানুষটা আমার দিক নির্দেশক হয়ে উঠল আমার মনে পড়ে না। তবে তার সাথে প্রথম

প্রায় বছর দুয়েক আগের কথা। শীতের এক দুপুরে বিছানায় শুয়ে আছি। ফেসবুকে লগ-ইন করতেই বিবিসি বাংলার একটা নিউজে চোখ আটকে গেলো। বাংলাদেশের প্রথম সমকামী বিষয়ক ম্যাগাজিন রূপবান-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রকাশক জুলহাজ মান্নানের সাক্ষাৎকার। আমি এর আগেও এই ম্যাগাজিনের নাম শুনেছিলাম। তাই আগ্রহটা একটু বেশিই ছিল। সাক্ষাৎকার পড়ার পর এবার যথারীতি চোখ গেলো ফেসবুকের কমেন্ট বক্সে।

জুলহাজ মান্নান। বাদামি রঙের পাতলা গড়নের ছোট্ট একটা মানুষ। যেদিন থেকে পরিচয়, একটা জিনিস নিয়ে তার সাথে মনের ভেতর অনেক ঈর্ষা হতো, সেটা আর কিছু না.. শুধুমাত্র তার সেই লম্বা রেশমী চুল. ২০০৭ এ পরিচয়, বড়ভাইয়ের মতোই শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসতাম। আজো বাসি। আমাদের মধ্যে অনেক মান-অভিমান চলতো। আমার বয়স তখন অনেক কম, সবকিছু বুঝতাম ও

সময়টা ২০০৭। প্রায় নয় বছর। কিন্তু এখনো দিন গুলো খুব কাছের মনে হয়। মনের ক্যানভাসে আঁকা রঙিন স্মৃতি গুলো এত দিনেও ফ্যাকাসে হয়ে যায় নাই। বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় সেই মানুষটা এখন আর নেই। মনে হয় এই তো সেই মানুষ টা কে এখন ফোন করলেই তার কণ্ঠ শোনা যাবে।কোন পার্টি ,পিকনিক অথবা ট্যুরের কথা বলবে।

লেখকঃ অরিত্র হোসেন ছোট ছোট মোমবাতি দিয়ে পুরো ঘর সাজানো। কয়েকটা মেঝেতে। কয়েকটা কাঠের ওয়ারড্রবের উপর। চারটা হলুদ স্পট লাইট জ্বলছে। চারটা চার কোণায়। স্পট লাইট আর মোমবাতির আলো মিলিয়ে অদ্ভুত এক পরিবেশ ঘরে তৈরি হয়েছে। আজ কোন ঝিলিমিলি বাতি জ্বালানো হয়নি। সবসময় এ বাড়িতে সব আয়োজনে রঙিন বাতি থাকবেই। রঙধনু বাতি। সব ছড়িয়ে ছিটিয়ে

লিখেছেনঃ মুন আজ এই রঙ্গিন বসন্তে কিছু স্মৃতি ফিকে হয়ে যাচ্ছে আর কিছু দগদগে রক্তাক্ত ক্ষতের মত পীড়া দিচ্ছে৷ আজ প্রায় একবছর হতে চললো৷ গত বছর ঠিক এই বসন্তে মার্চের ১৭ তারিখে আয়োজিত হয়েছিল “রূপবান ইয়ুথ লিডারশীপ ট্রেনিং প্রোগ্রাম”৷ খুলনা হতে কেবল আমিই গিয়েছিলাম সেখানে৷ যদিও অনেকেই যেতে চেয়েছিল, কিন্তু শেষ মুহূর্তে নানা সমস্যার অজুহাত

ধপাস! তড়িঘড়ি করে বিছানা থেকে উঠে দেখি আমার ল্যাপটপ মেঝেতে পড়ে গেছে। কোলের উপর রাখা ছিল, শেক্সপিয়ারের ‘দ্য টেম্পেস্ট’ নিয়ে একটা পেপার লিখছিলাম। চোখ ঘুমে নিবু নিবু করছিল, তবে কখন যে তলিয়ে গেলাম তা সঠিক বলতে পারবো না। ঘড়িতে বাজছে ভোর ৪:৩০। বিছানা থেকে উঠার জন্য মনের সঙ্গে মস্তিষ্ক কিছুক্ষণ ধ্বস্তাধস্তি হল; ফলাফল: মন জয়ী!

কুড়ি বছর বয়সে জীবনের এক কুৎসিত রূপ দেখতে পাবো সেটা আঁচ করতে পারিনি। দিন দিন দুর্বিষহ হয়ে উঠা জীবনটা এখন তেজপাতার মতো। আগুনের কাছে নিলেই নিমিষে শেষ। একেকটি রাত কাটানো যেন মৃত্যুর কাছে হামাগুড়ি দিয়ে নয় খরগোশের গতিতে এগিয়ে যাওয়া। এই বুঝি তারা এলো, এই বুঝি তারা আমায় শেষ করতে এলো। ‘আমায়’ পরিবর্তে ‘আমাদের’ বলা

উল্টি একটি কোড ল্যাঙ্গুয়েজ৷ এই ভাষাটি মুঘল আমল থেকেই খোজা, নর্তকী বা বাঈজি ইত্যাদি সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রচলিত ছিল বা আছে৷ প্রথমে ভাষাটি প্রধানত “ফার্সী” শব্দ ও দেশীয় শব্দের সমন্বয়ে তৈরি করা হলেও অনেক নতুন ও অভিনব শব্দ পরবর্তীতে যোগ হতে থাকে৷ ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, বাংলাদেশসহ দক্ষিন এশিয়াতে ভাষাটির ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়৷ কিন্তু বর্তমানে ভাষাটি

Boys of Bangladesh (BoB), Roopbaan, as well as some individuals as a voluntary contribution, conducted a survey to scale the current needs of the lesbian, gay, and bisexual (LGB) community of Bangladesh, devise a strategy plan to move forward in materializing those needs, identify the challenges faced by community members and put forward some possible