
যা হবার কথা ছিলোঃ ১. টিনএইজ শুরুর কিছু বছরের মধ্যেই নিজের জেন্ডার আইডেন্টিটি ও সেক্সুয়াল ওরিয়েন্টেশন বুঝতে পারা। ২. এই সম্পর্কে জানার জন্য খোঁজখবর করা, পড়াশোনা করা, গবেষণা করা। ইন্টারনেটের কল্যাণে সেক্সুয়ালিটি, জেন্ডার আইডেন্টিটি বিষয়ক অসংখ্য প্রবন্ধ, গবেষণাকর্ম, বইয়ের অধিগম্যতা একেবারেই অনায়াসসাধ্য। ধর্মীয়, সামাজিক, বৈজ্ঞানিক, মনস্তাত্ত্বিক; বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে হোমোসেক্সুয়ালিটির পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তিতর্ক, তত্ত্ব-তথ্য উপস্থাপন করে

মেয়ে হয়ে আরেকটা মেয়েকে বা ছেলে হয়ে ছেলেকে ভালালাগা বা ভালোবাসার নাম সমকামী। কিন্তু এমনটাও হরদম ঘটছে অনেকেই নিজেকে সমকামী দাবি করেন। সমলিংগের মানুষের সাথে সম্পর্কে জড়ায়, স্বপ্ন দেখায়, বাকি জীবন একসাথে থাকার অঙ্গীকার করে, শরীরী প্রেমে ডুবে যায়। কিন্তু তারপর মাত্র ঘুম ভেঙেছে এমনভাবে হুড়মুড় করে উঠে বসে। মাথায় হাত দিয়ে ভাবতে বসে যায়।

কিছুদিন আগে আমি আমার প্রিয়তমা কে নিয়ে লিখেছিলাম। সে চলে যাওয়ার বেশ কিছুদিনই হয়ে যাচ্ছে। ওর যাবার পর আমি প্রায় পাগলের মত জীবন কাটিয়েছি। আমার ধারণা ছিল আমার পরিবার ও আমার কাছ থেকে সপ কষ্ট পেয়েছে। এটা ভেবে সবসমই আমার ভীষণ কষ্ট হত। যতটা না তাকে হারাবার তারচেয়েও বেশি তার কষ্টের কথা ভেবে। তবে খুব

মাঝেমাঝেই রাতটাকে খুব বিশাল লম্বা মনে হয়। ২ টা বেজে যায়… ৩টা বেজে যায়… ৪টাও বেজে যায়… বেজে যায় ৫ টাও… ভোরের আলো কিছুটা জানালা দিয়ে যখন উকি দেয় তখন ও আমার চোঁখ দুইটা খোলাই থাকে। ঘুম নামক সোনার হরিণের দেখা তো পাই ই না। তার মধ্যে আবার একাকীত্বতার যন্ত্রণা এসে আমাকে আঁকড়ে ধরে খুব

আমাদের সমাজ ব্যবস্থা কি কখনো সমকামীদের মেনে নিবে? আচ্ছা মেনে না নিলেও চলবে! আমরা শুধু আমাদের মত জীবনটা সাজাতে চাই, সারাটা জীবন কাটাতে চাই আমার ভালবাসার মানুষটার সাথে, তারা কেউ আমার ব্যক্তিগত জীবনে নাক গলাবে না, আমার পরিবারকে কখনো এটা ভাবতে বাধ্য করবে না যে আমি তাদের মান সম্মানে আঘাত করেছি, আমার পরিবারকি এই ভয়

লেখাটি সমকামী বিষয়ক নাহলে আশা করি পোস্টটি এ্যাপ্রুভ করবেন। শারিরীক ভাবে একজন ছেলে এবং আমার সেক্সুয়াল এট্রাকশনও মেয়েদের প্রতি। কিন্তু ছোটবেলা থেকেই ফিমেল ড্রেস, সাজ সজ্জার প্রতি প্রচন্ড দুর্বল।অধিকাংশ পরিবারেই খেয়াল করলে দেখা যাবে খুব কম বয়সে মানে একেবারেই ছেলেবেলায় পোশাক নিয়ে তেমন বাছবিচার থাকেনা।ঠিক তেমনি আমারও ছিলো না। মা, বাবা দুজনই চাকরিজীবি হওয়ায়

বিয়ে নিয়ে একটা মেয়ে অনেক রকমের স্বপ্ন বুনে। বরাবরই ইচ্ছা ছিল arranged marriage করব।ইচ্ছে পূরণও হয়।কিন্তু নিয়তির কি খেল!আল্লাহ আমার কপালে সুখ লেখে নাই। বিয়ের দিন রাত থেকেই অনেকদিন আমার স্বামী আমার থেকে দূরত্ব বজায় রাখে। আমি এর কারণ খুঁজে পাচ্ছিলাম না। Arranged marriage হলেও আমরা বেশ কিছুদিন সময় পেয়েছিলাম জানার জন্য। সেই হিসেবে এই

প্রিয়তমা প্রেয়সী, বল, আর কতকাল থাকবো তোমার অপেক্ষায়, গুনবো প্রহর নিরন্তর? আর কত খুঁজবো তোমায় রাতের তারায়, ভোরের স্নিগ্ধতায়, দুপুরের খর রৌদ্রে কিংবা গোধূলির আলোক মেলায়? জানো প্রিয়া, খুব ইচ্ছে করে তোমার হাতে হাত রেখে জোছনা বিলাসের, তোমার কাঁধে মাথা রেখে কাটিয়ে দিতে অনন্তকাল,মহাকাল। খুব সাধ জাগে, নগ্ন বালিতে শুয়ে হাতে হাত রেখে তারায় তারায়

আমি একজন গে। বর্তমানে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করছি। আমার মনে হয় বর্তমানে আমি মানসিকভাবে খুব খারাপ অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি।পরিবারে আমি একমাত্র ছেলে সন্তান। এক্ষেত্রে, বিয়ে করাটা আমার জন্য অনেক বড় একটা প্রেশার কারণ,কোন মেয়েকে বিয়ে করে সংসার করাটা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। আর অন্যদিকে, এ ব্যাপারটা নিয়ে পরিবারের মুখোমুখি হওয়াটাও খুব

আমি নীলু(ছদ্মনাম)।বয়স ১৮।উচ্চমাধ্যমিক ১ম বর্ষে পড়ছি।বড় হয়েছি ঢাকায়।প্রায় ৪ মাস আগে আমার সমবয়সী এক মেয়ের সাথে পরিচয় হয় একটি ফেইক আইডির মাধ্যমে,অনেক টা কাকতালীয় ভাবে।ওর নাম ছায়া(ছদ্মনাম)।ঢাকাতেই থাকে।ঢাকার একটি সনামধন্য কলেজে পড়াশুনা করে সে।আমরা দুজনেই গার্লি।তার সাথে কথা বলার এক মুহূর্তে আমি তার প্রতি দূর্বলতা অনুভব করি এবং একটা পর্যায়ে তাকে জানিয়ে দিই।সে বেশ কিছুদিন