
ফেসবুকে তখন ডেয়ারের চল ছিল। কমেন্ট/লাইক দিলেই ডেয়ার। তখন তার পোস্টে লাইক দিলে সে টেক্সট দিয়ে বলে তোমার ডেয়ার হচ্ছে In a relationship with someone স্ট্যাটাস দেয়া। আমিও না ভেবে তাকে ট্যাগ দিয়েই পোস্ট দেই। সবার সেখানে Congratulations টাইপের কমেন্ট দেখে মজা পাচ্ছিলাম, তাকে সেগুলোর স্ক্রিনশট দেই। দুজনে হাসাহাসি করছিলাম। এভাবেই চ্যাটের শুরু। কদিন যাওয়ার

আমার পরিবারের কাছে মেয়ে মানে প্রাপ্ত বয়স্ক হলেই বিয়ে দিয়ে দেওয়া। এই মেয়ের কিছুই করার দরকার নেই। মেয়ে হয়ে কি আর করবে? ছোট থেকে যেমন তেমন যেকোনো জায়গা থেকে কোনো রকম কলেজ পর্যন্ত পড়ালেখা করিয়েছে, ইউনিভার্সিটিতে উঠার পর এখন বিয়ে দিবে। পাত্র পক্ষ রাজি হওয়ার পর আমি বিয়েতে রাজি না হলে বাসায় অশান্তি সৃষ্টি হয়।

I am not observant at all, though I have observed all your patterns. Cause I have fallen for you duhhh. You are such a sweet and talented person, I have learned quite a few things from you lately. I wanna learn more though. I have big plans for us and I know I can execute

নিজের নতুন সত্তাকে যখন আবিষ্কার করি তখন আমি নিতান্তই কিশোরী। বুঝতে শিখি আমি বাকিদের মত নই। বাকিরা যখন ক্লাসের স্যারের দিকে তাকিয়ে থাকে আমি তখন নীল শাড়ি পরা নতুন ম্যামের কথাই ভাবি, এমন কতদিন যে গেছে ম্যাম পড়া ধরেছে আর আমি হাঁ হয়ে তাকিয়ে ছিলাম। ম্যামের যখন বদলি হয়,খুব কেঁদেছিলাম।যাবার আগে ম্যামকে জড়িয়ে ধরে ছিলাম

কবি রুদ্র’র কবিতার ভাষায় বলতে গেলে এক গ্লাস অন্ধকার হাতে নিয়ে বসে আছি। বেশ আয়োজন করে তোমায় চিঠি লিখতে বসেছি টেবিল ল্যাম্পের আলোয়। ও তুমি কি জানো কারো উপর মায়া পরে গেলে সে মায়া শুধু বাড়তেই থাকে, কমে না কখনো। ‘ভালো আছি ভালো থেকো আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো’ সিনেমার এই গান যখন আকাশ ছোঁয়া জনপ্রিয়তায়

I met a girl recently. Friend of a friend of mine. She was very upset. She just broke up with her longtime girlfriend. I’ve seen moments like this. In some cases they exaggerate it a lot, some are totally unaffected by it but not her. She was mourning it appropriately. The right amount. Her pain

ক্লাস ৮ এ থাকতে আমার ছেলেদের ভালো লাগতো।এই কথা বেস্ট-ফ্রেন্ডকে বলার পর সে বলে আমি Gay কিনা,শব্দের সাথে পরিচিত ছিলাম না, গুগল করে বিস্তারিত জানি। পড়ে তো আমার চক্ষু চড়কগাছ! এও হয় নাকি।আমি তো ভাবতাম যে কাউকেই ভালো লাগতে পারে। কলেজে উঠে মোবাইল পাই,তারপর আইডি খুলি। একদিন Gay লিখে সার্চ করে সমপ্রেমের এক পেজ চোখে

আমাদের পরিচয় হয় এক কাউন্সেলিং গ্রুপে। আমি সেখানে পরামর্শ দিতাম।আমার এক কমেন্টের সূত্র ধরে সে আমাকে টেক্সট করে।সাম্নাসাম্নি কথা বলতে চায়।আমি রাজিও হই। পরদিন আমাদের কথা হয়, সে তার সেকসুয়ালিটি,তার আগের রিলেশন, কামিং আউটের কথা বলে।আমি কাউন্সেলিং করলেও কখনোই নিজ কম্যুনিটির কাউকে পাইনি।তাকে দেখে আমিও স্বীকার করি যে আমি গে।কথায় কথায় সে তার এক এক্সের

বায়োলজিকালি আমি পুরুষ,কিন্তু মনে-প্রাণে নিজেকে নারী ভাবতেই ভালো লাগে।ছোটবেলায় ছেলেরা যখন ক্রিকেট-ফুটবল খেলত আমি তখন পুতুল খেলতাম,মায়ের শাড়ি-হিল পরে বউ সাজতাম।নারী-পুরুষের পার্থক্য বুঝতাম না।আস্তে আস্তে যখন বড় হই সবাই আঙুল তুলে দেখিয়ে দেয় এসব মেয়েদের কাজ,ছেলেরা হবে শক্ত-সামর্থ্য! বয়েজ স্কুলে পড়াশোনা, সারাদিন ছেলেদের সাথেই ওঠবস।সুযোগ পেলেই আমাকে মারতে ছাড়ত না কেউ।মাগি-হিজড়া বলে গাল দেয়া ছিল

সমকামিতাকে মেনে নিতে আপনাদের অধিকাংশেরই যেমন ঘৃণা হয়,তেমনি আমার নিজেকে নিজের কাছে মেনে নিতে ঘৃণা না হলেও কষ্ট হয়। ঘৃণা হয়না একারণে যে এখানে আমি নিজে কোনো ভুল করিনি। আমি আজ পর্যন্ত কারোর সাথে কোনো সম্পর্কেও জড়াইনি, কারোর দ্বারা সেক্সুয়ালি এবিউজডও হইনি। মানে বলতে চাচ্ছি আপনারা অনেকে যেটা মনে করেন যে এরা বুঝি এসব ঘটনার